ওয়াআসবাহা ফুআ-দুউম্মি মূছা-ফা-রিগান ইন ক-দাত লাতুবদী বিহী লাওলাআর রবাতনা-‘আলা-কালবিহা-লিতাকূনা মিনাল মু’মিনীন।উচ্চারণ
ওদিকে মূসার মায়ের মন অস্থির হয়ে পড়েছিল। সে তার রহস্য প্রকাশ করে দিতো যদি আমি তার মন সুদৃঢ় না করে দিতাম, যাতে সে (আমার অঙ্গীকারের প্রতি) বিশ্বাস স্থাপনকারীদের একজন হয়। তাফহীমুল কুরআন
এদিকে মূসার মায়ের মন ব্যাকুল হয়ে পড়েছিল। সে তো রহস্য ফাঁস করেই দিচ্ছিল যদি না আমি তার অন্তরকে সংযত রাখতাম (আমার ওয়াদার প্রতি) দৃঢ় বিশ্বাসী থাকার জন্য। মুফতী তাকী উসমানী
মূসা-জননীর হৃদয় অস্থির হয়ে পড়েছিল; যাতে সে আস্থাশীল হয় তজ্জন্য আমি তার হৃদয়কে দৃঢ় করে না দিলে সে তার পরিচয়তো প্রকাশ করেই দিত।মুজিবুর রহমান
সকালে মূসা জননীর অন্তর অস্থির হয়ে পড়ল। যদি আমি তাঁর হৃদয়কে দৃঢ় করে না দিতাম, তবে তিনি মূসাজনিত অস্থিরতা প্রকাশ করেই দিতেন। দৃঢ় করলাম, যাতে তিনি থাকেন বিশ্ববাসীগণের মধ্যে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
মূসা-জননীর হৃদয় অস্থির হয়ে পড়েছিল। যাতে সে আস্থাশীল হয় তার জন্যে আমি তার হৃদয়কে দৃঢ় করে না দিলে সে তার পরিচয় তো প্রকাশ করেই দিত। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর মূসার মায়ের অন্তর বিচলিত হয়ে উঠেছিল। সে তো তার পরিচয় প্রকাশ করেই দিত, যদি আমি তার অন্তরকে দৃঢ় করে না দিতাম, যাতে সে আস্থাশীলদের অন্তর্ভুক্ত হয়।আল-বায়ান
মূসার মায়ের অন্তর বিচলিত হয়ে উঠল। সে তো তার পরিচয় প্রকাশ করেই ফেলত যদি না আমি তার চিত্তকে দৃঢ় করতাম যাতে সে আস্থাশীল হয়।তাইসিরুল
আর পরক্ষণেই মূসার মায়ের হৃদয় মুক্ত হ’ল। সে হয়ত এটি প্রকাশ করেই ফেলত যদি না আমরা তার হৃদয়ে বল দিতাম, যেন সে মুমিনদের মধ্যেকার হয়।মাওলানা জহুরুল হক
অর্থাৎ, শিশু মূসার মা যখন জানতে পারলেন তাঁর কলিজার টুকরা শত্রুরই হাতে গিয়ে পড়েছে তখন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার কি কিয়ামত তার উপর দিয়ে যাচ্ছিল তা তার মতো কোন ভুক্তভোগী মায়ের পক্ষেই অনুমান করা সম্ভব। তখন হিতাহিত-জ্ঞানশূন্য হয়ে তিনি প্রায় বলেই ফেলছিলেন যে, ‘এটি আমার বাচ্চা! কিংবা হায় ‘আমার যাদুধন’ বলে চীৎকার দিয়েই ফেলছিলেন যদি না আল্লাহ তাআলা তাকে আটকে রাখতেন। আল্লাহ তাআলার তো নিজ ইচ্ছা বাস্তবায়ন করার ছিল। তিনি শিশুকে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেওয়ার ও তাকে নবী বানানোর ওয়াদাও করেছিলেন। সে ওয়াদায় যাতে মায়ের ঈমান পাকাপোক্ত থাকে তাই তিনি তার অন্তরে সবর ও সংযম ঢেলে দিচ্ছিলেন, যদ্দরুণ রহস্য ফাঁস করতে গিয়েও নিজেকে সামাল দিয়ে ফেলেন। -অনুবাদক
১০. আর মূসা-জননীর হৃদয় অস্থির হয়ে পড়েছিল। যাতে সে আস্থাশীল হয় সে জন্য আমরা তার হৃদয়কে দৃঢ় করে না দিলে সে তার পরিচয় তো প্ৰকাশ করেই দিত।
(১০) মূসা-জননীর হৃদয় অস্থির হয়ে পড়েছিল।(1) যাতে সে আস্থাশীল হয় সেজন্য তার হৃদয়কে আমি সুদৃঢ় করে না দিলে, সে তার পরিচয় তো প্রকাশ করেই দিত। (2)
(1) فَارِغ মানে শূন্য বা খালি। অর্থাৎ, তাঁর অন্তর প্রত্যেক বস্তুর চিন্তা হতে খালি হয়ে গিয়ে শুধুমাত্র মূসার চিন্তায় মগ্ন হয়ে পড়েছিল। যাকে অস্থির বা ব্যাকুল হওয়া বলা যেতে পারে।
(2) অর্থাৎ, দুঃখের কারণে এ কথা প্রকাশ করে দিতেন যে, এ শিশু আমার। কিন্তু মহান আল্লাহ তাঁর অন্তরকে সুদৃঢ় রাখলেন। সুতরাং তিনি ধৈর্যধারণ করলেন আর বিশ্বাস রাখলেন যে, আল্লাহ মূসাকে সকুশল ফিরিয়ে দেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা অবশ্যই পূর্ণ হবে।