وَلَوۡ دُخِلَتۡ عَلَيۡهِم مِّنۡ أَقۡطَارِهَا ثُمَّ سُئِلُواْ ٱلۡفِتۡنَةَ لَأٓتَوۡهَا وَمَا تَلَبَّثُواْ بِهَآ إِلَّا يَسِيرٗا

ওয়া লাও দুখিলাত ‘আলাইহিম মিন আকতা-রিহা-ছু ম্মা ছুইলুল ফিতনাতা লাআ-তাওহাওয়ামা-তালাব্বাছূবিহাইল্লা ইয়াছীর।উচ্চারণ

যদি শহরের বিভিন্ন দিক থেকে শত্রুরা ঢুকে পড়তো এবং সেসময় তাদেরকে ফিতনা সৃষ্টি করার জন্য আহবান জানানো হতো, ২৬ তাহলে তারা তাতেই লিপ্ত হয়ে যেতো এবং ফিতনায় শরীক হবার ব্যাপারে তারা খুব কমই ইতস্তত করতো। তাফহীমুল কুরআন

মদীনার চারদিক থেকে যদি তাদের কাছে শত্রুদের প্রবেশ ঘটত আর তাদেরকে বিদ্রোহে যোগ দিতে বলা হত, তবে তারা অবশ্যই তাতে যোগ দিত এবং তখন গৃহে অবস্থান করত অল্পই। #%১৫%#মুফতী তাকী উসমানী

যদি শত্রুরা নগরীর বিভিন্ন দিক হতে প্রবেশ করে তাদেরকে বিদ্রোহের জন্য প্ররোচিত করত তাহলে অবশ্যই তারা তাই করে বসত; তারা এতে কালবিলম্ব করতনা।মুজিবুর রহমান

যদি শত্রুপক্ষ চতুর্দিক থেকে নগরে প্রবেশ করে তাদের সাথে মিলিত হত, অতঃপর বিদ্রোহ করতে প্ররোচিত করত, তবে তারা অবশ্যই বিদ্রোহ করত এবং তারা মোটেই বিলম্ব করত না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

যদি বিভিন্ন দিক হতে তাদের বিরুদ্ধে শত্রুদের প্রবেশ ঘটত, এরপর তাদেরকে বিদ্রোহের জন্যে প্ররোচিত করা হত, তবে তারা অবশ্য তাই করে বসিত, তারা এতে কালবিলম্ব করত না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর যদি তার বিভিন্ন দিক থেকে তাদের উপর শত্রুর প্রবেশ ঘটত, তারপর তাদেরকে ফিতনা সৃষ্টির আহবান জানানো হত, তবে তারা তাই করত। এতে তারা কাল বিলম্ব করত না।আল-বায়ান

যদি শত্রুপক্ষ (মদীনা নগরীর) চারদিক থেকে তাদের উপর আক্রমণ করতো, অতঃপর তাদেরকে কুফুরীর আহবান করা হত, তবে তারা তাই করে বসত। তাতে তারা মোটেও বিলম্ব করত না।তাইসিরুল

আর যদি এর সীমানা থেকে তাদের উপরে অনুপ্রবেশ হত এবং তাদের বলা হত বিদ্রোহ করতে, তাহলে তারা অবশ্যই তাতে এসে পড়ত, আর তারা সেখানে অবস্থান করত না অল্পক্ষণ ছাড়া।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

২৬

অর্থাৎ যদি নগরে প্রবেশ করে কাফেররা বিজয়ীর বেশে এ মুনাফিকদেরকে এই বলে আহবান জানাতো, এসো আমাদের সাথে মিলে মুসলমানদেরকে খতম করো।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

অর্থাৎ এখন তো মুনাফেকরা তাদের বাড়ির প্রাচীর নিচু হওয়ার ও তা অরক্ষিত থাকার বাহানা দেখাচ্ছে, কিন্তু শত্রু সৈন্য যদি চারদিক থেকে মদীনায় ঢুকে পড়ে এবং তাদেরকে মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার প্ররোচনা দেয়, তবে শত্রুদের পাল্লা ভারি দেখে তারা অবশ্যই তাদের সঙ্গে মিলিত হবে এবং মুসলিমদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরবে। তখন আর তাদের ঘর-বাড়ি অরক্ষিত থাকার কথা খেয়াল থাকবে না।

তাফসীরে জাকারিয়া

১৪. আর যদি বিভিন্ন দিক হতে তাদের বিরুদ্ধে শত্রুদের প্রবেশ ঘটত, তারপর তাদেরকে শির্ক করার জন্য প্ররোচিত করা হত, তবে অবশ্যই তারা সেটা করে বসত, তারা সেটা করতে সামান্যই বিলম্ব করত।(১)

(১) আয়াতের আরেক অর্থ হলো, তারা এরপর সামান্যই মদীনাতে অবস্থান করতে সমর্থ হতো; কারণ তারা অচিরেই ধ্বংস হয়ে যেত। (বাগভী)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১৪) যদি শত্রুগণ চতুর্দিক থেকে নগরে প্রবেশ করত এবং ওদের নিকট ফিতনা চাওয়া হত, তাহলে ওরা অবশ্যই তা করে বসত; ওরা এতে বিলম্ব করত না।(1)

(1) এখানে ফিতনার দুটি অর্থ হতে পারে; প্রথমতঃ শিরক; অর্থাৎ, মদীনা বা ওদের ঘরে যদি চারিদিক থেকে শত্রু বাহিনী প্রবেশ করত এবং তাদের নিকট প্রস্তাব রাখত যে, তোমরা পুনরায় কুফরী ও শিরকের দিকে ফিরে এস, তাহলে ওরা (মুনাফিকরা) সামান্যও দেরী করত না এবং সে সময় ঘর অরক্ষিত হওয়ার কোন ওজর দেখাতো না। বরং অবিলম্বে শিরকের প্রস্তাবকে গ্রহণ করত। উদ্দেশ্য এই যে, কুফর ও শিরকের প্রতি ওরা বড় আসক্ত এবং তার দিকে ওরা সত্বর ধাবিত হয়। দ্বিতীয়তঃ বিদ্রোহ ও অন্ধ পক্ষপাতিত্ব করে যুদ্ধ; অর্থাৎ, শত্রুবাহিনী প্রবেশ করে ওদের সাথে মিলিত হয়ে ওদেরকে বিদ্রোহের জন্য প্ররোচিত করত, তাহলে ওরা অবশ্যই বিদ্রোহ করে বসত।