أَوَلَمۡ يَسِيرُواْ فِي ٱلۡأَرۡضِ فَيَنظُرُواْ كَيۡفَ كَانَ عَٰقِبَةُ ٱلَّذِينَ مِن قَبۡلِهِمۡۚ كَانُوٓاْ أَشَدَّ مِنۡهُمۡ قُوَّةٗ وَأَثَارُواْ ٱلۡأَرۡضَ وَعَمَرُوهَآ أَكۡثَرَ مِمَّا عَمَرُوهَا وَجَآءَتۡهُمۡ رُسُلُهُم بِٱلۡبَيِّنَٰتِۖ فَمَا كَانَ ٱللَّهُ لِيَظۡلِمَهُمۡ وَلَٰكِن كَانُوٓاْ أَنفُسَهُمۡ يَظۡلِمُونَ

আওয়া লাম ইয়াছীরূ ফিলআরদিফাইয়ানজুরূ কাইফা ক-না ‘আ-কিবাতুল্লাযীনা মিন কাবলিহিম ক-নূআশাদ্দা মিনহুম কুওওয়াতাওঁ ওয়া আছা-রুল আরদা ওয়া ‘আমারূহা আকছার মিম্মা-‘আমারূহা-ওয়া জাআতহুম রুছুলুহুম বিলবাইয়িনা-তি ফামা-ক-নাল্লা-হু লিইয়াজলিমাহুম ওয়া লা-কিন ক-নূআনফুছাহুম ইয়াজলিমূন।উচ্চারণ

আর এরা কি কখনো পৃথিবীতে ভ্রমণ করেনি? তাহলে এদের পূর্বে যারা অতিক্রান্ত হয়েছে তাদের পরিণাম এরা দেখতে পেতো। তারা এদের চেয়ে বেশি শক্তিশালী ছিল, তারা জমি কর্ষণ করেছিল খুব ভালো করে এবং এত বেশি আবাদ করেছিল যতটা এরা করেনি। ১০ তাদের কাছে তাদের রাসূল আসে উজ্জ্বল নিদর্শনাবলী নিয়ে। ১১ তারপর আল্লাহ‌ তাদের প্রতি জুলুমকারী ছিলেন না কিন্তু তারা নিজেরাই নিজেদের প্রতি জুলুম করছিল। ১২ তাফহীমুল কুরআন

তারা কি ভূমিতে চলাফেরা করেনি, তাহলে দেখতে পেত তাদের পূর্বে যারা ছিল তাদের পরিণাম কী হয়েছে? তারা শক্তিতে ছিল তাদের চেয়ে প্রচণ্ডতর এবং তারা জমি চাষ করত এবং তা আবাদ করত তাদের আবাদ অপেক্ষা বেশি। তাদের কাছে তাদের রাসূলগণ সুস্পষ্ট প্রমাণাদি নিয়ে এসেছিল। বস্তুত আল্লাহ এমন নন যে, তাদের প্রতি জুলুম করবেন; বরং তারা নিজেরাই নিজেদের প্রতি জুলুম করেছিল।মুফতী তাকী উসমানী

তারা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করেনা এবং দেখেনা যে, তাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কিরূপ হয়েছে? শক্তিতে তারা ছিল তাদের অপেক্ষা প্রবল; তারা জমি চাষ করত, তারা (পূর্ববর্তীরা) ওটা আবাদ করত তাদের অপেক্ষা অধিক। তাদের নিকট এসেছিল তাদের রাসূলগণ সুস্পষ্ট নিদর্শনসহ; বস্তুতঃ তাদের প্রতি যুলম করা আল্লাহর কাজ ছিলনা, বরং তারা নিজেরাই নিজেদের প্রতি যুলম করেছিল।মুজিবুর রহমান

তারা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করে না অতঃপর দেখে না যে; তাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কি কি হয়েছে? তারা তাদের চাইতে শক্তিশালী ছিল, তারা যমীন চাষ করত এবং তাদের চাইতে বেশী আবাদ করত। তাদের কাছে তাদের রসূলগণ সুস্পষ্ট নির্দেশ নিয়ে এসেছিল। বস্তুতঃ আল্লাহ তাদের প্রতি জুলুমকারী ছিলেন না। কিন্তু তারা নিজেরাই নিজেদের প্রতি জুলুম করেছিল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এরা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করে না ? তা হলে দেখিত যে, এদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কিরূপ হয়েছিল! শক্তিতে তারা ছিল এদের অপেক্ষা প্রবল, তারা জমি চাষ করত, তারা তা আবাদ করত এদের আবাদ করা অপেক্ষা অধিক। তাদের নিকট এসেছিল তাদের রাসূলগণ সুস্পষ্ট নিদর্শনসহ ; বস্তুত আল্লাহ্ এমন নন যে, এদের প্রতি জুলুম করেন, এরা নিজেরাই নিজেদের প্রতি জুলুম করেছিল।ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তারা কি যমীনে ভ্রমণ করে না? তাহলে তারা দেখত যে, তাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কেমন হয়েছিল। তারা শক্তিতে তাদের চেয়েও প্রবল ছিল। আর তারা জমি চাষ করত এবং তারা এদের আবাদ করার চেয়েও বেশী আবাদ করত। আর তাদের কাছে তাদের রাসূলগণ সুস্পষ্ট প্রমাণাদিসহ এসেছিল। বস্তুতঃ আল্লাহ এমন নন যে, তিনি তাদের প্রতি যুলম করবেন, কিন্তু তারা নিজেরাই নিজদের প্রতি যুলম করত।আল-বায়ান

তারা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করে না? তাহলে তারা দেখত যে, তাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কী হয়েছিল। তারা শক্তিতে ছিল এদের চেয়ে অধিক প্রবল। তারা যমীন চাষ করত আর তা আবাদ করত এদের আবাদ করার চেয়ে বেশি। তাদের কাছে তাদের রসূলগণ স্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে এসেছিল। অতঃপর আল্লাহ তাদের উপর যুলম করেননি, তারা নিজেরাই নিজেদের উপর যুলম করেছিল।তাইসিরুল

তারা কি তবে পৃথিবীতে পরিভ্রমণ করে না, তাহলে তারা দেখতে পেতো কেমন হয়েছিল তাদের পরিণাম যারা তাদের আগেকার ছিল? তারা এদের চাইতেও শক্তিতে প্রবল ছিল, আর মাটি খুড়ঁতো, আর তারা এতে এমারত গড়তো যা এরা এতে গড়েছিল তার চাইতেও বেশি, আর তাদের রসূলগণ তাদের কাছে এসেছিলেন সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে। কাজেই এটি আল্লাহ্‌র কাজ নয় যে তিনি তাদের প্রতি অন্যায় করবেন, কিন্তু তারা তাদের নিজেদেরই প্রতি অন্যায় করে যাচ্ছিল।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

আখেরাতের পক্ষে এটি একটি ঐতিহাসিক যুক্তি। এর অর্থ হচ্ছে, কেবল দুনিয়ার দু’চারজন লোকই তো আখেরাত অস্বীকার করেনি বরং মানব ইতিহাসের বিভিন্ন অধ্যায়ে বিপুলসংখ্যক মানুষকে এ রোগে আক্রান্ত হতে দেখা গেছে। বরং অনেক জাতির সমস্ত লোকই আখেরাত অস্বীকার করেছে অথবা তা থেকে গাফিল হয়ে গেছে কিংবা মৃত্যু পরের জীবন সম্পর্কে এমন মিথ্যা বিশ্বাস উদ্ভাবন করে নিয়েছে যার ফলে আখেরাতের প্রতি বিশ্বাস অর্থহীন হয়ে গেছে। তারপর ইতিহাসের ধারাবাহিক অভিজ্ঞতা একথা জানিয়ে দিয়েছে যে, যেভাবেই আখেরাত অস্বীকার করা হোক না কেন, তার অনিবার্য ফল স্বরূপ মানুষের নৈতিক চরিত্র নষ্ট হয়ে গেছে। তারা নিজেদেরকে দায়িত্বহীন মনে করে লাগামহীন ও স্বেচ্ছাচারীতে পরিণত হয়েছে। তারা জুলুম, বিপর্যয়, ফাসেকী ও অশ্লীল আচরণের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। এ জিনিসটির বদৌলতে জাতিসমূহ একের পর এক ধ্বংস হতে থেকেছে। হাজার বছরের ইতিহাসে মানব বংশ একের পর এক যে অভিজ্ঞতা লাভ করেছে তা কি একথা প্রমাণ করে না যে, আখেরাত একটি সত্য, যা অস্বীকার করা মানুষের জন্য ধ্বংসাত্মক ছাড়া আর কিছুই নয়। মানুষ অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে বস্তুকে সবসময় মাটির দিকে নেমে আসতে দেখেছে বলেই সে ভারী জিনিসের আকর্ষণ স্বীকার করে। সে বিষ খেয়েছে সে-ই মারা পড়েছে, এ জন্যই মানুষ বিষকে বিষ বলে মানে। অনুরূপভাবে আখেরাত অস্বীকার যখন চিরকাল মানুষের নৈতিক বিকৃতির কারণ প্রমাণিত হয়েছে তখন এ অভিজ্ঞতা কি এ শিক্ষা দেবার জন্য যথেষ্ট নয় যে, আখেরাত একটি জাজ্বল্যমান সত্য এবং তাকে বাদ দিয়ে দুনিয়ার জীবন যাপন করা ভুল?

মূল শব্দ হচ্ছে وَأَثَارُوا الْأَرْضَ কৃষিকাজ করার জন্য লাঙ্গল দেয়া অর্থেও এ শব্দের ব্যবহার হতে পারে আবার মাটি খুঁড়ে ভূগর্ভ থেকে পানি উঠানো, খাল খনন এবং খনিজ পদার্থ ইত্যাদি বের করাও হয়।

১০

যারা নিছক বস্তুগত উন্নতিকে একটি জাতির সৎ হবার আলামত মনে করে এখানে তাদের যুক্তির জবাব রয়েছে। তারা বলে যারা পৃথিবীর উপায়-উপকরণকে এত বিপুল পরিমাণে ব্যবহার (Exploit) করেছে তারা দুনিয়ার বিরাট উন্নয়নমূলক কাজ করেছে এবং একটি মহিমান্বিত সভ্যতার জন্ম দিয়েছে। কাজেই মহান আল্লাহ‌ তাদেরকে জাহান্নামের ইন্ধনে পরিণত করবেন এটা কেমন করে সম্ভব! কুরআন এর জবাব এভাবে দিয়েছে “এমন উন্নয়নমূলক কাজ” পূর্বেও বহু জাতি বিরাট আকারে করেছে। তারপর কি তোমরা দেখনি সে জাতিগুলো তাদের নিজেদের সভ্যতা-সংস্কৃতি সহকারে ধূলায় মিশে গেছে এবং তাদের “উন্নয়নের” আকাশচুম্বি প্রাসাদ ভুলুণ্ঠিত হয়েছে? যে আল্লাহর আইন ইহজগতে সত্যের প্রতি বিশ্বাস ও সৎ চারিত্রিক গুণাবলী ছাড়া নিছক বস্তুগত নির্মাণের এরূপ মূল্য দিয়েছে সে একই আল্লাহর আইন কি কারণে পারলৌকিক জগতে তাকে জাহান্নামে স্থান দেবে না?

১১

অর্থাৎ এমন নিদর্শনাবলী নিয়ে যা তাদেরকে সত্য নবী হবার নিশ্চয়তা দেবার জন্য যথেষ্ট ছিল। এখানকার পূর্বাপর আলোচনার প্রেক্ষাপট নবীদের আগমনের কথা উল্লেখ করার অর্থ হচ্ছে এই যে, একদিকে মানুষের নিজের অস্তিত্বের মধ্যে, এর বাইরে সমগ্র বিশ্ব-জাহানের ব্যবস্থায় এবং মানুষের ইতিহাসের ধারাবাহিক অভিজ্ঞতায় আখেরাতের সাক্ষ্য বিদ্যমান ছিল। অন্যদিকে একের পর এক নবীগণ এসেছেন। তাদের সাথে তাদের নবুওয়াত সত্য হবার সুস্পষ্ট আলামত পাওয়া যেতো এবং যথার্থই আখেরাতের আগমন সম্পর্কে তারা মানুষকে সতর্কও করতেন।

১২

অর্থাৎ এরপর এ জাতিগুলো যে ধ্বংসের সম্মুখীন হয়েছে তা তাদের ওপর আল্লাহর জুলুম ছিল না বরং তা ছিল তাদের নিজেদের জুলুম। এসব জুলুম তারা নিজেরাই নিজেদের ওপর করেছিল। যে ব্যক্তি বা দল নিজে সঠিক চিন্তা করে না এবং অন্যের বুঝিয়ে দেবার পরও সঠিক নীতি অবলম্বন করে না সে নিজেই নিজের অশুভ পরিণামের জন্য দায়ী হয়। এ জন্য আল্লাহকে দোষারোপ করা যেতে পারে না। আল্লাহ‌ নিজের কিতাব ও নবীগণের মাধ্যমে মানুষকে সত্যের জ্ঞানের সত্যতা যাচাই করতে পারে। এ পথনির্দেশনা এবং উপকরণাদি থেকে আল্লাহ‌ যদি মানুষকে বঞ্চিত করে থাকতেন এবং সে অবস্থায় মানুষকে ভুল পথে যাবার ফল পেতে হতো তাহলে নিঃসন্দেহে আল্লাহর বিরুদ্ধে জুলুমের দোষারোপ করার অবকাশ সৃষ্টি হতে পারতো।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

অর্থাৎ ‘আদ, ছামূদ প্রভৃতি জাতি মক্কাবাসীদের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী ছিল, কৃষিকার্য ও নির্মাণ শিল্পে অনেক বেশি দক্ষ ছিল। কিন্তু দক্ষতা ও শক্তিমত্তা তাদেরকে রক্ষা করতে পারেনি। নবীগণকে অস্বীকার করার পরিণামে তাদেরকে ধ্বংস হতে হয়েছে। তাদেরই যখন এই পরিণতি হয়েছে তখন মক্কার কাফিরগণ কিসের ভরসায় আছে? ঈমান না আনলে একই পরিণাম তাদেরকেও ভোগ করতে হবে। -অনুবাদক

তাফসীরে জাকারিয়া

৯. তারা কি যমীনে ভ্ৰমণ করে না? তাহলে তারা দেখত যে, তাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কিরূপ হয়েছিল, শক্তিতে তারা ছিল এদের চেয়ে প্রবল, তারা জমি চাষ করত, তারা সেটা আবাদ করত। এদের আবাদ করার চেয়ে বেশী। আর তাদের কাছে এসেছিল তাদের রাসূলগণ স্পষ্ট প্রমাণাদিসহ; বস্তুত আল্লাহ এমন নন যে, তাদের প্রতি যুলুম করেন, কিন্তু তারা নিজেরাই নিজেদের প্রতি যুলুম করেছিল।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৯) ওরা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করে না এবং দেখে না যে,(1) ওদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কি হয়েছে?(2) শক্তিতে তারা ছিল ওদের অপেক্ষা প্রবল।(3) তারা জমি চাষ করত এবং এরা পৃথিবীর যতটা আবাদ করেছে(4) তার চেয়ে তারা বেশি আবাদ করেছিল।(5) তাদের নিকট তাদের রসূলগণ সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলীসহ এসেছিল।(6) বস্তুতঃ ওদের প্রতি যুলুম করা আল্লাহর কাজ ছিল না,(7) বরং ওরা নিজেরাই নিজেদের প্রতি যুলুম করেছিল।(8)

(1) পূর্ব পুরুষদের পরিণাম, ধ্বংসাবশেষ ঘর-বাড়ি, বসবাস করার প্রকট চিহ্ন ইত্যাদি প্রত্যক্ষ করার পরও তা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা না করার জন্য কঠোরভাবে ধমক দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ, তারা বিভিন্ন জায়গায় সফর ও যাতায়াত করে তা প্রত্যক্ষ করে নিয়েছে।

(2) অর্থাৎ, ঐ সকল কাফেরদের (পরিণাম) যাদেরকে আল্লাহ তাআলা তাদের কুফরী, সত্যকে অস্বীকার ও রসূলগণকে মিথ্যা মনে করার ফলে ধ্বংস করে দিয়েছেন।

(3) অর্থাৎ, মক্কাবাসী এবং কুরাইশ অপেক্ষা।

(4) অর্থাৎ, মক্কাবাসীরা কৃষিকর্মে অদক্ষ ছিল, কিন্তু পূর্ববর্তী জাতিসমূহ সে কর্মেও তাদের থেকে বেশি অভিজ্ঞ ছিল।

(5) কারণ, তাদের বয়স, শারীরিক শক্তি ও জীবিকার উপায়-উপকরণও ছিল বেশি। সুতরাং তারা বেশি বেশি অট্টালিকা নির্মাণ, কৃষিকার্য এবং জীবিকা নির্বাহের সাজ-সরঞ্জামের ব্যবস্থাপনাও অধিক মাত্রায় করেছিল ।

(6) তারা তাদের নিকট প্রেরিত রসূলগণের প্রতি ঈমান আনেনি। সুতরাং সব রকম শক্তি, উন্নতি, অবকাশ ও সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য থাকা সত্ত্বেও ধ্বংসই তাদের ভাগ্যে নির্ধারিত হল।

(7) অর্থাৎ, এমন ছিল না যে, তাদের কোন পাপ ছাড়াই তিনি তাদেরকে আযাবে পতিত করবেন।

(8) অর্থাৎ, আল্লাহকে অস্বীকার ও রসূলগণকে অগ্রাহ্য করে (তারা নিজেরাই নিজেদের প্রতি যুলুম করেছিল)।