ক-লা রব্বি ইন্নী জালামতুনাফছী ফাগফিরলী ফাগাফার লাহূ ইন্নাহূহুওয়াল গাফূরুর রহীম।উচ্চারণ
তারপর সে বলতে লাগলো, “হে আমার রব! আমি নিজের ওপর জুলুম করেছি, আমাকে ক্ষমা করে দাও? “ ২৩ তখন আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করে দিলেন তিনি ক্ষমাশীল মেহেরবান। ২৪ তাফহীমুল কুরআন
বলতে লাগল, হে আমার প্রতিপালক! আমি নিজ সত্তার প্রতি জুলুম করেছি। আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন। সুতরাং আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিলেন। নিশ্চয়ই তিনি অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।মুফতী তাকী উসমানী
সে বললঃ হে আমার রাব্ব! আমিতো আমার নিজের প্রতি যুলম করেছি; সুতরাং আমাকে ক্ষমা করুন! অতঃপর তিনি তাকে ক্ষমা করলেন। তিনিতো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।মুজিবুর রহমান
তিনি বললেন, হে আমার পালনকর্তা, আমি তো নিজের উপর জুলুম করে ফেলেছি। অতএব, আমাকে ক্ষমা করুন। আল্লাহ তাকে ক্ষমা করলেন। নিশ্চয় তিনি ক্ষমাশীল, দয়ালু।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
সে বলল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমি তো আমার নিজের প্রতি জুলুম করেছি; সুতরাং আমাকে ক্ষমা কর।’ এরপর তিনি তাকে ক্ষমা করলেন। তিনি তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সে বলল, ‘হে আমার রব, নিশ্চয় আমি আমার নফসের প্রতি যুলম করেছি, সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন’। অতঃপর তিনি তাকে ক্ষমা করলেন। নিশ্চয় তিনি অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।আল-বায়ান
সে বলল- ‘হে আমার প্রতিপালক! আমি নিজের আত্মার উপর যুলম করেছি, অতএব আমাকে ক্ষমা কর।’ অতঃপর আল্লাহ তাকে ক্ষমা করলেন, অবশ্যই তিনি ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু।তাইসিরুল
তিনি বললেন -- "আমার প্রভু! আমি নিঃসন্দেহ আমার নিজের প্রতি অত্যাচার করে ফেলেছি, সেজন্য আমাকে পরিত্রাণ করো।" সুতরাং তিনি তাঁকে পরিত্রাণ করলেন। নিঃসন্দেহ তিনি -- তিনিই পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা।মাওলানা জহুরুল হক
২৩
মূল শব্দ হচ্ছে “মাগিফরাত” এর অর্থ ক্ষমা করা ও মাফ করে দেয়াও হয় আবার গোপনীয়তা রক্ষা করাও হয়। হযরত মূসার (আ) দোয়ার অর্থ ছিল, আমার এ গোনাহ (যা তুমি জানো, আমি জেনে-বুঝে করিনি) তুমি মাফ করে দাও এবং এর ওপর আবরণ দিয়ে ঢেকে দাও, যাতে শত্রুরা জানতে না পারে।
২৪
এরও দুই অর্থ এবং দু’টিই এখানে প্রযোজ্য। অর্থাৎ আল্লাহ তাঁর এ ত্রুটি মাফ করে দেন এবং হজরত মূসার গোপনীয়তাও রক্ষা করেন। অর্থাৎ কিবতী জাতির কোন ব্যক্তি এবং কিবতী সরকারের কোন লোকের সে সময় তাদের আশেপাশে বা ধারে কাছে গমনাগমন হয়নি। ফলে তারা কেউ এ হত্যাকাণ্ড দেখেনি। এভাবে হযরত মূসার পক্ষে নির্বিঘ্নে ঘটনাস্থল থেকে সরে পড়ার সুযোগ ঘটে।
বাস্তবে তো হযরত মূসা আলাইহিস সালামের কোন দোষ ছিল না। কেননা তিনি বুঝে শুনে তাকে হত্যা করেননি। হত্যা করার কোন ইচ্ছাই তাঁর ছিল না, কিন্তু তারপরও নরহত্যা যেহেতু একটি গুরুতর ব্যাপার এবং তিনি মনে করেছিলেন অনিচ্ছাকৃত হলেও আপাতদৃষ্টিতে তাতে তাঁর কিছুটা ভূমিকাও রয়েছে, যা আগামী দিনের একজন নবীর পক্ষে শোভনীয় নয়, তাই তিনি খুবই অনুতপ্ত হলেন এবং আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলেন। এ আয়াত দ্বারা জানা গেল, যেখানে মুসলিম ও অমুসলিম শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করে সেখানে অমুসলিমকে হত্যা করা বা তার জান-মালের কোন রকম ক্ষতিসাধন করা তার জন্য জায়েয নয়।
১৬. তিনি বললেন, হে আমার রব! আমি তো আমার নিজের প্রতি যুলুম করেছি; কাজেই আপনি আমাকে ক্ষমা করুন। অতঃপর তিনি তাকে ক্ষমা করলেন। নিশ্চয় তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
(১৬) সে বলল, হে আমার প্রতিপালক! আমি তো আমার নিজের প্রতি যুলুম করেছি; সুতরাং তুমি আমাকে ক্ষমা কর।’(1) অতঃপর তিনি তাকে ক্ষমা করলেন। নিশ্চয় তিনিই চরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
(1) এই অনিচ্ছাকৃত আকস্মিক হত্যা যদিও কাবীরাহ গোনাহ ছিল না (কারণ মহান আল্লাহ নবীগণকে তা হতে সুরক্ষা করেন) তা সত্ত্বেও তিনি এই গোনাহকে এমন ভাবলেন, যার ফলে ক্ষমা প্রার্থনা করা জরুরী মনে করলেন। দ্বিতীয়তঃ এ আশঙ্কাও তাঁর ছিল যে, ফিরআউন যদি জানতে পারে, তাহলে তার বদলা নিতে সে হয়তো তাঁকেও হত্যা করবে।