ওয়া শাজারতান তাখরুজুমিন তূরি ছাইনাআ তামবুতুবিদ্দুহনি ওয়াছিবগিল লিলআ-কিলীন।উচ্চারণ
আর সিনাই পাহাড়ে যে গাছ জন্মায় তাও আমি সৃষ্টি করেছি ২১ তা তেল উৎপাদন করে এবং আহারকারীদের জন্য তরকারীও। তাফহীমুল কুরআন
এবং সৃষ্টি করি সেই বৃক্ষও, যা সিনাই পর্বতে জন্ম নেয় #%১৬%# এবং যা আহারকারীদের জন্য তেল ও ব্যঞ্জনসহ উৎপন্ন হয়।মুফতী তাকী উসমানী
এবং সৃষ্টি করি এক বৃক্ষ যা জন্মে সিনাই পর্বতে, এতে উৎপন্ন হয় ভোজনকারীদের জন্য তেল ও ব্যঞ্জন।মুজিবুর রহমান
এবং ঐ বৃক্ষ সৃষ্টি করেছি, যা সিনাই পর্বতে জন্মায় এবং আহারকারীদের জন্যে তৈল ও ব্যঞ্জন উৎপন্ন করে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এবং সৃষ্টি করি এক বৃক্ষ যা জন্মায় সিনাই পর্বতে, এতে উৎপন্ন হয় তৈল এবং আহারকারীদের জন্যে ব্যঞ্জন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর এক বৃক্ষ যা সিনাই পাহাড় হতে উদগত হয়, যা আহারকারীদের জন্য তেল ও তরকারী উৎপন্ন করে।আল-বায়ান
আর (আমি সৃষ্টি করি) এক বৃক্ষ যা সিনাই পর্বতে জন্মে, যাথেকে তেল উৎপন্ন হয়, আর ভক্ষণকারীদের জন্য রসনা তৃপ্তিকর।তাইসিরুল
আর গাছ যা জন্মে সিনাই পাহাড়ে, তা উৎপাদন করে তেল ও জেলি আহারকারীদের জন্য।মাওলানা জহুরুল হক
২১
এখানে জয়তুনের কথা বলা হয়েছে। ভুমধ্যসাগরের আশপাশের এলাকার উৎপন্ন দ্রব্যাদির মধ্যে এর গুরুত্ব সবচেয়ে বেশী। এ গাছগুলো দেড় হাজার দু’হাজার বছর বাঁচে। এমনকি ফিলিস্তিনের কোন কোন গাছের দৈঘ্য, স্থুলতা ও বিস্তার দেখে অনুমান করা হয় যে, সেগুলো হযরত ঈসা আলাইহিস সালামের যুগ থেকে এখনো চলে আসছে। সিনাই পাহাড়ের সাথে একে সম্পর্কিত করার কারন সম্ভবত এই যে, সিনাই পাহাড় এলাকার সবচেয়ে পরিচিত ও উল্লেখযোগ্য স্থানই এর আসল স্বদেশ ভূমি।
এর দ্বারা যায়তুন গাছ বোঝানো হয়েছে। সাধারণত এ গাছ সিনাই পাহাড়ের এলাকাতেই বেশি জন্মায়। এর থেকে যে তেল উৎপন্ন হয়, তা যেমন তেল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তেমনি আরব দেশসমূহে রুটির সাথে ব্যঞ্জনরূপেও এর বহুল ব্যবহার আছে। এস্থলে আল্লাহ তাআলা মানুষের প্রতি তাঁর অনুগ্রহ হিসেবে বিশেষভাবে যয়তুন বৃক্ষের উল্লেখ করেছেন এ কারণে যে, এর উপকারিতা বহুবিধ।
২০. আর সৃষ্টি করি এক গাছ যা জন্মায় সিনাই পর্বতে, এতে উৎপন্ন হয় তৈল এবং যারা খায় তাদের জন্য খাবার তথা তরকারী।(১)
(১) এখানে বিশেষ করে যায়তুন ও তার তৈল সৃষ্টির কথা বলা হয়েছে। কেননা, এর উপকারিতা অপরিসীম। যয়াতুনের তৈল মালিশ ও বাতি জ্বালানের কাজেও আসে এবং ব্যঞ্জনেরও কাজ দেয়। (দেখুনঃ ইবন মাজহ: ৩৩১৯) যয়তুনের বৃক্ষ তুর পর্বতে উৎপন্ন হয় বিধায় এর দিকে সম্বন্ধ করা হয়েছে। বলা হয়েছে سيناء এই সায়না ও সিনিন সেই স্থানের নাম, যেখানে তুর পর্বত অবস্থিত। এ পাহাড়ের সাথে একে সম্পর্কিত করার কারণ সম্ভবত এই যে, সিনাই পাহাড় এলাকার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য স্থানই এর আসল স্বদেশ ভূমি। (দেখুনঃ কুরতুবী; ইবন কাসীর; ফাতহুল কাদীর)
(২০) এবং সৃষ্টি করি এক গাছ যা জন্মে সিনাই পর্বতে, এতে উৎপন্ন হয় ভোজনকারীদের জন্য তেল ও তরকারী। (1)
(1) সে গাছ হল যায়তুনের গাছ। যার ফল পিষে তেল বের করা হয় এবং তা খাওয়ানো ও জ্বালানো হয়। যায়তুন ফলও তরকারী বা আচার রূপে ব্যাবহার করা হয়। তরকারিকে صبغ (রং) বলা হয়েছে। যেহেতু রুটিকে তার তরকারিতে ডুবিয়ে রাঙ্গানো হয় তাই। সিনাই পর্বত ও তার আশেপাশের এলাকা বিশেষ করে উক্ত গাছের জন্য বড় উৎকৃষ্ট ভুমি।