ফাআরছালনা-ফীহিম রছূলাম মিনহুম আনি‘ বুদুল্লা-হা মা-লাকুম মিন ইলা-হিন গাইরুহূ আফালা-তাত্তাকূন।উচ্চারণ
তারপর তাদের মধ্যে স্বয়ং তাদের সম্প্রদায়ের একজন রসূল পাঠালাম (যে তাদেরকে দাওয়াত দিল এ মর্মে যে, ) আল্লাহর বন্দেগী করো, তোমাদের জন্য তিনি ছাড়া আর কোন মাবূদ নেই, তোমরা কি ভয় করো না? তাফহীমুল কুরআন
এবং তাদের মধ্যে তাদেরই একজনকে রাসূল করে পাঠালাম, #%২০%# সে বলেছিল, তোমরা আল্লাহর ইবাদত কর। তিনি ছাড়া তোমাদের কোন মাবুদ নেই। তবুও কি তোমরা ভয় করবে না?মুফতী তাকী উসমানী
এরপর তাদেরই একজনকে তাদের নিকট রাসূল করে পাঠিয়েছিলাম; সে বলেছিলঃ তোমরা আল্লাহর ইবাদাত কর, তিনি ছাড়া তোমাদের অন্য কোন মা‘বূদ নেই, তবুও কি তোমরা সাবধান হবেনা?মুজিবুর রহমান
এবং তাদেরই একজনকে তাদের মধ্যে রসূলরূপে প্রেরণ করেছিলাম এই বলে যে, তোমরা আল্লাহর বন্দেগী কর। তিনি ব্যতীত তোমাদের অন্য কোন মাবুদ নেই। তবুও কি তোমরা ভয় করবে না?মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এবং এদেরই একজনকে এদের নিকট রাসূল করে পাঠিয়েছিলাম! সে বলেছিল, ‘তোমরা আল্লাহ্ র ‘ইবাদত কর, তিনি ব্যতীত তোমাদের অন্য কোন ইলাহ্ নেই, তবুও কি তোমরা সাবধান হবে না ?’ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর তাদের মধ্যে তাদেরই একজনকে আমি রাসূলরূপে প্রেরণ করেছিলাম যে, তোমরা আল্লাহর ইবাদাত করবে, তিনি ছাড়া তোমাদের অন্য কোন (সত্য) ইলাহ নেই। তবুও কি তোমরা তাকওয়া অবলম্বন করবে না।আল-বায়ান
আর তাদের মাঝে তাদেরই একজনকে রসূল করে পাঠিয়েছিলাম এই ব’লে যে, তোমরা আল্লাহর ‘ইবাদাত কর, তিনি ছাড়া তোমাদের কোন ইলাহ নেই, তবুও কি তোমরা (তাঁকে) ভয় করবে না?তাইসিরুল
তখন আমরা তাদের মধ্যে পাঠিয়েছিলাম তাদেরই মধ্যে থেকে একজন রসূল এই বলে -- "আল্লাহ্র উপাসনা করো, তিনি ব্যতীত তোমাদের জন্য অন্য উপাস্য নেই। তোমরা কি তবে ভক্তি-শ্রদ্ধা করবে না?"মাওলানা জহুরুল হক
‘তাদের মধ্যে তাদেরই একজনকে রাসূল করে পাঠালাম’। ইনি কোন নবী কুরআন মাজীদ তা স্পষ্ট করে বলেনি। তবে ঘটনা বিশ্লেষণ করলে এটাই বেশি পরিষ্কার মনে হয় যে, ইনি ছিলেন হযরত সালিহ আলাইহিস সালাম। তাকে ছামূদ জাতির কাছে পাঠানো হয়েছিল। কেননা সামনে ৪০ নং আয়াতে বলা হয়েছে, তার সম্প্রদায়কে ধ্বংস করা হয়েছিল বিকট আওয়াজ দ্বারা। আর অন্যান্য সূরায় আছে হযরত সালিহ আলাইহিস সালামের সম্প্রদায়কেই বিকট আওয়াজ দ্বারা ধ্বংস করা হয়েছিল। কোন কোন মুফাসসির এ সম্ভাবনাও ব্যক্ত করেছেন যে, সম্ভবত এখানে হযরত হুদ আলাইহিস সালামের কথা বলা হয়েছে, যাকে আদ জাতির কাছে পাঠানো হয়েছিল।এ হিসেবে اَلصَّيْحَةُ হবে এমন প্রলয়ঙ্কারী ঝড়, যার সাথে বিকট আওয়াজও ছিল। এ উভয় জাতির ঘটনা সূরা আরাফ (৭ : ৬৫, ৭৩) ও সূরা হুদ (১১ : ৫০, ৬১)-এ বর্ণিত হয়েছে।
৩২. এরপর আমরা তাদেরই একজনকে তাদের কাছে রাসূল করে পাঠিয়েছিলাম! তিনি বলেছিলেন, তোমরা আল্লাহর ইবাদাত কর, তিনি ছাড়া তোমাদের অন্য কোন সত্য ইলাহ নেই।(১), তবুও কি তোমরা তাকওয়া অবলম্বন করবে না?
(১) এ শব্দগুলোর দ্বারা পরিষ্কার বুঝা যাচ্ছে যে, আল্লাহর অস্তিত্বকে তারাও অস্বীকার করতো না। তাদেরও আসল ভ্ৰষ্টতা ছিল শির্ক তথা আল্লাহর ইবাদাতে শির্ক করা। কুরআনের অন্যান্য স্থানেও এ জাতির এ অপরাধই বর্ণনা করা হয়েছে। (যেমন দেখুনঃ আল-আরাফঃ ৬৫; হূদঃ ৫৩–৫৪; ফুসসিলাতঃ ১৪ এবং আল-আহকাফঃ ২১–২২ আয়াত)।
(৩২) এরপর তাদেরই একজনকে তাদের নিকট রসূল করে পাঠিয়েছিলাম;(1) সে বলেছিল, ‘তোমরা আল্লাহর উপাসনা কর, তিনি ছাড়া তোমাদের অন্য কোন (সত্য) উপাস্য নেই,(2) তবুও কি তোমরা সাবধান হবে না?’
(1) আমি সে রাসুল তাদের মধ্যে হতেই প্রেরণ করেছি, যিনি তাদের মাঝেই প্রতিপালিত হয়েছিলেন এবং যাকে তারা ভালভাবেই চিনত; তার বংশ, বারি-ঘর ও জন্ম সম্পর্কে তারা সম্যক অবগত ছিল।
(2) তিনি সর্বপ্রথম তাওহিদের দাওয়াত দিলেন। আর এই তাওহীদই ছিল সমস্ত নবী রাসুলদের দাওয়াতের শিরোনাম।