نَتۡلُواْ عَلَيۡكَ مِن نَّبَإِ مُوسَىٰ وَفِرۡعَوۡنَ بِٱلۡحَقِّ لِقَوۡمٖ يُؤۡمِنُونَ

নাতলূ‘আলাইকা মিন নাবাই মূছা-ওয়াফির‘আওনা বিলহাক্কিলিকাওমিইঁ ইউ’মিনূন।উচ্চারণ

আমি মূসা ও ফেরাউনের কিছু যথাযথ বৃত্তান্ত তোমাকে শুনাচ্ছি এমনসব লোকদের সুবিধার্থে যারা ঈমান আনে। তাফহীমুল কুরআন

আমি যে সকল লোক ঈমান আনে তাদের কল্যাণার্থে মূসা ও ফির‘আওনের কিছু বৃত্তান্ত তোমাকে যথাযথভাবে পড়ে শোনাচ্ছি।মুফতী তাকী উসমানী

আমি তোমার নিকট মূসা ও ফির‘আউনের কিছু বৃত্তান্ত যথাযথভাবে বিবৃত করছি, মু’মিন সম্প্রদায়ের উদ্দেশে।মুজিবুর রহমান

আমি আপনার কাছে মূসা ও ফেরাউনের বৃত্তান্ত সত্য সহকারে বর্ণনা করছি ঈমানদার সম্প্রদায়ের জন্যে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

আমি তোমার নিকট মূসা ও ফির‘আওনের কিছু বৃত্তান্ত যথাযথভাবে বিবৃত করছি, মু’মিন সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তোমার কাছে পাঠ করছি মূসা ও ফির‘আউনের কিছু বৃত্তান্ত যথাযথভাবে, এমন লোকদের জন্য যারা ঈমান আনে।আল-বায়ান

আমি মূসা ও ফিরআউনের কাহিনী হতে কিছু তোমার কাছে সত্যিকারভাবে বিবৃত করছি বিশ্বাসী সম্প্রদায়ের উদ্দেশে।তাইসিরুল

আমরা তোমার কাছে মূসা ও ফিরআউনের কাহিনী থেকে যথাযথভাবে বিবৃত করছি সেই লোকদের জন্য যারা বিশ্বাস করে।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তুলনামূলক অধ্যয়নের জন্য দেখুন আল বাকারাহ ৬ রুকূ’, আল আ’রাফ, ১৩-১৬ রুকূ’, ইউনূস ৮-৯ রুকূ’, হূদ ৯ রুকূ’, বনী ইসরাঈল ১২ রুকূ’, মারয়াম ৪ রুকূ’, তা-হা ১-৪ রুকূ’, আল মু’মিনুন ৩ রুকূ’, আশ্ শু’আরা ২-৪ রুকূ’, আন নামল ১ রুকূ’, আল আনকাবুত ৪ রুকূ’, আল মু’মিন ৩-৫ রুকূ’, আয্ যুখরুফ ৫ রুকূ’, আদ্ দুখান ১ রুকূ’, আয্ যারিয়াত ২ রুকূ’ এবং আন্-নাযি’আত ১ রুকূ’।

অর্থাৎ যারা কথা মেনে নিতে প্রস্তুত নয় তাদেরকে কথা শুনানো তো অর্থহীন। তবে যারা মনের দুয়ারে একগুঁয়েমীর তালা ঝুলিয়ে রাখে না। এ আলোচনায় তাদেরকেই সম্বোধন করা হয়েছে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৩. আমরা আপনার কাছে মূসা ও ফিরআউনের কিছু বৃত্তান্ত যথাযথভাবে বিবৃত করছি(১), এমন সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে যারা ঈমান আনে।(২)

(১) তুলনামূলক অধ্যায়নের জন্য দেখুন: সূরা আল বাকারাহঃ ৬০–৭২, সূরা আল-আরাফঃ ১০৩–১৭৪, সূরা ইউনুসঃ ৭৫–৯২, সূরা হূদঃ ৯৬–১১০, সূরা আল-ইসরা ১০১–১০৪, সূরা মারয়ামঃ ৫১–৫২, সূরা ত্বা-হাঃ ৯–৯৯, সূরা আল মুমিনুনঃ ৪৫–৫০, সূরা আশ শু'আরাঃ ১০–৬৮, সূরা আন নামলঃ ৭–১৪, সূরা আল-আনকাবূতঃ ৩৯–৪০,সূরা আল-গাফিরঃ ২৩–৪৬, সূরা আয যুখরুফঃ ৪৬–৫৬, সূরা আদ দুখানঃ ১৭–৩৩, সূরা আয যারিয়াতঃ ৩৮–৪০ এবং সূরা আন-নাযিআতঃ ১৫–২৬ আয়াতসমূহ।

(২) অর্থাৎ যারা কথা মেনে নিতে প্ৰস্তুত নয় তাদেরকে কথা শুনানো তো অর্থহীন। তাই যারা মনের দুয়ারে একগুয়েমীর তালা বুলিয়ে রাখে না, এ আলোচনায় সেই মুমিনদেরকেই সম্বোধন করা হয়েছে। (দেখুন: ফাতহুল কাদীর)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৩) আমি তোমার নিকট বিশ্বাসী সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে মূসা ও ফিরআউনের বৃত্তান্ত যথাযথভাবে বিবৃত করছি। (1)

(1) মূসা (আঃ)-এর বৃত্তান্ত-বিবরণ এই কথারই প্রমাণ করে যে, মুহাম্মাদ (সাঃ) ছিলেন আল্লাহর সত্য রসূল। কারণ, আল্লাহর অহী ছাড়া বহু শতাব্দী পূর্বের ঘটনা হুবহু যেরূপ ঘটেছিল সেরূপ বর্ণনা করা অসম্ভব। তা সত্ত্বেও এর দ্বারা উপকার ঈমানদার ব্যক্তিদেরই হবে। কারণ, তারাই নবী (সাঃ)-এর কথা বিশ্বাস করবে।