ٱلۡمُلۡكُ يَوۡمَئِذٍ ٱلۡحَقُّ لِلرَّحۡمَٰنِۚ وَكَانَ يَوۡمًا عَلَى ٱلۡكَٰفِرِينَ عَسِيرٗا

আলমুলকুইয়াওমাইযিনিল হাক্কুলিররহমা-নি ওয়া ক-না ইয়াওমান ‘আলাল কাফিরীনা ‘আছীর-।উচ্চারণ

সেদিন প্রকৃত রাজত্ব হবে শুধুমাত্র দয়াময়ের ৩৯ এবং সেটি হবে অস্বীকারকারীদের জন্য বড়ই কঠিন দিন। তাফহীমুল কুরআন

সে দিন সত্যিকারের রাজত্ব হবে দয়াময় (আল্লাহ)-এর আর সে দিনটি কাফেরদের জন্য হবে অতি কঠিন।মুফতী তাকী উসমানী

সেদিন প্রকৃত রাজত্ব হবে দয়াময় আল্লাহর এবং কাফিরদের জন্য সেদিন হবে কঠিন।মুজিবুর রহমান

সেদিন সত্যিকার রাজত্ব হবে দয়াময় আল্লাহর এবং কাফেরদের পক্ষে দিনটি হবে কঠিন।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

সেদিন কর্তৃত্ব হবে বস্তুত দয়াময়ের এবং কাফিরদের জন্যে সেদিন হবে কঠিন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেদিন প্রকৃত সার্বভৌমত্ব হবে পরম করুণাময়ের। আর সে দিনটি কাফিরদের জন্য বড়ই কঠিন।আল-বায়ান

সেদিন সত্যিকারের কর্তৃত্ব হবে দয়াময় (আল্লাহ)’র এবং কাফিরদের জন্য দিনটি হবে কঠিন।তাইসিরুল

সার্বভৌমত্ব সেইদিন সত্যি-সত্যি পরম করুণাময়ের। আর অবিশ্বাসীদের জন্য সেই দিনটি হবে বড় কঠিন!মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৩৯

অর্থাৎ যে সমস্ত নকল রাজত্ব ও রাজ্যশাসন দুনিয়ায় মানুষকে প্রতারিত করে তা সবই খতম হয়ে যাবে। সেখানে কেবলমাত্র একটি রাজত্বই বাকি থাকবে এবং তা হবে এ বিশ্ব-জাহানের যথার্থ শাসনকর্তা আল্লাহর রাজত্ব। সূরা মু’মিনে বলা হয়েছেঃ

يَوْمَ هُمْ بَارِزُونَ لَا يَخْفَى عَلَى اللَّهِ مِنْهُمْ شَيْءٌ لِمَنِ الْمُلْكُ الْيَوْمَ لِلَّهِ الْوَاحِدِ الْقَهَّارِ

“সেদিন যখন এরা সবাই প্রকাশ হয়ে যাবে, আল্লাহর কাছে এদের কোন জিনিস গোপন থাকবে না, জিজ্ঞেস করা হবে আজ রাজত্ব কার? সবদিক থেকে জবাব আসবে, একমাত্র আল্লাহর যিনি সবার উপর বিজয়ী।” (১৬ আয়াত)

হাদীসে এ বিষয়বস্তুকে আরো বেশী স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আল্লাহ‌ এক হাতে পৃথিবী ও অন্য হাতে আকাশ নিয়ে বলবেনঃ

أَنَا الْمَلِكُ أَنَا الدَّيَّانُ أَيْنَ مُلُوكُ الأَرْضِ؟ أَيْنَ الْجَبَّارُونَ؟ أَيْنَ الْمُتَكَبِّرُونَ؟

“আমিই বাদশাহ, আমিই শাসনকর্তা। এখন সেই পৃথিবীর বাদশাহরা কোথায়? কোথায় স্বৈরাচারী একনায়কের দল? অহংকারী ক্ষমতাদর্পীরা কোথায়?” (মুসনাদে আহমদ, বুখারী, মুসলিম ও আবু দাউদে সামান্য শাব্দিক হেরফের সহকারে এ হাদীসটি উদ্ধৃত হয়েছে)।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

২৬. সে দিন চূড়ান্ত কর্তৃত্ব হবে দয়াময়ের(১) এবং কাফেরদের জন্য সে দিন হবে অত্যন্ত কঠিন।

(১) অর্থাৎ সেখানে কেবলমাত্র একটি রাজত্বই বাকি থাকবে এবং তা হবে এ বিশ্বজাহানের যথার্থ শাসনকর্তা আল্লাহর রাজত্ব। (আদওয়াউল বায়ান) অন্যত্র বলা হয়েছেঃ “সেদিন যখন এরা সবাই প্রকাশ হয়ে যাবে, আল্লাহর কাছে এদের কোন জিনিস গোপন থাকবে না, জিজ্ঞেস করা হবে আজ রাজত্ব কার? সবদিক থেকে জবাব আসবে, একমাত্র আল্লাহর যিনি সবার উপর বিজয়ী।” (সূরা গাফিরঃ ১৬)

হাদীসে এ বিষয়বস্তুকে আরো বেশী স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ এক হাতে পৃথিবীগুলো ও অন্য হাতে আকাশসমূহ গুটিয়ে নিয়ে বলবেনঃ “আমিই বাদশাহ, আমিই শাসনকর্তা। এখন সেই পৃথিবীর বাদশাহরা কোথায়? কোথায় স্বৈরাচারী একনায়কের দল? অহংকারী ক্ষমতাদর্পীরা কোথায়?” (বুখারীঃ ৭৪১২, মুসলিমঃ ২৭৮৮)।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২৬) সেদিন প্রকৃত কর্তৃত্ব হবে পরম দয়াময়ের এবং অবিশ্বাসীদের জন্য সেদিন হবে বড় কঠিন।