ওয়া আলকি‘আসা-কা ফালাম্মা-রআ-হা-তাহতাঝঝুকাআন্নাহা-জাননুওঁ ওয়াল্লামুদবিরওঁ ওয়ালাম ইউ‘আক্কিব ইয়া-মূছা-লা-তাখাফ ইন্নী লা-ইয়াখা-ফূ লাদাইয়াল মুরছালূন।উচ্চারণ
এবং তুমি তোমার লাঠিটি একটু ছুঁড়ে দাও।” যখনই মূসা দেখলো লাঠি সাপের মত মোচড় খাচ্ছে ১২ তখনই পেছন ফিরে ছুটতে লাগলো এবং পেছন দিকে ফিরেও দেখলো না। “হে মূসা! ভয় পেয়ো না, আমার সামনে রসূলরা ভয় পায় না। ১৩ তাফহীমুল কুরআন
তোমার লাঠি নিচে ফেলে দাও। অনন্তর সে যখন দেখল সেটি এমনভাবে নড়াচড়া করছে, যেন সেটি একটি সাপ, অমনি সে পেছন দিকে পালাতে লাগল, আর ফিরে তাকাল না। (বলা হল) হে মূসা ভয় পেও না। যাকে নবী বানানো হয়, আমার নিকটে তার কোন ভয় থাকে না।মুফতী তাকী উসমানী
তুমি তোমার লাঠি নিক্ষেপ কর, অতঃপর যখন সে ওটাকে সর্পের ন্যায় ছুটাছুটি করতে দেখল তখন সে পিছনের দিকে ছুটতে লাগল এবং ফিরেও তাকালনা। বলা হলঃ হে মূসা! ভীত হয়োনা, নিশ্চয়ই আমি এমন, আমার সান্নিধ্যে রাসূলগণ ভয় পায়না।মুজিবুর রহমান
আপনি নিক্ষেপ করুন আপনার লাঠি। অতঃপর যখন তিনি তাকে সর্পের ন্যায় ছুটাছুটি করতে দেখলেন, তখন তিনি বিপরীত দিকে ছুটতে লাগলেন এবং পেছন ফিরেও দেখলেন না। হে মূসা, ভয় করবেন না। আমি যে রয়েছি, আমার কাছে পয়গম্বরগণ ভয় করেন না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
‘তুমি তোমার লাঠি নিক্ষেপ কর।’ এরপর যখন সে একে সর্পের ন্যায় ছুটাছুটি করতে দেখল তখন সে পিছনের দিকে ছুটিতে লাগল এবং ফিরেও তাকাল না। বলা হল, ‘হে মূসা! ভীত হয়ো না, নিশ্চয়ই আমি এমন, আমার সান্নিধ্যে রাসূলগণ ভয় পায় না; ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তুমি তোমার লাঠি নিক্ষেপ কর। তারপর যখন সে ওটাকে সাপের মত ছোটাছুটি করতে দেখল, তখন সে পেছনের দিকে ছুটতে লাগল এবং ফিরে তাকাল না। ‘হে মূসা! তুমি ভয় করো না, নিশ্চয় আমার কাছে রাসূলগণ ভয় পায় না’।আল-বায়ান
তুমি তোমার লাঠি নিক্ষেপ কর; অতঃপর যখন সে ওটাকে ছুটাছুটি করতে দেখল যেন ওটা একটা সাপ, তখন সে পেছনের দিকে ছুটতে লাগল এবং ফিরেও দেখল না। (তখন বলা হল) হে মূসা! তুমি ভয় করো না, নিশ্চয়ই আমার কাছে রসূলগণ ভয় পায় না।তাইসিরুল
"আর তোমার লাঠি ছুঁড়ে মার।" তারপর যখন তিনি এটিকে দেখলেন দৌড়ছে -- যেন এটি একটি সাপ, তিনি তখন পেছন দিকে ছুটলেন আর ঘুরে দেখলেন না। "হে মূসা, ভয় করো না, নিঃসন্দেহ রসূলগণ আমার সামনে ভয় করে না,মাওলানা জহুরুল হক
১২
সূরা আ’রাফে ও সূরা শু’আরাতে এজন্য ثُعْبَانٌ (অজগর) শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু এখানে একে جَانٌّ শব্দের মাধ্যমে প্রকাশ করা হচ্ছে। “জান” শব্দটি বলা হয় ছোট সাপ অর্থে। এখানে “জান” শব্দ ব্যবহার করার কারণ হচ্ছে এই যে, দৈহিক দিক দিয়ে সাপটি ছিল অজগর কিন্তু তার চলার দ্রুততা ছিল ছোট সাপদের মতো। সূরা তা-হা-য় حَيَّةٌ تَسْعَى (ছুটন্ত সাপ) এর মধ্যেও এ অর্থই বর্ণনা করা হয়েছে।
১৩
অর্থাৎ আমার কাছে রসূলদের ক্ষতি হবার কোন ভয় নেই। রিসালাতের মহান মর্যাদায় অভিসিক্ত করার জন্য যখন আমি কাউকে নিজের কাছে ডেকে আনি তখন আমি নিজেই তার নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়ে থাকি। তাই যে কোন প্রকার অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটলেও রসুলকে নির্ভীক ও নিশ্চিন্ত থাকা উচিত। আমি তার জন্য কোন প্রকার ক্ষতিকারক হবো না।
১০. আর আপনি আপনার লাঠি নিক্ষেপ করুন। তারপর যখন তিনি সেটাকে সাপের মত ছুটোছুটি করতে দেখলেন তখন তিনি পিছনের দিকে ছুটতে লাগলেন(১) এবং ফিরেও তাকালেন না। হে মূসা! ভীত হবেন না, নিশ্চয় আমি এমন যে, আমার সান্নিধ্যে রাসূলগণ ভয় পায় না(২);
(১) সূরা আল-আ’রাফে ও সূরা আশ-শু'আরাতে এ জন্য (ثعبان) (অজগর) শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু এখানে একে جانّ শব্দের মাধ্যমে প্ৰকাশ করা হচ্ছে। “জান” শব্দটি বলা হয় ছোট সাপ অৰ্থে। এখানে “জান” শব্দ ব্যবহার করার কারণ হচ্ছে এই যে, দৈহিক দিক দিয়ে সাপটি ছিল অজগর। কিন্তু তার চলার দ্রুততা ছিল ছোট সাপদের মতো। সূরা ত্বা-হা-য় (حَيَّةٌ تَسْعَىٰ) (ছুটন্ত সাপ) এর মধ্যেও এ অর্থই বর্ণনা করা হয়েছে।
(২) অর্থাৎ আমার কাছে রাসূলদের ক্ষতি হবার কোন ভয় নেই। রিসালাতের মহান মর্যাদায় অভিষিক্ত করার জন্য যখন আমি কাউকে নিজের কাছে ডেকে আনি তখন আমি নিজেই তার নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়ে থাকি। (দেখুন, ইবন কাসীর)
(১০) তুমি তোমার লাঠি নিক্ষেপ কর।’ অতঃপর যখন সে ওকে সাপের মত ছুটাছুটি করতে দেখল তখন পিছনে না তাকিয়ে সে বিপরীত দিকে ছুটতে লাগল। (আমি বললাম,) ‘হে মূসা! ভয় পেয়ো না; (1) আমার কাছে তো রসূলরা ভয় পায় না।
(1) এখান হতে জানা যায় যে, নবীরা অদৃশ্যের (গায়বের) সংবাদ জানতেন না। তাছাড়া মূসা (আঃ) নিজের হাতের লাঠি হতে ভয় পেতেন না। দ্বিতীয়তঃ প্রকৃতিগত ভয় নবীদেরও হয় যেহেতু তাঁরাও ছিলেন মানুষ।