লা-ইয়াহঝুনুহুমুল ফাঝা‘উল আকবারু ওয়া তাতালাক্ক-হুমুল মালাইকাতু হা-যাইয়াওমুকুমুল্লাযী কুনতুম তূ‘আদূ ন।উচ্চারণ
সেই চরম ভীতিকর অবস্থা তাদেরকে একটুও পেরেশান করবে না ৯৮ এবং ফেরেশতারা এগিয়ে এসে তাদেরকে সাদরে অভ্যর্থনা জানাবে এই বলে, “এ তোমাদের সেই দিন যার প্রতিশ্রুতি তোমাদের দেয়া হতো।” তাফহীমুল কুরআন
তাদেরকে (কিয়ামতের) মহাভীতি দুশ্চিন্তাগ্রস্ত করবে না এবং ফিরিশতাগণ তাদেরকে (এই বলে) অভ্যর্থনা জানাবে যে, এটাই তোমাদের সেই দিন, যার ওয়াদা তোমাদের সঙ্গে করা হত।মুফতী তাকী উসমানী
মহাভীতি তাদেরকে বিষাদ ক্লিষ্ট করবেনা এবং মালাইকারা তাদেরকে অভ্যর্থনা করবে এই বলেঃ এই তোমাদের সেই দিন যার প্রতিশ্রুতি তোমাদেরকে দেয়া হয়েছিল।মুজিবুর রহমান
মহা ত্রাস তাদেরকে চিন্তান্বিত করবে না এবং ফেরেশতারা তাদেরকে অভ্যর্থনা করবেঃ আজ তোমাদের দিন, যে দিনের ওয়াদা তোমাদেরকে দেয়া হয়েছিল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
মহাভীতি তাদেরকে বিষাদক্লিষ্ট করবে না এবং ফেরেশতাগণ তাদেরকে অভ্যর্থনা করবে এই বলে, ‘এই তোমাদের সেই দিন যার প্রতিশ্রুতি তোমাদেরকে দেওয়া হয়েছিল।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
মহাভীতি তাদেরকে পেরেশান করবে না। আর ফেরেশতারা তাদেরকে অভ্যর্থনা জানিয়ে বলবে, ‘এটাই তোমাদের সেই দিন, যার ওয়াদা তোমাদেরকে দেয়া হয়েছিল’।আল-বায়ান
মহা ত্রাস তাদেরকে চিন্তাযুক্ত করবে না, আর ফেরেশতাগণ তাদেরকে অভ্যর্থনা জানাবে (এই কথা বলে যে), ‘এটাই তোমাদের দিন যার ওয়া‘দা তোমাদেরকে দেয়া হয়েছিল।তাইসিরুল
ভয়ংকর আতঙ্ক তাদের বিষাদগ্রস্ত করবে না, আর ফিরিশ্তারা তাদের সঙ্গে মুলাকাত করবে -- "এই হচ্ছে তোমাদের দিন যে সন্বন্ধে তোমাদের ওয়াদা করা হয়েছিল।"মাওলানা জহুরুল হক
৯৮
অর্থাৎ হাশরের দিন এবং আল্লাহর সামনে হাজির হবার সময়, যা সাধারণ লোকদের জন্য হবে চরম ভীতি ও পেরেশানীর সময়, নেক লোকেরা সে সময় একটি মানসিক নিশ্চিন্ততার মধ্যে অবস্থান করবে। কারণ, সবকিছু ঘটতে থাকবে তাদের আশা-আকাংখা ও কামনা-বাসনা অনুযায়ী। ঈমান ও সৎকাজের যে পুঁজি নিয়ে তারা দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছিল তা সে সময় পর্যন্ত আল্লাহর মেহেরবানীতে তাদের মনোবল দৃঢ় করবে এবং ভয় ও দুঃখের পরিবর্তে তাদের মনে এ আশার সঞ্চার করবে যে, শীঘ্রই তারা নিজেদের প্রচেষ্টা ও তৎপরতার সুফল লাভ করবে।
১০৩. মহাভীতি(১) তাদেরকে চিন্তান্বিত করবে না এবং ফিরিশতাগণ তাদেরকে অভ্যর্থনা করবে এ বলে, এ তোমাদের সে দিন যার প্রতিশ্রুতি তোমাদেরকে দেয়া হয়েছিল।
(১) ইবনে আব্বাস বলেনঃ (الْفَزَعُ الْأَكْبَرُ) বা “মহাভীতি” বলে শিঙ্গার ফুঁৎকার বোঝানো হয়েছে। (ইবন কাসীর) যার ফলে সব মৃত জীবিত হয়ে হিসাব-নিকাশের জন্যে উত্থিত হবে। (ফাতহুল কাদীর) কারও কারও মতে শিঙ্গার প্রথম ফুঁৎকার বোঝানো হয়েছে। আবার কারও মতে, মৃত্যুর সময় বোঝানো হয়েছে। কারও কারও মতে, যখন মানুষকে জাহান্নামের দিকে নেয়ার নির্দেশ দেয়া হবে। কারও কারও মতে, যখন জাহান্নামীদের উপর আগুন বাস্তবায়ন করা হবে। কারও কারও মতে যখন মৃত্যুকে যাবাই করা হবে। (কুরতুবী) তবে দ্বিতীয় ফুৎকার হওয়াটাই সবচেয়ে বেশী প্রাধান্যপ্রাপ্ত মত। (ফাতহুল কাদীর)
(১০৩) মহাভীতি(1) তাদেরকে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত করবে না এবং ফিরিশতারা তাদেরকে অভ্যর্থনা জানাবে (এবং বলবে), ‘এ তোমাদের সেই দিন যার প্রতিশ্রুতি তোমাদেরকে দেওয়া হয়েছিল।’
(1) ‘মহাভীতি’ বলতে মৃত্যু বা ইস্রাফীল (আঃ)-এর শিঙ্গায় ফুৎকারের সময় অথবা জান্নাত ও জাহান্নামের মাঝে মৃত্যুকে যবেহ করার সময় সৃষ্ট ভীতিকে বুঝানো হয়েছে। তবে ইস্রাফীলের শিঙ্গায় ফুৎকারের সময় এবং কিয়ামত কায়েম হওয়ার সময় সৃষ্ট ভীতিই পূর্বাপর আলোচনার বেশী নিকটবর্তী।