وَلَئِن سَأَلۡتَهُم مَّنۡ خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضَ لَيَقُولُنَّ ٱللَّهُۚ قُلِ ٱلۡحَمۡدُ لِلَّهِۚ بَلۡ أَكۡثَرُهُمۡ لَا يَعۡلَمُونَ

ওয়া লাইন ছাআলতাহুম মান খালাকাছছামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদা লাইয়াকূলুন্নাল্লা-হু কুল্লি হামদুলিল্লা-হি; বাল আকছারুহুম লা-ইয়া‘লামূন।উচ্চারণ

যদি তুমি তাদেরকে জিজ্ঞেস করো, পৃথিবী ও আকাশমণ্ডলী কে সৃষ্টি করেছেন, তাহলে তারা নিশ্চয়ই বলবে আল্লাহ। বলো, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহরই জন্য। ৪৪ কিন্তু তাদের মধ্য থেকে অধিকাংশ লোক জানে না। ৪৫ তাফহীমুল কুরআন

তুমি যদি তাদেরকে জিজ্ঞেস কর, কে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, তারা অবশ্যই বলবে, আল্লাহ! বল, আলহামদুলিল্লাহ! তা সত্ত্বেও তাদের অধিকাংশই জ্ঞান-বুদ্ধিকে কাজে লাগায় না। #%১৭%#মুফতী তাকী উসমানী

তুমি যদি তাদেরকে জিজ্ঞেস করঃ আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী কে সৃষ্টি করেছেন? তাহলে তারা নিশ্চয়ই বলবেঃ আল্লাহ! বলঃ প্রশংসা আল্লাহর। কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানেনা।মুজিবুর রহমান

আপনি যদি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডল কে সৃষ্টি করেছে? তারা অবশ্যই বলবে, আল্লাহ। বলুন, সকল প্রশংসাই আল্লাহর। বরং তাদের অধিকাংশই জ্ঞান রাখে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তুমি যদি এদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী কে সৃষ্টি করেছেন ?’ এরা নিশ্চয়ই বলবে, ‘আল্লাহ্’। বল, ‘সকল প্রশংসা আল্লাহ্ র ই’, কিন্তু এদের অধিকাংশই জানে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর যদি তুমি তাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘কে আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছেন?’ তারা অবশ্যই বলবে, ‘আল্লাহ।’ বল, ‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর; কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না’।আল-বায়ান

যদি তুমি তাদেরকে জিজ্ঞেস কর- আকাশমন্ডলী ও যমীন কে সৃষ্টি করেছে, তারা অবশ্য অবশ্যই বলবে- আল্লাহ। বল, যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর, কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না।তাইসিরুল

আর তুমি যদি তাদের জিজ্ঞাসা করো -- "কে মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন?" -- তারা নিশ্চয় বলবে -- "আল্লাহ্‌।" তুমি বলো -- "সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র।" কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৪৪

অর্থাৎ তোমরা যে এতটুকু কথা জানো ও স্বীকার করো এ জন্য তোমাদের ধন্যবাদ। কিন্তু এটাই যখন প্রকৃত সত্য তখন প্রশংসা সমস্তই একমাত্র আল্লাহর জন্য নির্ধারিত হওয়া উচিত। বিশ্ব-জাহানের সৃষ্টিতে যখন অন্য কোন সত্তার কোন অংশ নেই তখন সে প্রশংসার হকদার হতে পারে কেমন করে?

৪৫

অর্থাৎ অধিকাংশ লোক জানে না যে, যদি আল্লাহকে বিশ্ব-জাহানের স্রষ্টা বলে না মেনে নেয়া হয় তাহলে এর অনিবার্য ফল ও দাবী কি হয় এবং কোন কথাগুলো এর বিরুদ্ধে চলে যায়। যখন এক ব্যক্তি একথা মেনে নেয় যে, একমাত্র আল্লাহই পৃথিবী ও আকাশের স্রষ্টা তখন অনিবার্যভাবে তাকে একথাও মেনে নিতে হবে যে, ইলাহ ও রবও একমাত্র আল্লাহই। ইবাদাত ও আনুগত্যের হকদারও একমাত্র তিনিই। একমাত্র তারই পবিত্রতা ঘোষণা করতে এবং তারই প্রশংসাবাণী উচ্চারণ করতে হবে। তিনি ছাড়া আর কারো কাছে প্রার্থনা করা যেতে পারে না। নিজের সৃষ্টির জন্য আইন প্রণেতা ও শাসক তিনি ছাড়া আর কেউ হতে পারে না। একজন স্রষ্টা অন্যজন হবেন মাবুদ, এটা সম্পূর্ণ বুদ্ধি বিরোধী ও বিপরীতমুখী কথা। মূর্খতার মধ্যে আকণ্ঠ ডুবে আছে একমাত্র এমন ব্যক্তিই একথা বলতে পারে। তেমনিভাবে একজনকে স্রষ্টা বলে মেনে নেয়া এবং তারপর অন্য বিভিন্ন সত্তার মধ্য থেকে একজনকে প্রয়োজন পূর্ণকারী ও সংকট নিরসনকারী, অন্যজনের সামনে ষষ্ঠাংগ প্রণিপাত হওয়া এবং তৃতীয় একজনকে ক্ষমতাসীন শাসকের স্বীকৃতি দেয়া ও তার আনুগত্য করা-এসব পরস্পর বিরোধী কথা। কোন জ্ঞানী ব্যক্তি এসব কথা মেনে নিতে পারে না।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

অর্থাৎ আলহামদুলিল্লাহ! তারা অন্ততপক্ষে এই সত্যটুকু তো স্বীকার করেছে যে, এই বিশ্ব চরাচরের সৃষ্টিকর্তা কেবলই আল্লাহ তাআলা। কিন্তু এই স্বীকারোক্তির সুস্পষ্ট দাবি তো ছিল এই যে, তারা যখন স্বীকার করছে সৃষ্টিকূলের স্রষ্টা কেবলই আল্লাহ, তখন এটাও স্বীকার করে নেবে যে, ইবাদতের উপযুক্তও কেবল তিনিই। কিন্তু এ সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার জন্য তারা নিজেদের জ্ঞান-বুদ্ধিকে কাজে লাগাচ্ছে না; বরং বাপ-দাদাদের অন্ধ অনুকরণে শিরককে গ্রহণ করে নিয়েছে।

তাফসীরে জাকারিয়া

২৫. আর যদি আপনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, আসমানসমূহ ও যমীন কে সৃষ্টি করেছেন? তারা অবশ্যই বলবে, আল্লাহ। বলুন, সকল প্রশংসা আল্লাহরই, কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২৫) তুমি যদি ওদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী কে সৃষ্টি করেছেন?’ তাহলে ওরা নিশ্চয় বলবে, ‘আল্লাহ।’(1) বল, ‘সর্বপ্রশংসা আল্লাহরই’; (2) কিন্তু ওদের অধিকাংশই জানে না।

(1) অর্থাৎ, তারা স্বীকার করে যে, আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ; ঐ সকল বাতিল উপাস্য নয়, যাদের তারা উপাসনা করে থাকে।

(2) যেহেতু তাদের স্বীকারোক্তিতে তাদের উপর হুজ্জত কায়েম হয়ে গেছে।