إِنَّ مَثَلَ عِيسَىٰ عِندَ ٱللَّهِ كَمَثَلِ ءَادَمَۖ خَلَقَهُۥ مِن تُرَابٖ ثُمَّ قَالَ لَهُۥ كُن فَيَكُونُ

ইন্না মাছালা ‘ঈছা-‘ইনদাল্লা-হি কামাছালি আ-দামা খালাকাহু মিন তুর-বিন ছু ম্মা ক-লা লাহু কুন ফাইয়াকূন।উচ্চারণ

আল্লাহ্‌র কাছে ঈসার দৃষ্টান্ত আদমের মতো। কেননা আল্লাহ‌ তাকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেন এবং হুকুম দেন, হয়ে যাও, আর তা হয়ে যায়। ৫৩ তাফহীমুল কুরআন

আল্লাহর নিকট ঈসার দৃষ্টান্ত আদমের মত। আল্লাহ তাঁকে মাটি হতে সৃষ্টি করেন, তারপর তাকে বলেন, ‘হয়ে যাও’। ফলে সে হয়ে যায়। #%৩৩%#মুফতী তাকী উসমানী

নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট ঈসার দৃষ্টান্ত আদমের অনুরূপ; তিনি তাকে মাটি দ্বারা সৃষ্টি করলেন, অতঃপর বললেন হও, ফলতঃ তাতেই হয়ে গেল।মুজিবুর রহমান

নিঃসন্দেহে আল্লাহর নিকট ঈসার দৃষ্টান্ত হচ্ছে আদমেরই মতো। তাকে মাটি দিয়ে তৈরী করেছিলেন এবং তারপর তাকে বলেছিলেন হয়ে যাও, সঙ্গে সঙ্গে হয়ে গেলেন।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

আল্লাহ্ র নিকট নিশ্চয়ই ‘ঈসার দৃষ্টান্ত আদমের দৃষ্টান্তসদৃশ। তিনি তাকে মৃত্তিকা হতে সৃষ্টি করেছেন; এরপর ওটাকে বললেন ‘হও’, ফলে সে হয়ে গেল। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আল্লাহর নিকট ঈসার দৃষ্টান্ত আদমের মত, তিনি তাকে মাটি দ্বারা সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তাকে বললেন, ‘হও’, ফলে সে হয়ে গেল।আল-বায়ান

আল্লাহর নিকট ঈসার অবস্থা আদামের অবস্থার মত, মাটি দ্বারা তাকে গঠন করে তাকে হুকুম করলেন, হয়ে যাও, ফলে সে হয়ে গেল।তাইসিরুল

নিঃসন্দেহ ঈসার দৃষ্টান্ত হচ্ছে আল্লাহ্‌র কাছে আদমের দৃষ্টান্তের মতো। তিনি তাঁকে সৃষ্টি করেছিলেন মাটি থেকে; তারপর তাঁকে বলেছিলেন -- "হও" আর তিনি হয়ে গেলেন।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৫৩

অর্থাৎ যদি নিছক অলৌকিক জন্মলাভ কারো খোদা বা খোদার পুত্র হবার যথেষ্ট প্রমাণ বলে বিবেচিত হয়ে থাকে, তাহলে সর্বপ্রথম তোমাদের আদম সম্পর্কেই এহেন আকীদা পোষণ করা উচিত ছিল। কারণ ঈসা কেবল বিনা পিতায় জন্মলাভ করেছিলেন কিন্তু আদম জন্মলাভ করেছিলেন পিতা ও মাতা উভয়ের সাহায্য ছাড়াই।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

খৃস্টানদের দাবি ছিল পিতা ছাড়া সন্তান হতে পারে না, কাজেই হযরত ঈসা (আ)-এর যখন কোন মানব-পিতা নেই, তখন আল্লাহ তা‘আলাই তার পিতা এবং তিনি আল্লাহর পুত্র। এ আয়াতে তার জবাব দেওয়া হয়েছে যে, হযরত আদম (আ.)-এর তো পিতা-মাতা কিছুই ছিল না। পিতা-মাতা উভয় ছাড়াই যদি মানুষ হতে পারে, তবে পিতা ছাড়া কেবল ‘মাতা’ দ্বারা হতে পারবে না কেন? পিতা ছাড়া হওয়াতে যদি হযরত ঈসা (আ.)-কে আল্লাহর পুত্র বলতে হয়, তবে আদমকে তো আরও বেশি করে আল্লাহর পুত্র বলা উচিত। কিন্তু তাকে তো কেউ তা বলছে না। বরং সকলে তাঁকে আল্লাহর বান্দাই বলছে। সুতরাং কেবল পিতাবিহীন হওয়ায় হযরত ঈসা (আ.)-কেও আল্লাহর পুত্র বলার প্রশ্ন আসে না। তিনিও আল্লাহ তা‘আলার এক বান্দা মাত্র।

তাফসীরে জাকারিয়া

৫৯. নিশ্চয় আল্লাহর নিকট ঈসার দৃষ্টান্ত আদমের দৃষ্টান্তসদৃশ। তিনি তাকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছিলেন; তারপর তাকে বলেছিলেন, ‘হও’, ফলে তিনি হয়ে যান।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৫৯) নিশ্চয় আল্লাহর নিকট ঈসার দৃষ্টান্ত আদমের অনুরূপ। তিনি তাকে মাটি থেকে সৃষ্টি করে তার উদ্দেশ্যে বললেন, ‘হও’ ফলে সে হয়ে গেল।