ওয়ালা-তানফা‘উশশাফা-‘আতু‘ইনদাহূইল্লা-লিমান আযিনা লাহূ হাত্তাইযাফুঝঝি‘আ ‘আন কুলূবিহিম ক-লূমা-যা- ক-লা রব্বুকুম ক-লুল হাক্কা ওয়া হুওয়াল ‘আলিইয়ুল কাবীর।উচ্চারণ
আর যে ব্যক্তির জন্য আল্লাহ শাফায়াত করার অনুমতি দিয়েছেন আল্লাহর কাছে তার জন্য ছাড়া আর কারো জন্য কোন শাফায়াত উপকারী হতে পারে না। ৪০ এমনকি যখন মানুষের মন থেকে আশঙ্কা দূর হয়ে যাবে তখন তারা (সুপারিশকারীদেরকে) জিজ্ঞেস করবে, তোমাদের রব কি জবাব দিয়েছেন? তারা বলবে, ঠিক জবাব পাওয়া গেছে এবং তিনি উচ্চতম মর্যাদা সম্পন্ন ও শ্রেষ্ঠতম। ৪১ তাফহীমুল কুরআন
যার জন্য তিনি (সুপারিশের) অনুমতি দেন, তার ছাড়া (অন্য কারও) কোন সুপারিশ আল্লাহর সামনে কাজে আসবে না। পরিশেষে যখন তাদের অন্তর থেকে ভয় দূর করে দেওয়া হয়, তখন তারা বলে, তোমাদের প্রতিপালক কী বলেছেন? তারা উত্তর দেয়, সত্য (কথা বলেছেন) এবং তিনিই সমুচ্চ, মহান। #%১৭%#মুফতী তাকী উসমানী
যাকে অনুমতি দেয়া হয় সে ছাড়া আল্লাহর নিকট কারও সুপারিশ ফলপ্রসু হবেনা। অতঃপর যখন তাদের অন্তর হতে ভয় বিদুরিত হবে তখন তারা পরস্পরের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ করবেঃ তোমাদের রাবব কি বললেন? তদুত্তরে তারা বলবেঃ যা সত্য তিনি তাই বলেছেন। তিনি সমুচ্চ, মহান।মুজিবুর রহমান
যার জন্যে অনুমতি দেয়া হয়, তার জন্যে ব্যতীত আল্লাহর কাছে কারও সুপারিশ ফলপ্রসূ হবে না। যখন তাদের মন থেকে ভয়-ভীতি দূর হয়ে যাবে, তখন তারা পরস্পরে বলবে, তোমাদের পালনকর্তা কি বললেন? তারা বলবে, তিনি সত্য বলেছেন এবং তিনিই সবার উপরে মহান।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যাকে অনুমতি দেওয়া হয় সে ব্যতীত আল্লাহ্ র নিকট কারও সুপারিশ ফলপ্রসূ হবে না। পরে যখন এদের অন্তর হতে ভয় বিদূরিত হবে তখন এরা পরস্পরের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ করবে, ‘তোমাদের প্রতিপালক কী বললেন ?’ তদুত্তরে তারা বলবে, ‘যা সত্য তিনি তাই বলেছেন।’ তিনি সমুচ্চ, মহান। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর আল্লাহ যাকে অনুমতি দেবেন সে ছাড়া তাঁর কাছে কোন সুপারিশ কারো উপকার করবে না। অবশেষে যখন তাদের অন্তর থেকে ভয় বিদূরিত হবে তখন তারা বলবে, ‘তোমাদের রব কী বলেছেন’? তারা বলবে, ‘সত্যই বলেছেন’ এবং তিনি সুমহান ও সবচেয়ে বড়।আল-বায়ান
তাঁর কাছে সুপারিশ কোন কাজে আসবে না, তবে তাদের ব্যতীত যাদেরকে তিনি অনুমতি দেবেন। অতঃপর তাদের (অর্থাৎ আল্লাহর নৈকট্যলাভকারী ফেরেশতার কিংবা অন্যের জন্য সুপারিশ করার অনুমতিপ্রাপ্তদের) অন্তর থেকে যখন ভয় দূর হবে তখন তারা পরস্পর জিজ্ঞেস করবে- তোমাদের পালনকর্তা কী নির্দেশ দিলেন? তারা বলবে- যা সত্য ও ন্যায় (তার নির্দেশই তিনি দিয়েছেন), তিনি সর্বোচ্চ, সর্বশ্রেষ্ঠ।তাইসিরুল
আর তাঁর কাছে সুপারিশে কোনো সুফল দেবে না, তার ক্ষেত্রে ব্যতীত যাকে তিনি অনুমতি দিয়েছেন, যে পর্যন্ত না তাদের অন্তর থেকে ভয়-ভাবনা দূর হয়ে যাবে, তারা বলবে -- "কি সেটা যা তোমাদের প্রভু বলেছিলেন?" তারা বলবে -- "সত্য। আর তিনিই মহোচ্চ, মহামহিম।"মাওলানা জহুরুল হক
৪০
অর্থাৎ কারো নিজে মালিক হয়ে বসা, মালিকানায় শরীক হওয়া অথবা আল্লাহর সাহায্যকারী হওয়া তো দূরের কথা সমগ্র বিশ্ব-জাহানে এমন কোন সত্তা নেই যে আল্লাহর সামনে কারো পক্ষে স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে সুপারিশ পর্যন্ত করতে পারে। তোমরা এই ভুল ধারণা নিয়ে বসে রয়েছো যে, আল্লাহর এমন কিছু প্রিয়জন আছে অথবা আল্লাহর সার্বভৌম কর্তৃত্বাধীনে এমন কিছু শক্তিশালী বান্দা আছে যারা একবার বেঁকে বসলে আল্লাহকে তাদের সুপারিশ মানতেই হবে। অথচ সেখানে অবস্থা হচ্ছে এই যে, অনুমতি ছাড়া কেউ মুখ খোলার সাহসই করতে পারে না। যে অনুমতি লাভ করবে একমাত্র সে-ই কিছু নিবেদন করতে পারবে। আর যার পক্ষে সুপারিশ করার অনুমতি পাওয়া যাবে একমাত্র তার স্বপক্ষেই আবেদন নিবেদন করা যাবে। (সুপারিশের ইসলামী বিশ্বাস এবং সুপারিশের মুশরিকী বিশ্বাসের মধ্যকার পার্থক্য অনুধাবন করার জন্য তাফহীমুল কুরআন সূরা ইউনুস, ৫ ও ২৩; সূরা হূদ, ৮৪ ও ১০৬; আন নাহল, ৬৪ ও ৭৯ ; সূরা তা-হা, ৮৬; আর আম্বিয়া, ২৭ এবং আল হাজ্জ ১২৫ টীকা দেখুন)।
৪১
কিয়ামতের দিন কোন সুপারিশকারী যখন কারো পক্ষে সুপারিশ করার অনুমতি চাইবে তখনকার চিত্র এখানে তুলে ধরা হয়েছে। সে চিত্রে আমাদের সামনে যে অবস্থা ফুটে উঠছে তা হচ্ছে এই যে, অনুমতি চাওয়ার আবেদন পেশ করার পর সুপারিশকারী ও যার পক্ষে সুপারিশ করা হবে তারা দু’জনই অত্যন্ত অস্থিরভাবে ভীতি ও উদ্বেগের সাথে জবাবের জন্য প্রতীক্ষারত। শেষ পর্যন্ত যখন ওপর থেকে অনুমতি এসে যায় এবং সুপারিশকারীর চেহারা দেখে যার পক্ষে সুপারিশ করা হবে সে ব্যাপারটা আর উদ্বেগজনক নয় বলে অনুমান করতে থাকে তখন তার ধড়ে যেন প্রান ফিরে আসে। সে এগিয়ে গিয়ে সুপারিশকারীকে জিজ্ঞেস করতে থাকে, “কি জবাব এসেছে?” সুপারিশকারী বলে, “ঠিক আছে জবাব পাওয়া গেছে।” একথার মাধ্যমে যে বিষয়টি বুঝাতে চাওয়া হয়েছে তা হচ্ছে এই যে, নির্বোধের দল! এ হচ্ছে যে, দরবারের অবস্থা সে সম্পর্কে তোমরা কেমন করে এ ধারণা করতে পারলে যে সেখানে কেউ নিজের বল প্রয়োগ করে তোমাদেরকে ক্ষমা করিয়ে দেবে অথবা কারো সেখানে ধর্ণা দিয়ে বসে পড়ে আল্লাহকে একথা বলার সাহস হবে যে, এ ব্যক্তি আমার প্রিয়পাত্র এবং আমার লোক, একে মাফ করতেই হবে?
২২ ও ২৩ নং আয়াতে মুশকিরদের বিভিন্ন আকীদা-বিশ্বাস রদ করা হয়েছে। কতক মুশরিক তাদের হাতে গড়া প্রতিমাকে ঈশ্বর মনে করত এবং তাদের সম্পর্কে বিশ্বাস পোষণ করত যে, তারা সরাসরি আমাদের প্রয়োজন পূর্ণ করে। তাদের এ বিশ্বাস খণ্ডন করার জন্য ২২ নং আয়াতে বলা হয়েছে, তারা আসমান ও যমীনে অণু পরিমাণ কোন জিনিসেরও মালিক নয় এবং আসমান ও যমীনের কোনও বিষয়ে তাদের কোনরূপ অংশীদারিত্ব নেই। অপর এক শ্রেণীর মুশরিকদের বিশ্বাস ছিল, এসব প্রতিমা আল্লাহ তাআলাকে তাঁর কাজকর্মে সাহায্য করে। তাদেরকে রদ করার জন্য ইরশাদ হয়েছে, ‘তাদের মধ্যে কেউ আল্লাহর সাহায্যকারী নয়’। আবার এক শ্রেণীর মুশরিক দেব-দেবীকে আল্লাহর প্রভুত্বে অংশীদার বা তার সাহায্যকারী মনে করত না বটে, কিন্তু বিশ্বাস রাখত যে, তারা আল্লাহ তাআলার দরবারে তাদের জন্য সুপারিশ করবে। তাদের ধারণা খণ্ডনের জন্য ২৩ নং আয়াতে বলা হয়েছে, ‘আল্লাহ যাকে অনুমতি দেন তারা ছাড়া অন্য কারও সুপারিশ তাঁর সামনে কোন কাজে আসবে না’। অর্থাৎ দেব-দেবীর সম্পর্কে তোমাদের তো বিশ্বাস ‘তারা আল্লাহর অতি ঘনিষ্ঠ ও সমাদৃত, ফলে তাঁর দরবারে তাদের সুপারিশ করার এখতিয়ার আছে, অথচ আল্লাহর দরবারে না আছে তাদের কোন ঘনিষ্ঠতা ও গ্রহণযোগ্যতা এবং না আছে তাদের নিজেদের পক্ষ থেকে সুপারিশ করার যোগ্যতা। যাদের বাস্তবিকই ঘনিষ্ঠতা আছে, সেই ফেরেশতাগণও তো আল্লাহ তাআলার অনুমতি ছাড়া কারও পক্ষে কোন সুপারিশ করতে পারে না। তারপর বলা হয়েছে, সেই ফেরেশতাদের অবস্থা তো এই যে, তারা সর্বদাই আল্লাহ তাআলার ভয়ে তটস্থ থাকে। এমনকি আল্লাহ তাআলার পক্ষ হতে তাদেরকে যখন কোন হুকুম দেওয়া হয়, কিংবা সুপারিশের অনুমতি দেওয়া হয়, তখন তারা এতটাই ভয় পায় যে, বেহুঁশ মত হয়ে যায়। যখন ভয় কেটে যায় তখন একে অন্যকে জিজ্ঞেস করে, তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহ কী বলেছেন? তারপর তারা আল্লাহ তাআলার নির্দেশ মত কাজ করেন। যখন সেই ঘনিষ্ঠ ও নৈকট্যপ্রাপ্ত ফেরেশতাদের অবস্থাই এমন, তখন এসব হাতে গড়া মূর্তি, যাদের কোন মর্যাদা ও নৈকট্য আল্লাহর কাছে নেই, তারা কিভাবে তাঁর দরবারে সুপারিশ করতে পারে?
২৩. আর আল্লাহ যাকে অনুমতি দেবেন, সে ছাড়া তার কাছে কারো সুপারিশ ফলপ্রসূ হবে না। অবশেষে যখন তাদের অন্তর থেকে ভয় বিদূরিত হয়, তখন তারা পরস্পরের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ করে, তোমাদের রব কী বললেন? তার উত্তরে তারা বলে, যা সত্য তিনি তা-ই বলেছেন।(১) আর তিনি সমুচ্চ, মহান।
(১) আয়াতের একটি তাফসীর বিভিন্ন সহীহ হাদীসে এসেছে, তা হলো আলোচ্য আয়াতসমূহে বর্ণিত হয়েছে যে, আল্লাহর আদেশ নাযিল হওয়ার সময় ফেরেশতাগণ সংজ্ঞাহীন হয়ে যায়, অতঃপর তারা একে অপরকে আদেশ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করে। হাদীসে এসেছে যে, “যখন আল্লাহ তা'আলা আকাশে কোন আদেশ জারী করেন, তখন সমস্ত ফেরেশতা বিনয় ও নম্রতা সহকারে পাখা নাড়তে থাকে। (এবং সংজ্ঞাহীনের মত হয়ে যায়) অতঃপর তাদের মন থেকে অস্থিরতা ও ভয়ভীতির প্রভাব দূর হয়ে গেলে তারা বলে তোমাদের পালনকর্তা কি বলছেন? অন্যরা বলে, অমুক সত্য আদেশ জারী করেছেন ৷ (বুখারী: ৪৮০০)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেন, “আমাদের পালনকর্তা আল্লাহ যখন কোন আদেশ দেন তখন আরাশ বহনকারী ফেরেশতাগণ তসবীহ পাঠ করতে থাকে। তাদের তসবীহ শুনে তাদের নিকটবর্তী আকাশের ফেরেশতাগণও তসবীহ পাঠ করে। অতঃপর তাদের তসবীহ শুনে তাদের নীচের আকাশের ফেরেশতাগণ তসবীহ পাঠ করে। এভাবে দুনিয়ার আকাশ তথা সর্বনিম্ন আকাশের ফেরেশতাগণও তসবীহ পাঠে আত্মনিয়োগ করে ফেলে। অতঃপর তারা আরশ বহনকারী ফেরেশতাগণের নিকটবর্তী ফেরেশতাগণকে জিজ্ঞেস করে, আপনাদের পালনকর্তা কি আদেশ দিয়েছেন? তারা তা বলে দেয়। এভাবে তাদের নীচের আকাশের ফেরেশতারা উপরের ফেরেশতাগণকে একই প্রশ্ন করে। এভাবে দুনিয়ার আকাশ পর্যন্ত সওয়াল ও জওয়াব পৌছে যায়। (মুসলিম: ২২২৯)
(২৩) যাকে অনুমতি দেওয়া হবে সে ব্যতীত আল্লাহর নিকট কারও সুপারিশ ফলপ্রসূ হবে না।(1) এমনকি যখন ওদের অন্তর হতে ভয় বিদূরিত হয়, তখন ওরা পরস্পরের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ করে, ‘তোমাদের প্রতিপালক কি হুকুম করেছেন?’ উত্তরে তারা বলে, ‘যা সত্য তিনি তাই বলেছেন।(2) তিনি সুউচ্চ, সুমহান।’
(1) ‘‘যাকে অনুমতি দেওয়া হবে’’-এর উদ্দেশ্য হল নবী, ফিরিশতাগণ ইত্যাদি। অর্থাৎ এঁরাই সুপারিশ করতে পারবেন, অন্য কেউ নয়। কারণ অন্য কারোর সুপারিশ না তো উপকারে আসবে, আর না তাদেরকে সুপারিশ করার অনুমতি দেওয়া হবে। দ্বিতীয় উদ্দেশ্য হল, সুপারিশের হকদারগণ অর্থাৎ, আম্বিয়া, ফিরিশতা এবং নেক বান্দাগণ ঐ সকল মানুষের জন্য সুপারিশ করতে পারবেন যারা সুপারিশ পাওয়ার প্রকৃত হকদার। কারণ আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদেরই সুপারিশের জন্য অনুমতি হবে, অন্য কারোর জন্য নয়। (ফাতহুল ক্বাদীর) উদ্দেশ্য হল যে, আম্বিয়া, ফিরিশতা এবং নেক বান্দাগণ ছাড়া সেখানে অন্য কেউ সুপারিশ করতে পারবে না। আর এঁরাও আবার কেবল গোনাহগার মু’মিনদের জন্যই সুপারিশ করতে পারবেন; কোন কাফের, মুশরিক এবং আল্লাহর বিরোধীদের জন্য নয়। কুরআন কারীমের অন্য জায়গায় উক্ত দুই বিষয়ের পরিষ্কার বর্ণনা এসেছে। যেমনঃ ‘‘কে আছে যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর কাছে সুপারিশ করবে?’’ (সূরা বাক্বারাহ ২৫৫ আয়াত) এবং তারা সুপারিশ করে কেবল তাদের জন্য, যাদের প্রতি তিনি সন্তুষ্ট।’’ (সূরা আম্বিয়া ২৮ আয়াত)
(2) এর বিভিন্ন ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ইবনে জারীর ও ইবনে কাসীর (রহঃ) হাদীসের আলোকে এই ব্যাখ্যা দিয়েছেন যে, আল্লাহ তাআলা যখন কোন বিষয়ে অহী করেন, তখন আকাশে অবস্থিত ফিরিশতাগণ ভয়ে কম্পিত ও জ্ঞানশূন্য হয়ে যান। জ্ঞান ফিরে পেলে তাঁরা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। অতঃপর আরশ বহনকারী ফিরিশতাগণ অন্য ফিরিশতাগণকে এবং তাঁরা তাঁদের নিমেনর ফিরিশতাগণকে খবর করেন। আর এইভাবে প্রথম আসমানের ফিরিশতাদের নিকট সেই খবর পৌঁছে যায়। (ইবনে কাসীর) فُزِّعَ (এর মূল ধাতু হল فَزَعٌ অর্থাৎ ভয় বা আতঙ্ক। باب تفعيل এ এসে নিরাকরণের অর্থ হয়েছে। অর্থাৎ, যখন আতঙ্ক দূরীভূত করে দেওয়া হয়।