ওয়া ইয়াকূলূনা আ-মান্না-বিল্লা-হি ওয়া বিররছূলি ওয়া আতা‘না-ছু ম্মা ইয়াতাওয়াল্লাফারীকুম মিনহুম মিম বা‘দি যা-লিকা ওয়ামাউলাইকা বিলমু’মিনীন।উচ্চারণ
তারা বলে, আমরা ঈমান এনেছি আল্লাহ ও রসূলের প্রতি এবং আমরা আনুগত্য স্বীকার করেছি কিন্তু এরপর তাদের মধ্য থেকে একটি দল (আনুগত্য থেকে) মুখ ফিরিয়ে নেয়। এ ধরনের লোকেরা কখনোই মু’মিন নয়। ৭৬ তাফহীমুল কুরআন
তারা (অর্থাৎ মুনাফিকগণ) বলে, আমরা আল্লাহর প্রতি ও রাসূলের প্রতি ঈমান এনেছি এবং আমরা অনুগত হয়েছি। অতঃপর তাদের একটি দল এরপরও মুখ ফিরিয়ে নেয়। (প্রকৃতপক্ষে) তারা মুমিন নয়। #%৪১%#মুফতী তাকী উসমানী
তারা বলেঃ আমরা আল্লাহ ও রাসূলের প্রতি ঈমান এনেছি এবং আমরা আনুগত্য স্বীকার করছি। কিন্তু এরপর তাদের একদল মুখ ফিরিয়ে নেয়; বস্তুতঃ তারা মু’মিন নয়।মুজিবুর রহমান
তারা বলেঃ আমরা আল্লাহ ও রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছি এবং আনুগত্য করি; কিন্তু অতঃপর তাদের একদল মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং তারা বিশ্বাসী নয়।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এরা বলে, ‘আমরা আল্লাহ্ ও রাসূলের প্রতি ঈমান আনলাম এবং আমরা আনুগত্য স্বীকার করলাম’, কিন্তু এটার পর এদের একদল মুখ ফিরিয়ে নেয়; বস্তুত এরা মু’মিন নয়। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তারা বলে, ‘আমরা আল্লাহ ও রাসূলের প্রতি ঈমান এনেছি এবং আমরা আনুগত্য করেছি’, তারপর তাদের একটি দল এর পরে মুখ ফিরিয়ে নেয়। আর তারা মুমিন নয়।আল-বায়ান
তারা বলে- আমরা আল্লাহর প্রতি ইমান আনলাম আর রসূলের প্রতিও আর আমরা মেনে নিলাম। কিন্তু এরপরও তাদের মধ্যেকার একদল মুখ ফিরিয়ে নেয়, তারা (প্রকৃতপক্ষে) মু’মিন নয়।তাইসিরুল
ফলে তারা বলে -- "আমরা আল্লাহ্র প্রতি ও রসূলের প্রতি ঈমান এনেছি, আর আমরা আজ্ঞা পালন করি।" তারপর তাদের একদল এর পরেও ফিরে যায়। আর এই লোকগুলো মুমিন নয়।মাওলানা জহুরুল হক
৭৬
অর্থাৎ আনুগত্য থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়াই তাদের ঈমানের দাবী মিথ্যা প্রমাণ করে দেয়। তাদের এহেন কার্যকলাপ থেকে বুঝা যায় যে, তারা যখন বলেছে আমরা ঈমান এনেছি ও আনুগত্য স্বীকার করেছি তখন তারা অসত্য বলেছে।
মুনাফিক শ্রেণী কেবল মুখেই ঈমানের দাবি করত, আন্তরিকভাবে তারা ঈমান আনত না। আর সে কারণেই তারা সর্বদা মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরামের বিরুদ্ধে শত্রুতামূলক আচরণে লিপ্ত থাকত। যেমন একবারের ঘটনা, জনৈক ইয়াহুদীর সাথে বিশর নামক এক মুনাফিকের ঝগড়া লেগে যায়। ইয়াহুদী জানত মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিচার সর্বদা ইনসাফভিত্তিক হয়। তাই সে বিশরকে প্রস্তাব দিল, চলো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে যাই, তিনি আমাদের মধ্যে মীমাংসা করে দিবেন। বিশর তো মুনাফিক। তার মনে ছিল ভয়। তাই সে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বিচারক বানাতে রাজি হল না। সে প্রস্তাব দিল ইয়াহুদীদের নেতা কাব ইবনে আশরাফের কাছে যাওয়া যাক। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এ আয়াত নাযিল হয়েছে (ইবনে জারীর তাবারী)।
৪৭. আর তারা বলে, আমরা আল্লাহ ও রাসূলের প্রতি ঈমান আনলাম এবং আমরা আনুগত্য করেছি। এর পর তাদের একদল মুখ ফিরিয়ে নেয়; আসলে তারা মুমিন নয়।
(৪৭) ওরা বলে, ‘আমরা আল্লাহ ও রসুলে বিশ্বাসী এবং আমরা আনুগত্য করি’; কিন্তু এরপর ওদের একদল মুখ ফিরিয়ে নেয়। বস্তুতঃ ওরা বিশ্বাসী নয়। (1)
(1) এখানে মুনাফিকদের কথা বর্ণনা করা হচ্ছে, যারা মুখে ইসলাম প্রকাশ করত; কিন্তু তাদের অন্তর ছিল কুফরী ও শত্রুতায় পরিপূর্ণ, অর্থাৎ, সত্য বিশ্বাস হতে বঞ্চিত ছিল। এই কারণে ঈমানের মৌখিক প্রকাশ সত্ত্বেও তাদের ঈমানকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি।