قَالَ فِرۡعَوۡنُ وَمَا رَبُّ ٱلۡعَٰلَمِينَ

ক-লা ফির‘আওনুওয়ামা-রব্বুল ‘আ-লামীন।উচ্চারণ

ফেরাউন বললো, ১৯ “রব্বুল আলামীন আবার কে?” ২০ তাফহীমুল কুরআন

ফেরাউন বলল, রাব্বুল আলামীন আবার কী?মুফতী তাকী উসমানী

ফির‘আউন বললঃ জগতসমূহের রাব্ব আবার কি?মুজিবুর রহমান

ফেরাউন বলল, বিশ্বজগতের পালনকর্তা আবার কি?মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

ফির‘আওন বলল, ‘জগতসমূহের প্রতিপালক আবার কী ?’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফির‘আউন বলল, ‘সৃষ্টিকুলের রব কে?’আল-বায়ান

ফেরাউন বলল : ‘বিশ্বজগতের প্রতিপালক আবার কী?’তাইসিরুল

ফিরআউন বললে -- "বিশ্বজগতের প্রভু আবার কি হয়?"মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১৯

হযরত মূসাকে ফেরাউনের কাছে যে বাণী পৌঁছাবার জন্য পাঠানো হয়েছিল তিনি নিজেকে রব্বুল আলামীনের রসূল হিসেবে পেশ করে তা তাকে শুনিয়ে দিয়েছিলেন, এ বিস্তারিত বিবরণটি এখানে বাদ দেয়া হয়েছে। একথা স্বতঃস্ফুর্তভাবে প্রকাশিত যে, যে বাণী পৌঁছিয়ে দেয়ার জন্য নবীকে নিযুক্ত করা হয়েছিল তিনি নিশ্চয় তা পৌঁছিয়ে দিয়ে থাকবেন। তাই তা উল্লেখ করার কোন প্রয়োজন ছিল না। সেটি বাদ দিয়ে এবার এমন সংলাপ উদ্ধৃত করা হয়েছে যা এ বাণী প্রচারের পর ফেরাউন ও মূসার মধ্যে হয়েছিল।

২০

এ প্রশ্নটি করা হয় হযরত মূসার উক্তির ওপর ভিত্তি করে। তিনি বলেন, আমি রব্বুল আলামীনের (সমস্ত বিশ্ব-জাহানের মালিক, প্রভু ও শাসকের) পক্ষ থেকে প্রেরিত হয়েছি এবং এজন্য প্রেরিত হয়েছি যে, তুমি বনী ইসরাঈলকে আমার সাথে যেতে দেবে। এটি ছিল সুস্পষ্ট রাজনৈতিক বক্তব্য। এর পরিষ্কার অর্থ ছিল, হযরত মূসা যার প্রতিনিধিত্বের দাবীদার তিনি সারা বিশ্ব-জাহানের সকল সৃষ্টির ওপর সার্বভৌম কর্তৃত্ব ও শাসনের অধিকারী এবং তিনি ফেরাউনকে নিজের অনুগত গণ্য করে তার শাসন কর্তৃত্বের পরিসরে একজন ঊর্ধ্বতন শাসনকর্তা হিসেবে কেবল হস্তক্ষেপই করছেন না বরং তার নামে এ ফরমানও পাঠাচ্ছেন যে, তোমার প্রজাদের একটি অংশকে আমার মনোনীত প্রতিনিধির হাতে সোপর্দ করো, যাতে সে তাদেরকে তোমার রাষ্ট্রসীমার বাইরে বের করে আনতে পারে। এ কথায় ফেরাউন জিজ্ঞেস করছে, এ সারা বিশ্ব-জাহানের মালিক ও শাসনকর্তাটি কে? যিনি মিসরের বাঁদশাহকে তার প্রজাকূলের অর্ন্তভুক্ত সামান্য এক ব্যক্তির মাধ্যমে এ ফরমান পাঠাচ্ছেন?

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

২৩. ফিরআউন বলল, সৃষ্টিকুলের রব আবার কী?

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২৩) ফিরআউন বলল, ‘বিশ্বজগতের প্রতিপালক আবার কি?’ (1)

(1) এটি সে প্রশ্ন স্বরূপ জিজ্ঞাসা করেনি বরং গর্ব ও অহংকারবশতঃ জিজ্ঞাসা করেছিল। কারণ, তার দাবী ছিল,{مَا عَلِمْتُ لَكُم مِّنْ إِلَهٍ غَيْرِي}  অর্থাৎ, আমি ছাড়া তোমাদের জন্য কোন মা’বূদকেই জানি না। (সূরা কাসাস ৩৮ নং আয়াত)