وَلَا يَصُدُّنَّكَ عَنۡ ءَايَٰتِ ٱللَّهِ بَعۡدَ إِذۡ أُنزِلَتۡ إِلَيۡكَۖ وَٱدۡعُ إِلَىٰ رَبِّكَۖ وَلَا تَكُونَنَّ مِنَ ٱلۡمُشۡرِكِينَ

ওয়ালা-ইয়াসুদ্দুন্নাকা ‘আন আ-য়া-তিল্লা-হি বা‘দা ইয উনঝিলাত ইলাইকা ওয়াদ‘উ ইলা রব্বিকা ওয়ালা-তাকূনান্না মিনাল মুশরিকীন।উচ্চারণ

আর এমনটি যেন কখনো না হয় যে, আল্লাহর আয়াত যখন তোমার প্রতি অবতীর্ণ হয় তখন কাফেররা তোমাকে তা থেকে বিরত রাখে। ১১১ নিজের রবের দিকে দাওয়াত দাও এবং কখনো মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না তাফহীমুল কুরআন

তোমার প্রতি আল্লাহর আয়াতসমূহ নাযিল হওয়ার পর তারা যেন কিছুতেই তোমাকে এর (অনুসরণ) থেকে ফিরিয়ে রাখতে না পারে। তুমি নিজ প্রতিপালকের দিকে মানুষকে ডাকতে থাক এবং কিছুতেই মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।মুফতী তাকী উসমানী

তোমার প্রতি আল্লাহর আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর কেহ যেন তোমাকে কিছুতেই সেগুলি হতে বিরত না রাখে। তুমি তোমার রবের দিকে আহবান করতে থাক এবং কিছুতেই মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়োনা।মুজিবুর রহমান

কাফেররা যেন আপনাকে আল্লাহর আয়াত থেকে বিমুখ না করে সেগুলো আপনার প্রতি অবর্তীর্ণ হওয়ার পর আপনি আপনার পালনকর্তার প্রতি দাওয়াত দিন এবং কিছুতেই মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তোমার প্রতি আল্লাহ্ র আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর এরা যেন তোমাকে কিছুতেই সেগুলি হতে বিমুখ না করে। তুমি তোমার প্রতিপালকের দিকে আহ্বান কর এবং কিছুতেই মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর আল্লাহর আয়াতসমূহ তোমার প্রতি নাযিল হওয়ার পর তারা যেন তোমাকে তা থেকে বিরত রাখতে না পারে, তোমার রবের প্রতি তুমি আহবান কর এবং তুমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।আল-বায়ান

তোমার প্রতি আল্লাহর আয়াত নাযিল হওয়ার পর তারা যেন তোমাকে তাত্থেকে কক্ষনো বিমুখ না করতে পারে। তুমি তোমার প্রতিপালকের দিকে আহবান জানাও, আর কিছুতেই মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।তাইসিরুল

আর তারা যেন আল্লাহ্‌র নির্দেশাবলী থেকে নিবৃত্ত না করে সে-সব তোমার কাছে অবতীর্ণ হবার পরে, বরঞ্চ তুমি ডাকো তোমার প্রভুর প্রতি, আর তুমি কখনো মুশরিকদের দলভুক্ত হয়ো না।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১১১

অর্থাৎ সেগুলোর প্রচার ও প্রসার থেকে এবং সে অনুযায়ী কাজ করা থেকে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৮৭. আর আপনার প্রতি আল্লাহর আয়াত নাযিল হওয়ার পর তারা যেন কিছুতেই আপনাকে সেগুলো থেকে বিরত না করে। আপনি আপনার রব-এর দিকে ডাকুন এবং কিছুতেই মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না।(১)

(১) অর্থাৎ আল্লাহ যখন না চাইতেই তোমাদের এ নেয়ামত দান করেছেন তখন তোমাদের কর্তব্য হচ্ছে, তোমাদের সমস্ত শক্তি ও শ্রম এর পতাকা বহন করা এবং এর প্রচার ও প্রসারের কাজে ব্যয় করবে এ কাজে ত্রুটি ও গাফলতি করার মানে হবে তোমরা সত্যের পরিবর্তে সত্য অস্বীকারকারীদেরকে সাহায্য করেছে। এর অর্থ এ নয়, নাউযুবিল্লাহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এ ধরনের কোন ভুলের আশংকা ছিল। বরং এভাবে আল্লাহ কাফেরদেরকে শুনিয়ে শুনিয়ে নিজের নবীকে এ হিদায়াত দান করছেন যে, এদের শোরগোল ও বিরোধিতা সত্বেও আপনি নিজের কাজ করে যান এবং আপনার এ দাওয়াতের ফলে সত্যের দুশমনরা তাদের জাতীয় স্বাৰ্থ বিঘ্নিত হবার যেসব আশংকা প্ৰকাশ করে তার পরোয়া করার কোন প্রয়োজন নেই।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৮৭) তোমার প্রতি আল্লাহর আয়াত অবতীর্ণ করার পর ওরা যেন তোমাকে কিছুতেই সেগুলি হতে বিমুখ না করে ফেলে।(1) তুমি তোমার প্রতিপালকের দিকে আহবান কর এবং কিছুতেই অংশীবাদীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।

(1) অর্থাৎ, কাফেরদের কথা-বার্তা, তাদের অত্যাচার উৎপীড়ন, দাওয়াত ও তবলীগের রাস্তায় তাদের বাধা দান যেন তোমাকে কুরআন পাঠ ও তার বাণী প্রচারের পথে বাধা সৃষ্টি না করে। বরং তুমি পরিপূর্ণ একাগ্রতা ও একনিষ্ঠতার সাথে কাজ করে যাও।