ওয়ানাঝা‘না-মিন কুল্লি উম্মাতিন শাহীদান ফাকুলনা-হা-তূবুরহা-নাকুম ফা‘আলিমূআন্নাল হাক্কা লিল্লা-হি ওয়া দাল্লা ‘আনহুম মা-ক-নূইয়াফতারূন।উচ্চারণ
আর আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্য থেকে একজন সাক্ষী বের করে আনবো ৯২ তারপর বলবো, “আনো এবার তোমাদের প্রমাণগুলো।” ৯৩ সে সময় তারা জানবে, সত্য রয়েছে আল্লাহর কাছে এবং তারা যা কিছু মিথ্যা বানিয়ে রেখেছিল তা সবই উধাও হয়ে যাবে। তাফহীমুল কুরআন
আমি প্রত্যেক উম্মত থেকে একজন সাক্ষী বের করে আনব তারপর বলব, তোমরা তোমাদের প্রমাণ উপস্থিত কর। তখন তারা উপলব্ধি করতে পারবে যে, সত্য কথা ছিল আল্লাহরই। আর তারা মিথ্যা যা-কিছু উদ্ভাবন করেছিল, তাদের থেকে তা অন্তর্হিত হয়ে যাবে।মুফতী তাকী উসমানী
প্রত্যেক সম্প্রদায় হতে আমি একজন সাক্ষী আলাদা করব এবং বলবঃ তোমাদের প্রমাণ উপস্থিত কর। তখন তারা জানতে পারবে, মা‘বূদ হবার অধিকার আল্লাহরই এবং তারা যা উদ্ভাবন করত তা তাদের নিকট হতে অন্তর্হিত হবে।মুজিবুর রহমান
প্রত্যেক সম্প্রদায় থেকে আমি একজন সাক্ষী আলাদা করব; অতঃপর বলব, তোমাদের প্রমাণ আন। তখন তারা জানতে পারবে যে, সত্য আল্লাহর এবং তারা যা গড়ত, তা তাদের কাছ থেকে উধাও হয়ে যাবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
প্রত্যেক সম্প্রদায় হতে আমি একজন সাক্ষী বের করে আনব এবং বলিব, ‘তোমাদের প্রমাণ উপস্থিত কর।’ তখন এরা জানতে পারবে, ইলাহ্ হওয়ার অধিকার আল্লাহ্ র ই এবং এরা যা উদ্ভাবন করত তা এদের নিকট হতে অন্তর্হিত হবে।ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর আমি প্রত্যেক জাতি থেকে একজন সাক্ষী বের করে নেব। অতঃপর আমি বলব, ‘তোমাদের প্রমাণ নিয়ে আস’। তখন তারা জানতে পারবে যে, নিশ্চয় সত্য আল্লাহর কাছেই এবং তারা যে সব মিথ্যা উদ্ভাবন করত তা তাদের থেকে হারিয়ে যাবে।আল-বায়ান
আমি প্রত্যেক সম্প্রদায় থেকে একজন সাক্ষী বের করে আনব, অতঃপর বলব- ‘তোমাদের (নির্দোষিতার পক্ষে) প্রমাণ হাজির কর। তখন তারা জানতে পারবে যে, ইলাহ হওয়ার অধিকার আল্লাহরই আর তারা যা উদ্ভাবন করত তা তাদের কাছ থেকে উধাও হয়ে যাবে।তাইসিরুল
আর আমরা প্রত্যেক সম্প্রদায় থেকে বের করব একজন সাক্ষী, তখন আমরা বলব -- "তোমাদের প্রমাণ নিয়ে এস।" তখন তারা জানতে পারবে যে সত্য আল্লাহ্রই, আর তারা যা কিছু উদ্ভাবন করত তা তাদের থেকে বিদায় নেবে।মাওলানা জহুরুল হক
৯২
অর্থাৎ নবী, যিনি সংশ্লিষ্ট উম্মতকে সতর্ক করেছিলেন। অথবা নবীদের অনুসারীদের মধ্য থেকে এমন কোন হিদায়াত প্রাপ্ত ব্যক্তি যিনি সংশ্লিষ্ট উম্মতের মধ্যে সত্য প্রচারের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। কিংবা কোন প্রচার মাধ্যম যার সাহায্যে সংশ্লিষ্ট উম্মতের কাছে সত্যের পয়গাম পৌঁছেছিল।
৯৩
অর্থাৎ নিজেদের সাফাইয়ের মধ্যে এমন কোন প্রমাণ পেশ করো যার ভিত্তিতে তোমাদের মাফ করে দেয়া যেতে পারে। অথবা তোমরা যে শির্ক এবং যে আখেরাত ও নবুওয়াত অস্বীকারের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিলে তা সঠিক ছিল এবং তোমরা যুক্তিসঙ্গত কারণে এ পথ অবলম্বন করেছিলে একথা প্রমাণ করো। কিংবা এ না হলেও কমপক্ষে একথাই প্রমাণ করো যে, আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমাদেরকে এ ভুলের জন্য সতর্ক করে দেবার এবং তোমাদের কাছে সঠিক কথা পৌঁছাবার কোন ব্যবস্থা করা হয়নি।
৭৫. আর আমরা প্রত্যেক জাতি থেকে একজন সাক্ষী বের করে আনব(১) এবং বলব, তোমাদের প্রমাণ উপস্থিত কর। তখন তারা জানতে পারবে যে(২), ইলাহ হওয়ার অধিকার আল্লাহরই এবং তারা যা মিথ্যা রটনা করত তা তাদের কাছ থেকে হারিয়ে যাবে।(৩)
(১) অর্থাৎ নবী ও যিনি সংশ্লিষ্ট উম্মতকে সতর্ক করেছিলেন। অথবা নবীদের অনুসারীদের মধ্য থেকে এমন কোন হিদায়াত প্ৰাপ্ত ব্যক্তি যিনি সংশ্লিষ্ট উম্মতের মধ্যে সত্য প্রচারের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। কিংবা কোন প্রচার মাধ্যম যার সাহায্যে সংশ্লিষ্ট উম্মতের কাছে সত্যের পয়গাম পৌছেছিল।
(২) অর্থাৎ আল্লাহই একমাত্র হক ইলাহ। (জালালাইন) আর তখন তারা জানতে পারবে যে, তারা যে সমস্ত কথা বলেছিল, যাদেরকে ইলাহ বা উপাস্য বানিয়েছিল সবই ছিল মিথ্যা, অসার ও অলীক। আর তখন তাদের কাছে স্পষ্ট হবে যে, ইলাহ হওয়ার ব্যাপারে সঠিক তথ্য তো শুধু আল্লাহরই। তাদের উপস্থাপিত দলীল-প্রমাণাদি ভেস্তে গেছে। আর আল্লাহর পক্ষে যে সমস্ত প্রমাণাদি পেশ করা হয়েছিল তা-ই শুধু বাকী আছে। (সা’দী)
(৩) অর্থাৎ দুনিয়াতে তারা যে সমস্ত মিথ্যাচার করত যে, আল্লাহর সাথে শরীক আছে, সে সমস্ত কথা সবই তখন হারিয়ে যাবে। (ফাতহুল কাদীর)
(৭৫) প্রত্যেক জাতি হতে আমি একজন সাক্ষী বের করব (1) এবং বলব, ‘তোমাদের প্রমাণ উপস্থিত কর।’(2) তখন ওরা জানতে পারবে (উপাস্য হওয়ার) অধিকার আল্লাহরই (3) এবং তারা যা উদ্ভাবন করেছিল তা তাদের নিকট হতে উধাও হয়ে যাবে। (4)
(1) এখানে সাক্ষী বলতে নবীদেরকে বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ, প্রত্যেক নবীকে তার জাতি হতে আলাদা করে দাঁড় করানো হবে।
(2) অর্থাৎ, পৃথিবীতে আমার নবীদের তওহীদের বাণী পৌঁছে দেওয়ার পরও তোমরা আমার শরীক স্থাপন করতে এবং আমার ইবাদতের সাথে তাদেরও ইবাদত করতে। তার প্রমাণ পেশ কর।
(3) অর্থাৎ, তারা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকবে, কোন প্রমাণ তারা দিতে পারবে না।
(4) অর্থাৎ, তাদের কোন কাজে আসবে না।