فَلَمَّآ أَتَىٰهَا نُودِيَ مِن شَٰطِيِٕ ٱلۡوَادِ ٱلۡأَيۡمَنِ فِي ٱلۡبُقۡعَةِ ٱلۡمُبَٰرَكَةِ مِنَ ٱلشَّجَرَةِ أَن يَٰمُوسَىٰٓ إِنِّيٓ أَنَا ٱللَّهُ رَبُّ ٱلۡعَٰلَمِينَ

ফালাম্মাআতা-হা-নূদিয়া মিন শা-তিইল ওয়া-দিল আইমানি ফিল বুক‘আতিল মুবা-রকাতি মিনাশশাজারতি আইঁ ইয়া-মূছাইন্নীআনাল্লা-হু রব্বুল ‘আ-লামীন।উচ্চারণ

সেখানে পৌঁছার পর উপত্যকার ডান কিনারায় ৪২ পবিত্র ভূখণ্ডে ৪৩ একটি বৃক্ষ থেকে আহ্বান এলো, “হে মূসা! আমিই আল্লাহ, সমগ্র বিশ্বের অধিপতি।” তাফহীমুল কুরআন

সুতরাং সে যখন আগুনের কাছে পৌঁছল, তখন ডান উপত্যকার কিনারায় অবস্থিত বরকতপূর্ণ ভূমির একটি বৃক্ষ থেকে ডেকে বলা হল, হে মূসা! আমিই আল্লাহ জগতসমূহের প্রতিপালক।মুফতী তাকী উসমানী

যখন মূসা আগুনের নিকট পৌঁছল তখন উপত্যকার দক্ষিণ পাশে পবিত্র ভূমিস্থিত এক বৃক্ষ হতে তাকে আহবান করে বলা হলঃ হে মূসা! আমিই আল্লাহ, জগতসমূহের রাব্ব।মুজিবুর রহমান

যখন সে তার কাছে পৌছল, তখন পবিত্র ভূমিতে অবস্থিত উপত্যকার ডান প্রান্তের বৃক্ষ থেকে তাকে আওয়াজ দেয়া হল, হে মূসা! আমি আল্লাহ, বিশ্ব পালনকর্তা।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

যখন মূসা আগুনের নিকট পৌঁছিল তখন উপত্যকার দক্ষিণ পার্শ্বে পবিত্র ভ‚মিস্থিত এক বৃক্ষের দিক হতে তাকে আহ্বান করে বলা হল, ‘হে মূসা ! আমিই আল্লাহ, জগতসমূহের প্রতিপালক;’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর যখন মূসা আগুনের নিকট আসল, তখন উপত্যকার ডান পার্শে পবিত্র ভূমিতে অবস্থিত বৃক্ষ থেকে তাকে আহবান করে বলা হলো, ‘হে মূসা, নিশ্চয় আমিই আল্লাহ, সৃষ্টিকুলের রব’।আল-বায়ান

মূসা যখন আগুনের কাছে পৌঁছল তখন পবিত্র ভূমিতে অবস্থিত উপত্যকার ডান দিকে বৃক্ষ থেকে তাকে আহবান দিয়ে বলা হল- ‘হে মূসা! আমিই আল্লাহ, জগতসমূহের পালনকর্তা।’তাইসিরুল

তারপর যখন তিনি তার কাছে এলেন তখন একটি আওয়াজ উঠল উপত্যকার ডান দিকের ঝোপঝাড়ের পুণ্য স্থান থেকে এই বলে -- "হে মূসা! নিঃসন্দেহ আমিই আল্লাহ্‌, বিশ্বজগতের প্রভু।"মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৪২

অর্থাৎ হযরত মূসার ডান হাতের দিকে যে কিনারা ছিল সেই কিনারায়।

৪৩

অর্থাৎ, আল্লাহর দ্যুতির আলোকে যে ভূখণ্ড আলোকিত হচ্ছিল।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৩০. অতঃপর যখন মূসা আগুনের কাছে পৌছলেন তখন উপত্যকার ডান পাশে(১) বরকতময়(২) ভূমির উপর অবস্থিত সুনির্দিষ্ট গাছের দিক থেকে তাকে ডেকে বলা হল, হে মূসা! আমিই আল্লাহ, সৃষ্টিকুলের রব(৩);

(১) অর্থাৎ মূসার ডান হাতের দিকে যে কিনারা ছিল সেই কিনারা বা পাশ থেকে। (কুরতুবী)

(২) সূরা মারইয়ামের ৩১ নং আয়াতের ব্যাখ্যায় বরকত সংক্রান্ত আলোচনা করা হয়েছে।

(৩) এ আয়াত সংক্রান্ত ব্যাখ্যা সূরা আন-নামলের ৯ নং আয়াতের ব্যাখ্যায় গত হয়েছে।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৩০) যখন মূসা আগুনের নিকট পৌঁছল, তখন উপত্যকার ডান পাশে পবিত্র ভূমির এক বৃক্ষ হতে(1) তাকে আহবান করে বলা হল, ‘হে মূসা! নিশ্চয় আমিই আল্লাহ, বিশ্বজগতের প্রতিপালক। (2)

(1) অর্থাৎ, আওয়াজ উপত্যকার এক প্রান্ত থেকে এল; যা পশ্চিম দিক হতে পাহাড়ের ডান দিক ছিল। এখানে গাছ হতে আগুনের শিখা বের হচ্ছিল, যা আসলে মহান আল্লাহর নূর (জ্যোতি) ছিল।

(2) অর্থাৎ, হে মূসা! এখন তোমার সঙ্গে যে কথা বলছে সে, আমিই আল্লাহ বিশ্বজগতের প্রতিপালক।