قَالَ نَكِّرُواْ لَهَا عَرۡشَهَا نَنظُرۡ أَتَهۡتَدِيٓ أَمۡ تَكُونُ مِنَ ٱلَّذِينَ لَا يَهۡتَدُونَ

ক-লা নাক্কিরূলাহা- ‘আরশাহা- নানজু র আতাহতাদীআম তাকূনুমিনাল্লাযীনা লা ইয়াহতাদূন।উচ্চারণ

সুলাইমান ৫০ বললো, “সে চিনতে না পারে এমনভাবে সিংহাসনটি তার সামনে রেখে দাও, দেখি সে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছে যায় কিনা অথবা যারা সঠিক পথ পায় না তাদের অর্ন্তভুক্ত হয়।” ৫১ তাফহীমুল কুরআন

সুলাইমান (তাঁর অনুচরদেরকে) বলল, তোমরা রাণীর সিংহাসনটিকে তার পক্ষে অচেনা বানিয়ে দাও, #%২০%# দেখি সে এর দিশা পায়, না কি সে যারা সত্যে উপনীত হতে পারে না তাদের অন্তর্ভুক্ত?মুফতী তাকী উসমানী

সুলাইমান বললঃ তার সিংহাসনের আকৃতি বদলে দাও; দেখি সে সঠিক দিশা পায়, না কি সে বিভ্রান্তের অন্তর্ভুক্ত হয়।মুজিবুর রহমান

সুলায়মান বললেন, বিলকীসের সামনে তার সিংহাসনের আকার-আকৃতি বদলিয়ে দাও, দেখব সে সঠিক বুঝতে পারে, না সে তাদের অন্তর্ভুক্ত, যাদের দিশা নেই ?মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

সুলায়মান বলল, ‘তার সিংহাসনের আকৃতি অপরিচিত করে বদলিয়ে দাও; দেখি সে সঠিক দিশা পায়, না সে বিভ্রান্তদের শামিল হয়; ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুলাইমান বলল, ‘তোমরা তার জন্য তার সিংহাসনের আকার-আকৃতি পরিবর্তন করে দাও। দেখব সে সঠিক দিশা পায় নাকি তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়ে, যারা সঠিক দিশা পায় না’।আল-বায়ান

সুলাইমান বলল- ‘তার সিংহাসনের আকৃতি বদলে দাও, অতঃপর আমরা দেখি, সে (তার নিজের পৌঁছার পূর্বেই আলৌকিকভাবে তার সিংহাসন সুলায়মানের দরবারে রক্ষিত দেখে সত্য) পথের দিশা পায়, না যারা পথের দিশা পায় না সে তাদের অন্তর্ভুক্ত।তাইসিরুল

তিনি বললেন -- "তার সিংহাসনখানা তারজন্য বদলে দাও, আমরা দেখতে চাই সে সৎপথ অবলন্বন করে, না সে তাদের দলের হয় যারা সৎপথে চলে না।"মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৫০

রাণী কিভাবে বাইতুল মাকদিসে পৌঁছে গেলেন এবং কিভাবে তাঁকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হলো সে ঘটনা মাঝখানে উহ্য রাখা হয়েছে। এ ঘটনার কথা আলোচনা না করে এবার এখানে যখন তিনি হযরত সুলাইমানের সাথে সাক্ষাত করার জন্য তাঁর মহলে পৌঁছে গেলেন তখনকার কথা আলোচনা করা হচ্ছে।

৫১

তাৎপর্যপূর্ণ বাক্য। এর অর্থ হচ্ছে, হঠাৎ তিনি স্বদেশ থেকে এত দূরে নিজের সিংহাসন দেখে একথা বুঝতে পারেন কি না যে এটা তাঁরই সিংহাসন এবং এটা উঠিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। আবার এ বিস্ময়কর মু’জিযা দেখে তিনি সত্য-সঠিক পথের সন্ধান পান অথবা নিজের ভ্রষ্টতার মধ্যে অবস্থান করতে থাকেন কিনা এ অর্থও এর মধ্যে নিহিত রয়েছে।

যারা বলেন, হযরত সুলাইমান (আ) এ সিংহাসন হস্তগত করতে চাচ্ছিলেন, এ থেকে তাদের ধারণার ভ্রান্তি প্রমাণিত হয়। এখানে তিনি নিজেই প্রকাশ করছেন, রাণীকে সঠিক পথপ্রদর্শনের জন্যই তিনি এ পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। অন্য কোন উদ্দেশ্যে নয়।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

‘এটিকে অচেনা বানিয়ে দাও’, অর্থাৎ, এর আকৃতিতে এমন কোন পরিবর্তন আন, যাতে এটি চিনতে তার কষ্ট হয় এবং এর দ্বারা তার বুদ্ধিমত্তা যাচাই করা যায়।

তাফসীরে জাকারিয়া

৪১. সুলাইমান বললেন, তোমরা তার সিংহাসনের আকৃতি তার কাছে অপরিচিত করে বদলে দাও; দেখি সে সঠিক দিশা পায়, না সে তাদের অন্তর্ভুক্ত যাদের দিশা নেই।(১)

(১) এর অর্থ হচ্ছে, হঠাৎ তিনি স্বদেশ থেকে এত দূরে নিজের সিংহাসন দেখে একথা বুঝতে পারেন কি না যে এটা তারই সিংহাসন এবং এটা উঠিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। আবার এ বিস্ময়কর মু'জিযা দেখে তিনি সত্য-সঠিক পথের সন্ধান পান অথবা নিজের ভ্ৰষ্টতার মধ্যে অবস্থান করতে থাকেন কি না এ অৰ্থও এর মধ্যে নিহিত রয়েছে। (দেখুন: ইবন কাসীর; ফাতহুল কাদীর)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৪১) (সুলাইমান) বলল, ‘তার সিংহাসনের আকৃতি বদলে দাও;(1) দেখি সে সঠিক চিনতে পারে, নাকি সে বিভ্রান্ত হয়?’ (2)

(1) অর্থাৎ, তার রং, রূপ বা আকারে পরিবর্তন করে দাও।

(2) অর্থাৎ, দেখি সে জানতে পারে যে, সিংহাসনটি তার, নাকি জানতে পারে না। দ্বিতীয় অর্থ, সে হিদায়াত পায় কি, পায় না। অর্থাৎ এত বড় মু’জিযা দেখার পরও সে সঠিক (ঈমানের) পথ পায়, না পায় না।