فَإِن تَوَلَّوۡاْ فَقُلۡ ءَاذَنتُكُمۡ عَلَىٰ سَوَآءٖۖ وَإِنۡ أَدۡرِيٓ أَقَرِيبٌ أَم بَعِيدٞ مَّا تُوعَدُونَ

ফাইন তাওয়াল্লাও ফাকুল আ-যানতুকুম ‘আলা-ছাওয়াইও ওয়া ইন আদরীআকারীবুন আম বা‘ঈদুম মা-তূ‘আদূ ন।উচ্চারণ

যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয় তাহলে বলে দাও, “আমি সোচ্চার কণ্ঠে তোমাদের জানিয়ে দিয়েছি। এখন আমি জানি না, তোমাদের সাথে যে বিষয়ের ওয়াদা করা হচ্ছে ১০১ তা আসন্ন, না দূরবর্তী। তাফহীমুল কুরআন

তবুও যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে বলে দাও, আমি তোমাদেরকে প্রকাশ্যে জানিয়ে দিয়েছি। আমি জানি না তোমাদেরকে যে বিষয়ের (অর্থাৎ যে শাস্তির) প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে তা নিকটবর্তী, না দূরে।মুফতী তাকী উসমানী

যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয় তাহলে তুমি বলঃ আমি তোমাদেরকে যথাযথভাবে জানিয়ে দিয়েছি এবং তোমাদেরকে যে বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে, আমি জানিনা, তা আসন্ন, না দূরস্থিত।মুজিবুর রহমান

অতঃপর যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে বলে দিনঃ আমি তোমাদেরকে পরিস্কার ভাবে সতর্ক করেছি এবং আমি জানি না, তোমাদেরকে যে ওয়াদা দেয়া হয়েছে, তা নিকটবর্তী না দূরবর্তী।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তবে এরা মুখ ফিরিয়ে নিলে তুমি বল, ‘আমি তোমাদেরকে যথাযথভাবে জানিয়ে দিয়েছি এবং তোমাদেরকে যে বিষয়ের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, আমি জানি না, তা আসন্ন, না দূরস্থিত। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে তারা মুখ ফিরিয়ে নিলে তুমি বলে দিও, ‘আমি যথাযথভাবে তোমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছি। আর আমি জানি না তোমাদেরকে যে বিষয়ের ওয়াদা দেয়া হয়েছে তা কি নিকটবর্তী না দূরবর্তী’।আল-বায়ান

তবে তারা মুখ ফিরিয়ে নিলে বল : আমি তোমাদের কাছে যথাযথভাবে বাণী পৌঁছে দিয়েছি। আর আমি জানি না তোমাদেরকে যার ওয়া‘দা দেয়া হয়েছে তা নিকটবর্তী, নাকি দূরবর্তী।তাইসিরুল

কিন্তু যদি তারা ফিরে যায় তবে তুমি বলো -- "আমি তোমাদের সাবধান করে দিয়েছি যথাযথভাবে। আর আমি জানি না তোমাদের যা ওয়াদা করা হয়েছে তা আসন্ন না দূরবর্তী।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১০১

অর্থাৎ আল্লাহর পাকড়াও। রিসালাতের দাওয়াত প্রত্যাখ্যান করার কারণে যে কোন ধরনের আযাবের আকারে আল্লাহর যে পাকড়াও আসবে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

১০৯. অতঃপর তারা মুখ ফিরিয়ে নিলে আপনি বলবেন, আমি তোমাদেরকে যথাযথভাবে জানিয়ে দিয়েছি এবং তোমাদেরকে যে বিষয়ের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে (১), আমি জানি না, তা কি খুব কাছে, নাকি তা দূরে।

(১) অর্থাৎ ইসলামের বিজয় ও কুফরির পরাজয়। এ সময়টি কখন আসবে সেটা আমি জানি না। অথবা আয়াতের অর্থ, আমি জানি না কখন তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নির্দেশ এসে যাবে। তখন আল্লাহ তোমাদেরকে পাকড়াও করবেন। অথবা আয়াতে আখেরাতের পাকড়াও উদ্দেশ্য নেয়া হয়েছে। কিয়ামতের দিনের সময় কেউ জানে না কোন পাঠানো নবী বা কোন ফেরেশতাও তা জানে না। (কুরতুবী; ইবন কাসীর; ফাতহুল কাদীর)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১০৯) যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয় তবে তুমি বল, ‘আমি তোমাদেরকে যথাযথভাবে জানিয়ে দিয়েছি। (1) আর আমি জানি না যে, তোমাদেরকে যে বিষয়ের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে তা নিকটবর্তী, না দূরবর্তী। (2)

(1) অর্থাৎ, যেমন আমি জানি যে, তোমরা আমার তাওহীদের ও ইসলামের আহবান হতে বিমুখতা অবলম্বন করে আমার শত্রু হয়েছ, তেমনি তোমাদের জেনে রাখা উচিত যে, আমিও তোমাদের শত্রু ও আমাদের আপোসের মধ্যে প্রকাশ্য যুদ্ধ চলবে।

(2) এই প্রতিশ্রুতি বলতে কিয়ামত বা ইসলাম ও মুসলিমদের বিজয়ের প্রতিশ্রুতি। অথবা প্রতিশ্রুতি বলতে আল্লাহর তরফ হতে তোমাদের বিরুদ্ধে আমাকে দেওয়া জিহাদের অনুমতি।