ওয়াইয়ঁইয়াকুল লাহুমুল হাক্কুইয়া’তূইলাইহি মুয’ইনীন।উচ্চারণ
তবে যদি সত্য তাদের অনুকূল থাকে, তাহলে বড়ই বিনীত হয়ে রসূলের কাছে আসে। ৭৯ তাফহীমুল কুরআন
আর যদি তাদের হক উসুল করার থাকে, তবে অত্যন্ত বাধ্যগত হয়ে রাসূলের কাছে চলে আসে।মুফতী তাকী উসমানী
আর সত্য তাদের স্বপক্ষে হলে তারা বিনীতভাবে রাসূলের নিকট ছুটে আসে।মুজিবুর রহমান
সত্য তাদের স্বপক্ষে হলে তারা বিনীতভাবে রসূলের কাছে ছুটে আসে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আর যদি এদের প্রাপ্য থাকে তা হলে এরা বিনীতভাবে রাসূলের নিকট ছুটে আসে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কিন্তু যদি সত্য তাদের পক্ষে থাকে, তাহলে তারা তার কাছে একান্ত বিনীতভাবে ছুটে আসে।আল-বায়ান
কিন্তু ‘হাক’ (অর্থাৎ প্রাপ্য) যদি তাদের পক্ষে থাকে তাহলে পূর্ণ বিনয়ের সঙ্গে তারা রসূলের দিকে ছুটে আসে।তাইসিরুল
আর যদি ন্যায়পরায়ণতা তাদের সপক্ষে হয় তবে তারা তাঁর কাছে আসে ঘাড় নুইয়ে।মাওলানা জহুরুল হক
৭৯
এ আয়াতটি পরিষ্কারভাবে বর্ণনা করছে যে, শরীয়াতের লাভজনক কথাগুলোকে যে ব্যক্তি সানন্দে গ্রহণ করে নেয় কিন্তু আল্লাহর শরীয়াতে যা কিছু তার স্বার্থ ও আশা-আকাংখার বিরোধী হয় তাকে সে প্রত্যাখ্যান করে এবং তার মোকাবিলায় দুনিয়ার অন্যান্য আইনকে প্রাধান্য দেয়, সে মু’মিন নয় বরং মুনাফিক। তার ঈমানের দাবী মিথ্যা। কারণ সে আল্লাহ ও রসূলের প্রতি ঈমান রাখে না বরং ঈমান রাখে নিজের স্বার্থ ও প্রবৃত্তির ওপর। এ নীতি অবলম্বন করে এর সাথে সাথে সে যদি আল্লাহর শরীয়াতের কোন অংশকে মেনেও নেয়, তাহলে আল্লাহর দৃষ্টিতে এ ধরনের মেনে নেয়ার কোন মূল্য ও মর্যাদা নেই।
৪৯. আর যদি হক্ক তাদের সপক্ষে হয়, তাহলে তারা বিনীতভাবে রাসূলের কাছে ছুটে আসে।
(৪৯) সিদ্ধান্ত ওদের স্বপক্ষে হবে মনে করলে, ওরা বিনীতভাবে রসূলের নিকট ছুটে আসে। (1)
(1) কেননা, তাদের বিশ্বাস ছিল যে, নবী (সাঃ)-এর বিচারালয়ে যে ফায়সালা হবে, তাতে কারো খাতির করা হবে না। সেই জন্য তারা তাঁর নিকটে নিজেদের ঝগড়া-বিবাদের বিচার পেশ করা হতে দূরে থাকে। হ্যাঁ! যদি তারা বুঝতে পারে যে, তারা হকের উপর রয়েছে এবং ফায়সালাও তাদের পক্ষে হওয়ার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, তাহলে আনন্দ সহকারে তারা নবী (সাঃ)-এর নিকট আসে।