ওয়া আন আতলুওয়াল কুরআ-না ফামানিহ তাদা-ফাইন্নামা-ইয়াহতাদী লিনাফছিহী ওয়া মান দাল্লা ফাকুল ইন্নামা আনা মিনাল মুনযিরীন।উচ্চারণ
এবং এ কুরআন পড়ে শুনাবার হুকুম দেয়া হয়েছে।” এখন যে হেদায়াত অবলম্বন করবে সে নিজেরই ভালোর জন্য হেদায়েত অলম্বন করবে এবং যে গোমরাহ হবে তাকে বলে দাও, আমি তো কেবলমাত্র একজন লোকজন সতর্ককারী। তাফহীমুল কুরআন
এবং আমি যেন কুরআন তিলাওয়াত করি। যে ব্যক্তি হেদায়াতের পথে আসবে, সে হেদায়াতের পথে আসবে নিজেরই কল্যাণার্থে। আর কেউ পথভ্রষ্টতা অবলম্বন করলে বলে দাও, আমি তো সতর্ককারীদেরই একজন।মুফতী তাকী উসমানী
আমি আরও আদিষ্ট হয়েছি কুরআন আবৃত্তি করতে। অতঃপর যে ব্যক্তি সৎ পথ অনুসরণ করে, সে তা অনুসরণ করে নিজেরই কল্যাণের জন্য এবং কেহ ভ্রান্ত পথ অবলম্বন করলে তুমি বলঃ আমিতো শুধু সর্তককারীদের মধ্যে একজন।মুজিবুর রহমান
এবং যেন আমি কোরআন পাঠ করে শোনাই। পর যে ব্যক্তি সৎপথে চলে, সে নিজের কল্যাণার্থেই সৎপথে চলে এবং কেউ পথভ্রষ্ট হলে আপনি বলে দিন, আমি তো কেবল একজন ভীতি প্রদর্শনকারী।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আমি আরও আদিষ্ট হয়েছি, কুরআন তিলাওয়াত করতে; অতএব যে ব্যক্তি সৎপথ অনুসরণ করে, সে সৎপথ অনুসরণ করে নিজেরই কল্যাণের জন্যে। আর কেউ ভ্রান্ত পথ অবলম্বন করলে তুমি বল, ‘আমি তো কেবল সতর্ককারীদের মধ্যে একজন।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আর আমি যেন আল-কুরআন অধ্যয়ন করি, অতঃপর যে হিদায়াত লাভ করল সে নিজের জন্য হিদায়াত লাভ করল; আর যে পথভ্রষ্ট হল তাকে বল, ‘আমি তো সতর্ককারীদের অন্তর্ভুক্ত।’আল-বায়ান
আর আমি যেন কুরআন তিলাওয়াত করি। অতঃপর যে সঠিক পথে চলবে, সে নিজের কল্যাণেই সঠিক পথে চলবে। আর কেউ গুমরাহ্ হলে তুমি বল, আমি তো সতর্ককারীদের একজন।তাইসিরুল
আর যেন আমি কুরআন পাঠ করতে পারি।" সুতরাং যে কেউ সৎপথ অনুসরণ করে, সে তবে নিঃসন্দেহ সৎপথে চলে তার নিজেরই জন্যে, আর যে কেউ বিপথে যায় তবে বলো -- "আমি তো কেবল সতর্ককারীদেরই একজন।মাওলানা জহুরুল হক
৯২. আমি আরো আদেশপ্রাপ্ত হয়েছি, কুরআন তিলাওয়াত করতে(১); অতঃপর যে ব্যক্তি সৎপথ অনুসরণ করে, সে সৎপথ অনুসরণ করে নিজেরই কল্যাণের জন্য। আর কেউ ভুল পথ অনুসরণ করলে, আপনি বলুন, “আমি তো শুধু সতর্ককারীদের একজন৷”
(১) উপরোক্ত দুটি আয়াত থেকে জানা গেল যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দুটি কাজের নির্দেশ বিশেষভাবে প্রদান করা হয়েছে। এক, তাওহীদ তথা একমাত্র আল্লাহরই ইবাদাত করতে। দুই, কুরআন তিলাওয়াত করতে। মানুষকে এ তেলাওয়াত শোনাতে ও তাদের কাছে পয়গাম পৌছাতে। অর্থাৎ তিনি তো শুধু প্রচারকারী ও ভীতিপ্রদর্শনকারী। তারপর যদি কেউ হেদায়াত গ্ৰহণ করে তবে সেটা তার নিজেরই উপকারার্থে, আর যদি পথভ্রষ্ট হয়, তবে সেটার ভারও তার নিজের উপর। রাসূলের উপর এর দায়-দায়িত্ব বর্তবে না। তাই রাসূলকে বলতে বলা হয়েছে যে, যদি কেউ পথভ্রষ্ট হয়, তবে আমি তো কেবল অন্যান্য নবী-রাসূলদের মত ভীতি প্রদর্শন করতে পারি। তারা যেভাবে তাদের সম্প্রদায়কে ভীতি প্রদর্শন করেই তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন, সেভাবে আমিও তাদের অনুসরণ করব। তারপর সে সমস্ত সম্প্রদায়ের হিসাবের দায়িত্ব আল্লাহরই উপর। (ইবন কাসীর)
(৯২) আরও আদিষ্ট হয়েছি কুরআন আবৃত্তি করতে; অতএব যে ব্যক্তি সৎপথ অনুসরণ করে, সে তা করে নিজেরই কল্যাণের জন্য এবং কেউ ভ্রান্তপথ অবলম্বন করলে তুমি বল, ‘আমি তো কেবল একজন সতর্ককারী।’ (1)
(1) অর্থাৎ, আমার কাজ শুধু পৌঁছে দেওয়া। আমার দাওয়াত ও তবলীগে যারা মুসলমান হবে, উপকার তাদেরই হবে। কারণ, তারা আল্লাহর শাস্তি হতে বেঁচে যাবে। আর যারা আমার দাওয়াত গ্রহণ করবে না, এতে আমার কোন ক্ষতি হবে না। মহান আল্লাহ নিজে তাদের হিসাব নেবেন ও জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করাবেন।