ওয়া লাইন আরছালনা-রীহান ফারআওহু মুসফাররল লাজাললূমিম বা‘দিহী ইয়াকফুরূন।উচ্চারণ
আর আমি যদি এমন একটি বাতাস পাঠাই যার প্রভাবে তারা দেখে তাদের শস্য পীতবর্ণ ধারণ করেছে ৭৪ তাহলে তো তারা কুফরী করতে থাকে। ৭৫ তাফহীমুল কুরআন
আমি যদি (ক্ষতিকর) বায়ু প্রবাহিত করি, #%২৫%# ফলে তারা তাদের শস্যক্ষেত্রকে পীতবর্ণ দেখতে পায়, এরপর তারা অকৃতজ্ঞতায় লিপ্ত হয়ে পড়ে।মুফতী তাকী উসমানী
এবং আমি যদি এমন বায়ু প্রেরণ করি যার ফলে তারা দেখে যে, শষ্য পীত বর্ণ ধারণ করেছে তখনতো তারা অকৃতজ্ঞ হয়ে পড়ে।মুজিবুর রহমান
আমি যদি এমন বায়ু প্রেরণ করি যার ফলে তারা শস্যকে হলদে হয়ে যেতে দেখে, তখন তো তারা অবশ্যই অকৃতজ্ঞ হয়ে যায়।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আর আমি যদি এমন বায়ু প্রেরণ করি যার ফলে এরা দেখে শস্য পীতবর্ণ ধারণ করেছে, তখন তো এরা অকৃতজ্ঞ হয়ে পড়ে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যদি আমি এমন বাতাস প্রেরণ করি যার ফলে তারা শস্যকে হলুদ রঙের দেখতে পায়। তখন তো তারা অকৃতজ্ঞ হয়ে পড়ে।আল-বায়ান
আমি যদি এমন বায়ু প্রেরণ করি যার ফলে তারা দেখে শস্য হলদে হয়ে গেছে, তখন তারা অবশ্যই অকৃতজ্ঞ হয়ে যায়।তাইসিরুল
আর যদি আমরা বায়ুপ্রবাহ পাঠাই আর তারা তা দেখে হলদে হয়ে গেছে, তার পরেও তারা অবিশ্বাস করতেই থাকবে।মাওলানা জহুরুল হক
৭৪
অর্থাৎ রহমতের বারিধারার পরে যখন শস্যক্ষেত সবুজ শ্যামল হয়ে ওঠে তখন যদি এমন কোন কঠিন শৈত্য বা উষ্ণ বায়ুপ্রবাহ চলে, যার ফলে পাকা শস্য একেবারে জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
৭৫
অর্থাৎ তখন তারা আল্লাহর কুৎসা গাইতে এবং তাকে দোষারোপ করতে থাকে এই বলে যে, আমাদের ওপর এ কেমন বিপদ চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। অথচ যখন আল্লাহ তাদের ওপর তাঁর অনুগ্রহধারা বর্ষণ করে চলছিলেন তখন তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার পরিবর্তে তাঁর অমর্যাদা করেছিল। এখানে আবার এ বিষয়বস্তুর প্রতি একটি সূক্ষ্ম ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে যে, যখন আল্লাহর রসূল তাঁর পক্ষ থেকে রহমতের পয়গাম নিয়ে আসেন তখন লোকেরা তাঁর কথা মেনে নেয় না এবং সেই নিয়ামত প্রত্যাখ্যান করে। তারপর যখন তাদের কুফরীর কারণে জালেম ও স্বৈরাচারী একনায়কদেরকে তাদের ওপর চাপিয়ে দেন এবং তারা জুলুম-নিপীড়নের যাঁতাকলে তাদেরকে পিষ্ট করতে এবং মানবতার নিকুচি করতে থাকে তখন তারাই আল্লাহকে গালি দিতে থাকে এবং তিনি এ কেমন জুলুমে পরিপূর্ণ দুনিয়া তৈরি করেছেন বলে দোষারোপও করতে থাকে।
رِيَاحٌ শব্দটিرِيْحٌ এর বহুবচন। অর্থ বায়ু। কুরআন মাজীদে যেখানে শব্দটি বহুবচনে رِيَاحٌ ব্যবহৃত হয়েছে, সেখানে এর দ্বারা উপকারী বাতাস বোঝানো হয়েছে আর যেখানে একবচনে رِيَحٌ ব্যবহৃত হয়েছে সেখানে বোঝানো হয়েছে ক্ষতিকর বাতাস।
৫১. আর যদি আমরা এমন বায়ু পাঠাই যার ফলে তারা দেখে যে শস্য পীতবর্ণ ধারণ করেছে, তখন তো তারা কুফরী করতে শুরু করে।
(৫১) আমি যদি এমন বায়ু প্রেরণ করি, যার ফলে ওরা দেখে শস্য পীতবর্ণ ধারণ করেছে, তাহলে তখন তো ওরা অকৃতজ্ঞ হয়ে পড়ে।(1)
(1) অর্থাৎ, ঐ সকল ভূখন্ড, যা আমি বৃষ্টির পানি দ্বারা শস্য-শ্যামল করেছিলাম। এখন যদি অতি গরম বা ঠান্ডা বায়ু দিয়ে তার সেই শ্যামলতাকে হলুদ করে দেওয়া হয়; অর্থাৎ, তাদের তৈরি ফসলকে নষ্ট করে দেওয়া হয়, তাহলে বৃষ্টি পেয়ে ঐ সকল আনন্দিত ব্যক্তিরা আল্লাহর অকৃতজ্ঞ হয়ে যাবে। উদ্দেশ্য এই যে, আল্লাহকে অমান্যকারীরা ধৈর্য ও মনোবল থেকে বঞ্চিত হয়। এরা সামান্য সুখবরে আনন্দে আটখানা হয়, আবার সামান্য কষ্টভোগের দরুন হতাশ হয়ে পড়ে। মু’মিনগণ দুই অবস্থাতেই এদের থেকে আলাদা। তার বিস্তারিত বিবরণ পূর্বে গত হয়েছে।