وَيَوۡمَ تَشَقَّقُ ٱلسَّمَآءُ بِٱلۡغَمَٰمِ وَنُزِّلَ ٱلۡمَلَـٰٓئِكَةُ تَنزِيلًا

ওয়া ইয়াওমা তাশাক্কাকুছছামাউ বিলগামা-মি ওয়ানুঝঝিলাল মালাইকাতুতানঝীলা-।উচ্চারণ

আকাশ ফুঁড়ে একটি মেঘমালার সেদিন উদয় হবে এবং ফেরেশতাদের দলে দলে নামিয়ে দেয়া হবে। তাফহীমুল কুরআন

যে দিন আকাশ বিদীর্ণ হয়ে এক মেঘকে পথ করে দেবে #%১২%# এবং ফিরিশতাদেরকে অবতীর্ণ করা হবে লাগাতার।মুফতী তাকী উসমানী

যেদিন আকাশ মেঘপুঞ্জসহ বিদীর্ণ হবে এবং মালাইকাকে (ফেরেশতাদেরকে) নামিয়ে দেয়া হবে –মুজিবুর রহমান

সেদিন আকাশ মেঘমালাসহ বিদীর্ণ হবে এবং সেদিন ফেরেশতাদের নামিয়ে দেয়া হবে,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

আর সেদিন আকাশ মেঘপুঞ্জসহ বিদীর্ণ হবে এবং ফিরিশতাদেরকে নামিয়ে দেয়া হবে-ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর সেদিন মেঘমালা দ্বারা আকাশ বিদীর্ণ হবে এবং ফেরেশতাদেরকে দলে দলে অবতরণ করানো হবে।আল-বায়ান

সেদিন মেঘমালা সহ আকাশ বিদীর্ণ হবে আর ফেরেশতাদেরকে ধীরে ধীরে নীচে নামিয়ে দেয়া হবে।তাইসিরুল

আর সেই দিন আকাশ বিদীর্ণ হবে মেঘমালার সঙ্গে, আর ফিরিশতাদের পাঠানো হবে পাঠানোর মতো।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

কিয়ামতের দিন আকাশ বিদীর্ণ হওয়ার পর উপর থেকে মেঘের মত একটা জিনিস নামতে দেখা যাবে। তাতে আল্লাহ তাআলার বিশেষ তাজাল্লী থাকবে। আমরা তাকে রাজছত্র শব্দে ব্যক্ত করতে পারি। এর সাথে থাকবে অসংখ্য ফিরিশতা। তারা লাগাতার আসমান থেকে হাশরের মাঠে নামতে থাকবে তাফসীরে উসমানী, সংক্ষেপিত -অনুবাদক

তাফসীরে জাকারিয়া

২৫. আর সেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে মেঘপুঞ্জ দ্বারা(১) এবং দলে দলে ফিরিশতাদেরকে নামিয়ে দেয়া হবে—

(১) এখানে بِالْغَمَامِ এর অর্থ عَنِ الْغَمَامِ অর্থাৎ আকাশ বিদীর্ণ হয়ে তা হতে একটি হালকা মেঘমালা নীচে নামবে, যাতে ফিরিশতারা থাকবে। এই মেঘমালা চাঁদোয়ার আকারে আকাশ থেকে আসবে এবং আল্লাহ তা'আলা বিচার-ফয়সালার জন্য হাশরের মাঠে নেমে আসবেন; আশপাশে থাকবে ফিরিশতাদের দল। এটা হবে হিসাব নিকাশ শুরু হবার সময়; সূরা আল-বাকারার ২১০ নং আয়াতেও একথা বলা হয়েছে। তখন কেবল খোলার নিমিত্তই আকাশ বিদীর্ণ হবে। এটা সেই বিদারণ নয় যখন শিঙ্গায় ফুঁৎকার দেয়ার সময় আকাশ ও যমীনকে ধ্বংস করার জন্য হবে। কেননা, আয়াতে যে মেঘমালা অবতরণের কথা বলা হয়েছে, তা দ্বিতীয়বার শিঙ্গায় ফুৎকার দেয়ার পর হবে। তখন নতুন ধরনের আসমান ও যমীন পুনরায় বহাল হয়ে যাবে।

মোটকথা, আসমানসমূহ বিদীর্ণ হবার পর সেগুলোর উপরস্থিত সাদা মেঘ দেখা যাবে। রাব্বুল আলামীন যে মেঘসহ সৃষ্টিকুলের মধ্যে ফায়সালা করতে নাযিল হবেন। আসমানসমূহ বিদীর্ণ হয়ে যাবার পর প্রত্যেক আসমানের ফিরিশতাগণ কাতারে কাতারে দাঁড়াবে। তারপর তারা সৃষ্টিজগতকে ঘিরে রাখবে। তারা তাদের রব-এর নির্দেশ পালন করে যাবে। তাদের মধ্যে কেউই আল্লাহর অনুমতি ব্যতীত কোন কথা বলবে না। যদি ফিরিশতাদেরই এ অবস্থা হবে তাহলে অন্যান্য সৃষ্টিকুলের কি অবস্থা হবে তা সহজেই অনুমেয়। (দেখুন: কুরতুবী, বাগভী, আদওয়াউল বায়ান)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২৫) সেদিন আকাশ মেঘমালাসহ বিদীর্ণ হবে(1) এবং ফিরিশতাদেরকে নামিয়ে দেওয়া হবে--

(1) এর অর্থ হল আকাশ বিদীর্ণ হবে এবং মেঘমালা হবে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন। আর মহান আল্লাহ হাশরের মাঠে যেখানে সমস্ত সৃষ্টি একত্রিত হবে হিসাবের জন্য ফিরিশতাদলের মধ্যে এসে উপস্থিত হবেন। যেমন, সূরা বাকারাহ ২১০নং আয়াতে এ কথা স্পষ্ট হয়েছে।