لَّهُۥ مَا فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِي ٱلۡأَرۡضِۚ وَإِنَّ ٱللَّهَ لَهُوَ ٱلۡغَنِيُّ ٱلۡحَمِيدُ

লাহূমা-ফিছছামা-ওয়া-তি ওয়ামা-ফিল আরদি ওয়া ইন্নাল্লা-হা লাহুওয়াল গানিইয়ুল হামীদ।উচ্চারণ

যা কিছু আকাশে ও পৃথিবীতে আছে সব তাঁরই। নিঃসন্দেহে তিনিই অমুখাপেক্ষী ও প্রশংসার্হ। ১১২ তাফহীমুল কুরআন

যা-কিছু আছে আকাশমণ্ডলীতে এবং যা-কিছু আছে পৃথিবীতে সব তাঁরই। নিশ্চিত জেন, আল্লাহই সেই সত্তা, যিনি সকলের থেকে অনপেক্ষ, প্রশংসার্হ।মুফতী তাকী উসমানী

আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে তা তাঁরই এবং আল্লাহই তো অভাবমুক্ত, প্রশংসা।মুজিবুর রহমান

নভোমন্ডল ও ভুপৃষ্ঠে যা কিছু আছে, সব তাঁরই এবং আল্লাহই অভাবমুক্ত প্রশংসার অধিকারী।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে তা তাঁরই, এবং আল্লাহ্, তিনিই তো অভাবমুক্ত, প্রশংসার্হ।ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আসমানসমূহ ও যমীনে যা কিছু আছে, সব তাঁরই। আর নিশ্চয় আল্লাহই তো অভাবমুক্ত, সকল প্রশংসার অধিকারী।আল-বায়ান

আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তাঁর, আর আল্লাহ, তিনি যাবতীয় অভাব থেকে মুক্ত, যাবতীয় প্রশংসার অধিকারী।তাইসিরুল

যা কিছু আছে মহাকাশমন্ডলীতে ও যা কিছু আছে পৃথিবীতে সে-সমস্ত তাঁরই। আর নিঃসন্দেহ আল্লাহ্‌, -- তিনিই তো স্বয়ংসমৃদ্ধ, পরম প্রশংসিত।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১১২

তিনি “অমুখাপেক্ষী” অর্থাৎ একমাত্র তাঁর সত্তাই কারো মুখাপেক্ষী নয়। আর তিনিই “প্রশংসার্হ” অর্থাৎ প্রশংসা ও স্তব-স্তুতি একমাত্র তাঁরই জন্য এবং কেউ প্রশংসা করুক বা না করুক নিজের সত্তার মধ্যে তিনি নিজেই প্রশংসিত।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৬৪. আসমানসমূহ ও যমীনে যা কিছু আছে তা তারই। আর নিশ্চয় আল্লাহ, তিনিই তো অভাবমুক্ত, পরম প্রশংসিত।(১)

(১) এ আয়াতের শেষেও মহান রাব্বুল আলমীনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ গুণবাচক নামের সমাহার আমরা লক্ষ্য করি। বলা হয়েছে যে, তিনি (لْغَنِيُّ الْحَمِيدُ) অর্থাৎ তিনি “অমুখাপেক্ষী” সবকিছুরই তিনি মালিক, আর সবকিছু তাঁরই মুখাপেক্ষী, তারই বান্দা। (ইবন কাসীর) আর তিনিই “প্রশংসার্হ” অৰ্থাৎ প্রশংসা ও স্তব-স্তুতি একমাত্র তাঁরই জন্য এবং কেউ প্ৰশংসা করুক বা না করুক সর্বাবস্থায় তিনি প্ৰশংসিত। (কুরতুবী)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৬৪) আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে তা তাঁরই।(1) আর নিশ্চয় আল্লাহ; তিনিই অভাবমুক্ত, সর্বপ্রশংসনীয়।

(1) সৃষ্টির দিক দিয়ে, মালিকানার দিক দিয়ে এবং নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার দিক দিয়ে। কারণ সকল সৃষ্টি তাঁর মুখাপেক্ষী এবং তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন। যেহেতু তিনি অভাবশূন্য অমুখাপেক্ষী। সেই সত্তা সকল পরিপূর্ণতা ও ক্ষমতার অধিকারী, সকল অবস্থায় প্রশংসার যোগ্যও একমাত্র তিনিই।