যা-লিকা ‘আ-লিমুল গাইবি ওয়াশশাহা-দাতিল ‘আঝীঝুর রহীম।উচ্চারণ
তিনিই প্রত্যেকটি অদৃশ্য ও দৃশ্যমানকে জানেন, ১০ মহাপরাক্রমশালী ১১ ও করুণাময় ১২ তিনি। তাফহীমুল কুরআন
তিনি গুপ্ত ও প্রকাশ্য বস্তুর জ্ঞাতা। তিনি পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।মুফতী তাকী উসমানী
তিনিই দৃশ্য ও অদৃশ্যের পরিজ্ঞাতা, পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু –মুজিবুর রহমান
তিনিই দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞানী, পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তিনিই অদৃশ্য ও দৃশ্য সম্বন্ধে পরিজ্ঞাত, পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তিনিই গায়েব ও হাযির সম্পর্কে জ্ঞাত, মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।আল-বায়ান
এমনই তিনি, অদৃশ্য ও দৃশ্যমান সম্পর্কে জ্ঞাত, মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।তাইসিরুল
এজনই হচ্ছেন অদৃশ্যের ও প্রকাশ্যের পরিজ্ঞাতা, মহাশক্তিশালী, অফুরন্ত ফলদাতা, --মাওলানা জহুরুল হক
১০
অন্য যেই হোক না কেন তার কাছে একটি জিনিস প্রকাশিত থাকলে অন্য অসংখ্য জিনিস রয়েছে অপ্রকাশিত। ফেরেশতা, জিন, নবী, ওলী, অথবা আল্লাহর নির্বাচিত পছন্দনীয় বান্দাগণ যেই হোন না কেন তাদের মধ্যে এমন একজনও নেই যিনি সবকিছু জানেন। একমাত্র আল্লাহ এ গুণের অধিকারী, তার কাছে সবকিছুই দিনের আলোকের মতই উজ্জ্বল। যা কিছু হয়ে গেছে, যা কিছু বর্তমান, যা কিছু হবে সবই তার কাছে সমান আলোকোজ্জ্বল।
১১
অর্থাৎ প্রত্যেকটি জিনিসের ওপর প্রাধান্যের অধিকারী। বিশ্ব-জাহানে এমন কোন শক্তি নেই যা তার ইচ্ছার পথে প্রতিরোধ সৃষ্টি করতে এবং তার আদেশ বাস্তবায়নে বাধা দিতে পারে। প্রত্যেকটি জিনিস তার অধীন এবং তার মোকাবেলা ক্ষমতা কারো নেই।
১২
অর্থাৎ এ প্রাধান্য, পরাক্রম ও অপ্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি সত্ত্বেও তিনি জালেম নন। বরং নিজের সৃষ্টির প্রতি দয়ার্দ্র ও করুণাময়।
৬. তিনি, গায়েব ও উপস্থিত (যাবতীয় বিষয়ে) জ্ঞানী, প্রবল পরাক্রমশালী(১), পরম দয়ালু।(২)
(১) অর্থাৎ প্রত্যেকটি জিনিসের ওপর প্রাধান্যের অধিকারী। (মুয়াস্সার)
(২) অর্থাৎ তিনি নিজের সৃষ্টির প্রতি দয়ার্দ্র ও করুণাময়। (ইবন কাসীর)
(৬) তিনিই দৃশ্য ও অদৃশ্যের পরিজ্ঞাতা, পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।