فَتَعَٰلَى ٱللَّهُ ٱلۡمَلِكُ ٱلۡحَقُّۖ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ رَبُّ ٱلۡعَرۡشِ ٱلۡكَرِيمِ

ফাতাআ-লাল্লা-হুল মালিকুল হাক্কু লাইলা-হা ইল্লা-হুওয়া, রব্বুল ‘আরশিল কারীম।উচ্চারণ

কাজেই প্রকৃত বাদশাহ আল্লাহ‌ হচ্ছেন উচ্চতর ও উন্নততর, ১০৩ তিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই, সম্মানিত আরশের তিনিই মালিক তাফহীমুল কুরআন

অতি মহিমময় আল্লাহ, যিনি প্রকৃত বাদশাহ। তিনি ছাড়া কোন মাবুদ নেই। তিনি সম্মানিত আরশের মালিক।মুফতী তাকী উসমানী

মহিমান্বিত আল্লাহ যিনি প্রকৃত মালিক, তিনি ব্যতীত কোন মা‘বূদ নেই; সম্মানিত আরশের তিনিই রাব্ব।মুজিবুর রহমান

অতএব শীর্ষ মহিমায় আল্লাহ, তিনি সত্যিকার মালিক, তিনি ব্যতীত কোন মাবুদ নেই। তিনি সম্মানিত আরশের মালিক।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

মহিমান্বিত আল্লাহ্ যিনি প্রকৃত মালিক, তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নেই; সম্মানিত র্আশের তিনি অধিপতি। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং সত্যিকারের মালিক আল্লাহ মহিমান্বিত, তিনি ছাড়া কোন (সত্য) ইলাহ নেই; তিনি সম্মানিত ‘আরশের রব।আল-বায়ান

সুউচ্চ মহান আল্লাহ যিনি প্রকৃত মালিক, তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, সম্মানিত আরশের অধিপতি।তাইসিরুল

বস্তুতঃ আল্লাহ্ মহিমান্নিত, মহারাজাধিরাজ, চিরন্তন সত্য, তিনি ব্যতীত অন্য উপাস্য নেই, সম্মানিত আরশের অধিপতি তিনি।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১০৩

অর্থাৎ তিনি কোন বাজে কাজ করার ঊর্ধ্বে অবস্থান করেন এবং তাঁর কোন বান্দা ও গোলাম তাঁর প্রভুত্বের কার্যক্রমে তাঁর সাথে শরীক হবে এরও অনেক ঊর্ধ্বে তাঁর অবস্থান।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

১১৬. সুতরাং আল্লাহ মহিমান্বিত, প্রকৃত মালিক, তিনি ছাড়া কোন হক্ক ইলাহ নেই; তিনি সম্মানিত আরশের রব।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১১৬) মহিমার্নিত আল্লাহ; যিনি প্রকৃত মালিক,(1) তিনি ব্যতীত কোন (সত্য) উপাস্য নেই; সম্মানিত আরশের অধিপতি তিনি।’ (2)

(1) অর্থাৎ, তিনি এর থেকে অনেক ঊর্ধ্বে যে, তিনি তোমাদেরকে বিনা কোন উদ্দেশ্যে, খেলার ছলে বেকার সৃষ্টি করেছেন। আর তোমরা যা ইচ্ছা তাই করবে, সে ব্যাপারে কোন জবাবদিহি করতে হবে না। বরং তিনি বিশেষ এক লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। আর তা হল, একমাত্র তাঁরই ইবাদত করা। সেই জন্য পরবর্তীতে বলেছেন যে, তিনিই একমাত্র উপাস্য; তিনি ছাড়া আর কোন সত্য উপাস্য নেই।

(2) এখানে আরশের বিশেষণ (গুণ) স্বরূপ ‘কারীম’ বলা হয়েছে। যার অর্থ সম্মানিত। যেহেতু তার অধিপতি সম্মানিত। অথবা তার অর্থঃ মহানুভব; কারণ, সেখান হতেই রহমত ও বরকত অবতীর্ণ হয়। অবশ্য মতান্তরে এটি অধিপতি (রবে)র বিশেষণ।