ফা‘আকারূহা-ফাআছবাহূনা-দিমীন।উচ্চারণ
তারা তার পায়ের গিঁঠের রগ কেটে দিল ১০৫ এবং শেষে অনুতপ্ত হতে থাকলো। তাফহীমুল কুরআন
অতঃপর (এই ঘটল যে) তারা উটনীটির পায়ের রগ কেটে ফেলল। তারপর তারা অনুতপ্ত হল। #%৪৩%#মুফতী তাকী উসমানী
কিন্তু তারা ওকে বধ করল, পরিণামে তারা অনুতপ্ত হল।মুজিবুর রহমান
তারা তাকে বধ করল ফলে, তারা অনুতপ্ত হয়ে গেল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
কিন্তু এরা একে বধ করল, পরিণামে এরা অনুতপ্ত হল। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর তারা সেটি জবেহ করল; ফলে তারা অনুতপ্ত হল।আল-বায়ান
কিন্তু তারা তাকে বধ করল, ফলে তারা অনুতপ্ত হল।তাইসিরুল
কিন্ত তারা এটিকে হত্যা করলে, পরিণামে সকাল-সকালই তারা পরিতাপকারী হল।মাওলানা জহুরুল হক
১০৫
এর অর্থ এ নয় যে, সালেহের এ চ্যালেঞ্জ শোনার সাথে সাথেই তারা উটনীর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং তার পায়ের রগ কেটে দেয়। বরং দীর্ঘদিন পর্যন্ত এ উটনীটি সমগ্র জাতির জন্য একটি সমস্যা হয়ে থাকে। লোকেরা মনে মনে এর বিরুদ্ধে ফুঁসতে থাকে। পরামর্শ করতে থাকে। শেষমেশ জাতিকে এ আপদমুক্ত করার দায়িত্ব গ্রহণ করে একজন কাণ্ডজ্ঞানহীন সরদার। সূরা আশ্ শামসে এ ব্যক্তির উল্লেখ এভাবে করা হয়েছেঃ إِذِ انْبَعَثَ أَشْقَاهَا “যখন এ জাতির সবচেয়ে বড় পাপিষ্ঠ লোকটি উদ্যোগী হলো” এবং সূরা আল কামারে বলা হয়েছেঃ فَنَادَوْا صَاحِبَهُمْ فَتَعَاطَى فَعَقَرَ তারা নিজেদের সাথীকে আহ্বান জানালো, শেষ পর্যন্ত সে একাজটি নিজের দায়িত্বে নিয়ে নিল এবং সে গিঁঠের রগ কেটে দিল।”
তাদের সে অনুতাপ তওবার উদ্দেশ্যে ছিল না। আল্লাহ তাআলার হুকুম অমান্য করেছিল বলে যে তাদের মনে অনুশোচনা জেগেছিল তা নয়; বরং উটনী হত্যার কারণে যে শীঘ্রই আযাব এসে যাবে, আর বেশিদিন দুনিয়ার মজা লোটা যাবে না, সে কারণেই অনুতপ্ত হয়েছিল। -অনুবাদক
১৫৭. অতঃপর তারা সেটাকে হত্যা করল, পরিণামে তারা অনুতপ্ত হল।
(১৫৭) কিন্তু ওরা ওকে হত্যা করল, (1) পরিণামে ওরা অনুতপ্ত হল। (2)
(1) অর্থাৎ, এই উটনী মহান আল্লাহর ক্ষমতার এক বিশাল নিদর্শন এবং নবীর সত্যতার প্রমাণ হওয়া সত্ত্বেও সামূদ জাতি ঈমান আনল না এবং কুফর ও শিরকের রাস্তায় অটল থাকল। আর তাদের অবাধ্যতা এত বেশি বৃদ্ধি পেল যে, শেষ পর্যন্ত আল্লাহর কুদরতের জলজ্যান্ত নিদর্শন উটনীর পা কেটে ফেলল, যার কারণে সে বসে পড়ল ও পরে তারা তাকে হত্যা করল!
(2) এটি তখন ঘটল যখন সালেহ (আঃ) উটনী হত্যার পর বললেন, তোমাদেরকে মাত্র তিন দিনের অবকাশ দেওয়া হল। চতুর্থ দিন তোমাদেরকে ধ্বংস করে দেওয়া হবে। এরপর যখন সত্য সত্যই আযাবের নিদর্শনসমূহ প্রকাশ পেতে শুরু করল, তখন তাদের পক্ষ হতে অনুশোচনা প্রকাশ পেল। কিন্তু আযাবের নিদর্শন দেখে নেওয়ার পর অনুশোচনা ও তওবা কোনই কাজে আসে না।