وَيَعۡبُدُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ مَا لَمۡ يُنَزِّلۡ بِهِۦ سُلۡطَٰنٗا وَمَا لَيۡسَ لَهُم بِهِۦ عِلۡمٞۗ وَمَا لِلظَّـٰلِمِينَ مِن نَّصِيرٖ

ওয়া ইয়া‘বুদূ না মিন দূ নিল্লা-হি মা-লাম ইউনাঝঝিল বিহী ছুলতা-নাওঁ ওয়ামা-লাইছা লাহুম বিহী ‘ইলমুওঁ ওয়ামা লিজ্জা-লিমীনা মিন নাসীর।উচ্চারণ

তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে এমন কিছুর ইবাদাত করে যাদের জন্য না তিনি কোন প্রমাণ পত্র অবতীর্ণ করেছেন আর না তারা নিজেরাই তাদের ব্যাপারে কোন জ্ঞান রাখে। ১২০ এ জালেমদের জন্য কোনো সাহায্যকারী নেই। ১২১ তাফহীমুল কুরআন

তারা আল্লাহকে ছেড়ে এমন জিনিসের ইবাদত করে যার (মাবুদ হওয়া) সম্পর্কে আল্লাহ কোন প্রমাণ অবতীর্ণ করেননি এবং এমন জিনিসের (ইবাদত করে) যে সম্পর্কে তাদের কোন জ্ঞান নেই। #%৩৮%# (আখেরাতে) এ রকম জালেমদের কোন সাহায্যকারী থাকবে না।মুফতী তাকী উসমানী

এবং তারা ইবাদাত করে আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর যে সম্পর্কে তিনি কোন দলীল প্রেরণ করেননি এবং যার সম্বন্ধে তাদের কোন জ্ঞান নেই। বস্তুতঃ যালিমদের কোন সাহায্যকারী নেই।মুজিবুর রহমান

তারা আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর পূজা করে, যার কোন সনদ নাযিল করা হয়নি এবং সে সম্পর্কে তাদের কোন জ্ঞান নেই। বস্তুতঃ জালেমদের কোন সাহায্যকারী নেই।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এবং এরা ‘ইবাদত করে আল্লাহ্ র পরিবর্তে এমন কিছুর যার সম্পর্কে তিনি কোন দলীল প্রেরণ করেন নাই এবং যার সম্বন্ধে তাদের কোন জ্ঞান নেই। আর জালিমদের কোন সাহায্যকারী নেই। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তারা আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর ইবাদাত করে, যে সম্পর্কে তিনি কোন প্রমাণ নাযিল করেননি এবং যে ব্যাপারে তাদেরও কোন জ্ঞান নেই। আর যালিমদের কোন সাহায্যকারী নেই।আল-বায়ান

আর তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে এমন কিছুকে ডাকে যার সমর্থনে তিনি কোন দলীল পাঠাননি আর যে সম্পর্কে তাদের কোন জ্ঞান নেই। (এসব) যালিমদের কোন সাহায্যকারী নেই।তাইসিরুল

তারা আল্লাহকে ছেড়ে দিয়ে যার উপাসনা করে তার জন্য তিনি কোনো দলিল পাঠান নি এবং তাদের কাছে সে-বিষয়ে কোনো জ্ঞানও নেই। আর অন্যায়াচারীদের জন্য কোনো সাহায্যকারী নেই।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১২০

অর্থাৎ আল্লাহর কোন কিতাবে বলা হয়নি, “আমি অমুক অমুককে আমার সাথে প্রভুত্বের কর্তৃত্বে শরীক করেছি। কাজেই আমার সাথে তোমরা তাদেরকেও ইবাদাতে শরীক করো।” আর কোন জ্ঞান মাধ্যমেও তারা এ কথা জানেনি যে, এরা অবশ্যই প্রভুত্বের কর্তৃত্বে অংশীদার এবং এজন্য এরা ইবাদাত লাভের হকদার। এখন এ যেসব বিভিন্ন ধরনের উপাস্য তৈরি করে এদের গুণাবলী ও ক্ষমতা সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের আকীদা তৈরি করে নেয়া হয়েছে এবং এদের আস্তানায় কপাল ঠেকানো হচ্ছে, প্রয়োজন পূরণের জন্য এদের কাছে প্রার্থনা করা হচ্ছে, এদের বেদীতে ভেঁট ও নযরানা চড়ানো হচ্ছে, আস্তানা প্রদক্ষিণ করা হচ্ছে এবং সেখানে উপাসনার জন্য নির্জনবাস করা হচ্ছে--- এসব কিছু জাহেলী ধারণার অনুসরণ ছাড়া আর কি হতে পারে?

১২১

অর্থাৎ এ নির্বোধরা মনে করছে, এ উপাস্যরা দুনিয়া ও আখেরাতে তাদের সাহায্যকারী হবে। অথচ আসলে তাদের কোনই সাহায্যকারী নেই, এ উপাস্যরা তো নয়ই। কারণ তাদের সাহায্য করার কোন ক্ষমতা নেই। আর আল্লাহও তাদের সাহায্যকারী নন। কারণ তারা তো তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্রোহের পথ অবলম্বন করেছে। কাজেই নিজেদের এই নির্বুদ্ধিতার কারণে তারা নিজেরাই নিজেদের ওপর জুলুম করছে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

অর্থাৎ, তাদের প্রতিমাগুলো যে বাস্তবিকই প্রভুত্বের মর্যাদা রাখে এ জ্ঞান অর্জন হতে পারে এমন কোন দলীল তাদের কাছে নেই।

তাফসীরে জাকারিয়া

৭১. আর তারা ইবাদাত করে আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর যার সম্পর্কে তিনি কোন দলীল নাযিল করেননি। এবং যার সম্বন্ধে তাদের কোন জ্ঞান নেই।(১) আর যালেমদের কোন সাহায্যকারী নেই।(২)

(১) অর্থাৎ আল্লাহর কোন কিতাবে বলা হয়নি, আমি অমুক অমুককে আমার সাথে প্রভুত্বের কর্তৃত্বে শরীক করেছি। কাজেই আমার সাথে তোমরা তাদেরকেও ইবাদাতে শরীক করো। সুতরাং তাদের কাছে এ ব্যাপারে কোন দলীল-প্রমাণ নেই। অন্য আয়াতেও আল্লাহ তা বলেছেন, “আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে অন্য ইলাহকে ডাকে, এ বিষয়ে তার নিকট কোন প্রমাণ নেই; তার হিসাব তো তার রব-এর নিকটই আছে; নিশ্চয়ই কাফেররা সফলকাম হবে না।” (সূরা আল-মুমিনূন: ১১৭)

আর কোন জ্ঞান মাধ্যমেও তারা এ কথা জানেনি যে, এরা অবশ্যই প্রভুত্বের কর্তৃত্বে অংশীদার এবং এজন্য এরা ইবাদাতলাভের হকদার। সুতরাং এখন যেভাবে বিভিন্ন ধরনের উপাস্য তৈরী করে এদের গুণাবলী ও ক্ষমতা সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের আকীদা তৈরী করে নেয়া হয়েছে এবং প্রয়োজন পূরণের জন্য এদের কাছে প্রার্থনা করা হচ্ছে, এসব কিছু জাহেলী ধারণার অনুসরণ ছাড়া আর কিছু হতে পারে? এ ব্যাপারে তাদের সর্বোচ্চ কথা হচ্ছে, তারা এগুলো তাদের পিতা-প্রপিতা পূর্বপুরুষদেরকে করতে দেখেছে। আর তারা তাদেরই পদাঙ্ক অনুসরণ করবে। কোন দলীল-প্রমাণ তাদের নেই। কেবল শয়তান তাদের অন্তরে এগুলো সুশোভিত করে দিয়েছে। (ইবন কাসীর)

(২) অর্থাৎ এ নির্বোধরা মনে করছে, আল্লাহর আযাব নাযিল হলে এ উপাস্যরা দুনিয়া ও আখেরাতে তাদের সাহায্যকারী হবে। অথচ আসলে তাদের কোনই সাহায্যকারী নেই, এ উপাস্যরা তো নয়ই। কারণ তাদের সাহায্য করার কোন ক্ষমতা নেই। আর আল্লাহও তাদের সাহায্যকারী নন। (ইবন কাসীর)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৭১) তারা ইবাদত করে আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর যার সম্পর্কে তিনি কোন দলীল প্রেরণ করেননি এবং যার সম্বন্ধে তাদের কোন জ্ঞান নেই; (1) বস্তুতঃ যালেমদের কোন সাহায্যকারী নেই।

(1) অর্থাৎ, তাদের নিকট না আছে কোন লিখিত দলীল, যার দ্বারা তারা কোন আসমানী কিতাব হতে প্রমাণ দেখাতে পারবে। আর না আছে তাদের জ্ঞানভিত্তিক কোন প্রমাণ (যুক্তি), যা আল্লাহ ছাড়া অন্যের ইবাদত করার বৈধতায় পেশ করতে পারবে।