ওয়া লাকাদ ক-নূ‘আ-হাদুল্লা-হা মিন কাবলুলা-ইউওয়ালূলনাল আদবা -র ওয়া ক-না ‘আহদুল্লা-হি মাছঊলা।উচ্চারণ
তারা ইতিপূর্বে আল্লাহর সাথে অঙ্গীকার করেছিল যে, তারা পৃষ্টপ্রদর্শন করবে না এবং আল্লাহর সাথে করা অঙ্গীকার সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা তো হবেই। ২৭ তাফহীমুল কুরআন
বস্তুত তারা পূর্বে আল্লাহর সঙ্গে অঙ্গীকার করেছিল যে, তারা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবে না। আর আল্লাহর সঙ্গে কৃত অঙ্গীকার সম্পর্কে অবশ্যই জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।মুফতী তাকী উসমানী
তারা পূর্বেই আল্লাহর সাথে অঙ্গীকার করেছিল যে, তারা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবেনা। আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার সম্বন্ধে অবশ্যই জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।মুজিবুর রহমান
অথচ তারা পূর্বে আল্লাহর সাথে অঙ্গীকার করেছিল যে, তারা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবে না। আল্লাহর অঙ্গীকার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এরা তো পূর্বেই আল্লাহ্ র সঙ্গে অঙ্গীকার করেছিল যে, এরা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবে না। আল্লাহ্ র সঙ্গে কৃত অঙ্গীকার সম্বন্ধে অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর এরা পূর্বেই আল্লাহর সাথে অঙ্গীকার করেছিল যে, তারা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবে না। আর আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।আল-বায়ান
অথচ তারা ইতোপূর্বে আল্লাহর সাথে অঙ্গীকার করেছিল যে, তারা পৃষ্ঠপ্রদর্শন করবে না। আল্লাহর সঙ্গে কৃত ওয়া‘দা সম্পর্কে অবশ্যই জিজ্ঞেস করা হবে।তাইসিরুল
আর ইতিপূর্বে তো তারা আল্লাহ্র কাছে ওয়াদা করেছিল যে তারা পিঠ ফেরাবে না। আর আল্লাহ্র সঙ্গের অংগীকার সন্বন্ধে সওয়াল করা হবে।মাওলানা জহুরুল হক
২৭
অর্থাৎ ওহোদ যুদ্ধের সময় তারা যে দুর্বলতা দেখিয়েছিল তারপর লজ্জা ও অনুতাপ প্রকাশ করে তারা আল্লাহর কাছে অঙ্গীকার করেছিল যে, এবার যদি পরীক্ষার কোন সুযোগ আসে তাহলে তারা নিজেদের এ ভুলের প্রায়শ্চিত্ত করবে। কিন্তু আল্লাহকে নিছক কথা দিয়ে প্রতারণা করা যেতে পারে না। যে ব্যক্তিই তাঁর সাথে কোন অঙ্গীকার করে তাঁর সামনে তিনি পরীক্ষার কোন না কোন সুযোগ এনে দেন। এর মাধ্যমে তার সত্য ও মিথ্যা যাচাই হয়ে যায়। তাই ওহোদ যুদ্ধের মাত্র দু’বছর পরেই তিনি তার চাইতেও বেশী বড় বিপদ সামনে নিয়ে এলেন এবং এভাবে তারা তাঁর সাথে কেমন ও কতটুকু সাচ্চা অঙ্গীকার করেছিল তা যাচাই করে নিলেন।
১৫. অবশ্যই তারা পূর্বে আল্লাহর সাথে অঙ্গীকার করেছিল যে, তারা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবে না। আর আল্লাহর সাথে করা অঙ্গীকার সম্বন্ধে অবশ্যই জিজ্ঞেস করা হবে।(১)
(১) অর্থাৎ ওহুদ যুদ্ধের সময় তারা যে দুর্বলতা দেখিয়েছিল তারপর লজ্জা ও অনুতাপ প্রকাশ করে তারা আল্লাহর কাছে অংগীকার করেছিল যে, এবার যদি পরীক্ষার কোন সুযোগ আসে তাহলে তারা নিজেদের এ ভুলের প্রায়শ্চিত্ত করবে। কিন্তু আল্লাহকে নিছক কথা দিয়ে প্রতারণা করা যেতে পারে না। যে ব্যক্তিই তাঁর সাথে কোন অংগীকার করে তাঁর সামনে তিনি পরীক্ষার কোন না কোন সুযোগ এনে দেন। এর মাধ্যমে তার সত্য ও মিথ্যা যাচাই হয়ে যায়। তাই ওহুদ যুদ্ধের মাত্র দু’বছর পরেই তিনি তার চাইতেও বেশী বড় বিপদ সামনে নিয়ে এলেন এবং এভাবে তারা তাঁর সাথে কেমন ও কতটুকু সাচ্চা অংগীকার করেছিল তা যাচাই করে নিলেন। (দেখুন: মুয়াস্সার)
(১৫) এরা তো পূর্বেই আল্লাহর সাথে অঙ্গীকার করেছিল যে, এরা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবে না।(1) আল্লাহর সাথে কৃত এ অঙ্গীকার সম্বন্ধে অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা হবে।(2)
(1) বর্ণিত আছে যে, উক্ত মুনাফিকরা বদরের যুদ্ধ পর্যন্ত মুসলমান হয়নি। কিন্তু যখন মুসলিমগণ (বদরে) বিজয়ী হয়ে ও গনীমতের সম্পদ নিয়ে ফিরে এলেন, তখন তারা শুধু ইসলামই প্রকাশ করল না বরং এই অঙ্গীকারও করল যে, আগামীতে যখনই কাফেরদের সাথে যুদ্ধ হবে, তখনই তারা মুসলিমদের স্বপক্ষে থেকে অবশ্যই লড়বে। এখানে তাদেরকে তাদের সেই অঙ্গীকারের কথা স্মরণ করানো হয়েছে।
(2) অর্থাৎ, তা পূরণ করার জন্য তাকীদ করা হবে এবং তা পূরণ না করলে শাস্তির উপযুক্ত হবে।