ওয়া লাকাদ আতাও ‘আলাল কারয়াতিল্লাতীউমতিরত মাতারছছাওই আফালাম ইয়াকূনূইয়ারওনাহা- বাল ক-নূলা-ইয়ারজূনা নুশূর-।উচ্চারণ
আর সেই জনপদের ওপর দিয়ে তো তারা যাতায়াত করেছে যার ওপর নিকৃষ্টতম বৃষ্টি বর্ষণ করা হয়েছিল। ৫৩ তারা কি তার অবস্থা দেখে থাকেনি? কিন্তু তারা মৃত্যুর পরের জীবনের আশাই করে না। ৫৪ তাফহীমুল কুরআন
তারা (অর্থাৎ মক্কার কাফেরগণ) সেই জনপদের উপর দিয়ে যাতায়াত করেছে, যার উপর বর্ষণ করা হয়েছিল মন্দ (পাথরের) বৃষ্টি। #%২১%# তারা কি সে জনপদটিকে দেখতে পেত না? (তা সত্ত্বেও তাদের শিক্ষালাভ হয়নি); বরং পুনরুত্থিত হওয়ার আশঙ্কাই তারা করত না।মুফতী তাকী উসমানী
তারাতো সেই জনপদ দিয়েই যাতায়াত করে যার উপর বর্ষিত হয়েছিল অকল্যাণের বৃষ্টি; তাহলে কি তারা এটা প্রত্যক্ষ করেনা? বস্তুতঃ তারা পুনরুত্থানের আশংকা করেনা।মুজিবুর রহমান
তারা তো সেই জনপদের উপর দিয়েই যাতায়াত করে, যার ওপর বর্ষিত হয়েছে মন্দ বৃষ্টি। তবে কি তারা তা প্রত্যক্ষ করে না? বরং তারা পুনরুজ্জীবনের আশঙ্কা করে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এরা তো সেই জনপদ দিয়েই যাতায়াত করে যার ওপর বর্ষিত হয়েছিল অকল্যাণের বৃষ্টি, তবে কি এরা এটা প্রত্যক্ষ করে না ? বস্তুত এরা পুনরুত্থানের আশংকা করে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর অবশ্যই তারা সে জনপদ দিয়ে অতিক্রম করেছে, যাতে অকল্যাণের বৃষ্টি বর্ষিত হয়েছিল। তবে কি তারা তা দেখেনি? বরং তারা পুনরুত্থানের প্রত্যাশা করত না।আল-বায়ান
তারা (অর্থাৎ কাফিররা) তো সে জনপদ দিয়েই অতিক্রম করে যার উপর বর্ষিত হয়েছিল অকল্যাণের বৃষ্টি, তারা কি তা দেখে না? আসলে তারা পুনরুত্থানের কথা চিন্তা করে না।তাইসিরুল
আর তারা তো সে জনপদের পাশ দিয়েই যাতায়াত করে যার উপরে আমরা বর্ষণ করেছিলাম এক অশুভ বৃষ্টি। তারা কি তবে এটি দেখতে পায় নি? না, তারা পুনরুত্থানের প্রত্যাশা করে না।মাওলানা জহুরুল হক
৫৩
অর্থাৎ লূত জাতির জনপদ। নিকৃষ্টতম বৃষ্টি মানে পাথর বৃষ্টি। কুরআনের বিভিন্ন জায়গায় একথা বলা হয়েছে। হিজায বাসীদের বাণিজ্য কাফেলা ফিলিস্তিন ও সিরিয়া যাবার পথে এ এলাকা অতিক্রম করতো। সেখানে তারা কেবল ধ্বংসাবশেষ দেখতো না বরং আশপাশের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মুখে লূত জাতির শিক্ষণীয় ধ্বংস কাহিনীও শুনতো।
৫৪
অর্থাৎ যেহেতু তারা পরকাল বিশ্বাস করে না তাই নিছক একজন দর্শক হিসেবে এ ধ্বংসাবশেষ প্রত্যক্ষ করেছে। এ থেকে কোন শিক্ষা নেয়নি। এ থেকে জানা যায়, পরকাল বিশ্বাসী ও পরকাল অবিশ্বাসীর দৃষ্টির মধ্যে রয়েছে কত বড় ফারাক। একজন নিছক ঘটনা বা কীর্তিকলাপ দেখে অথবা বড়জোড় ইতিহাস রচনা করে। কিন্তু অন্যজন ঐসব জিনিস থেকেই নৈতিক শিক্ষা গ্রহণ করে এবং জীবনের অন্তরালে প্রচ্ছন্ন প্রকৃত সত্যের নাগাল পায়।
ইশারা হযরত লূত আলাইহিস সালামের সম্প্রদায়ের প্রতি। সূরা হুদে (১১ : ৭৭-৮৩) তাদের ঘটনা চলে গেছে।
৪০. আর তারা তো সে জনপদ দিয়েই যাতায়াত করে যার উপর বর্ষিত হয়েছিল অকল্যাণের বৃষ্টি, তবে কি তারা এসব দেখতে পায় না?(১) বস্তুত তারা পুনরুত্থানের আশাই করে না।
(১) অর্থাৎ লুত জাতির জনপদ। নিকৃষ্টতম বৃষ্টি মানে পাথর বৃষ্টি। কুরআনের বিভিন্ন জায়গায় একথা বলা হয়েছে। হিজায বাসীদের বানিজ্য কাফেলা ফিলিস্তিন ও সিরিয়া যাবার পথে এ এলাকা অতিক্রম করতো। সেখানে তারা কেবল ধ্বংসাবশেষ দেখতো না বরং আশপাশের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মুখে লুত জাতির শিক্ষণীয় ধ্বংস কাহিনীও শুনতো। (দেখুন: কুরতুবী, ফাতহুল কাদীর)
(৪০) তারা তো সে জনপদ দিয়েই যাতায়াত করে, যার উপর অকল্যাণের বৃষ্টি বর্ষিত হয়েছিল, (1) তবে কি ওরা এ প্রত্যক্ষ করে না? বস্তুতঃ ওরা পুনরুত্থানের আশংকা করে না। (2)
(1) ‘জনপদ’ বা বসতি বলতে লূত জাতির বসতি সাদূম ও আম্মূরাহকে বোঝানো হয়েছে। এবং ‘অকল্যাণের বৃষ্টি’ বলতে পাথরের বৃষ্টি বুঝানো হয়েছে। ঐ সমস্ত গ্রামকে উল্টে দেওয়া হয়েছিল ও পরে তাদের উপর পাথরের বৃষ্টি বর্ষানো হয়েছিল। যেমন সূরা হুদ ৮২নং আয়াতে বলা হয়েছে। এই সমস্ত জনপদ সিরিয়া ও প্যালেস্টাইনের রাস্তায় অবস্থিত ছিল, যে রাস্তা দিয়ে মক্কার লোকেরা যাতায়াত করত।
(2) সেই কারণে এই ধ্বংস হয়ে যাওয়া বসতি ও তার ধ্বংসাবশেষ দেখেও তারা উপদেশ গ্রহণ করে না এবং আল্লাহর আয়াত ও রসূলকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করা হতে বিরত থাকে না।