লাহুম ফীহা-ঝাফীরুওঁ ওয়াহুম ফীহা-লা-ইয়াছমা‘ঊন।উচ্চারণ
সেখানে তারা হাঁসফাঁস করতে থাকবে ৯৬ এবং তাদের অবস্থা এমন হবে যে, তারা কোন কথা শুনতে পাবে না। তাফহীমুল কুরআন
সেখানে থাকবে তাদের আর্তনাদ। তারা সেখানে কিছুই শুনতে পাবে না।মুফতী তাকী উসমানী
সেখানে থাকবে তাদের আর্তনাদ এবং সেখানে তারা কিছুই শুনতে পাবেনা।মুজিবুর রহমান
তারা সেখানে চীৎকার করবে এবং সেখানে তারা কিছুই শুনতে পাবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
সেখানে থাকবে এদের আর্তনাদ এবং সেখানে এরা কিছুই শুনতে পাবে না ; ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সেখানে থাকবে তাদের আর্তনাদ, আর সেখানে তারা শুনতে পাবে না।আল-বায়ান
সেখানে তারা ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদবে, সেখানে কিছুই শুনবে না।তাইসিরুল
তাদের জন্য তাতে রয়েছে আর্তনাদ, আর সেখানে তারা শুনতে পারবে না।মাওলানা জহুরুল হক
৯৬
মূলে زَفِيرٌ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। ভয়ংকর গরম, পরিশ্রম ও ক্লান্তিকর অবস্থায় মানুষ যখন টানা টানা শ্বাস নিয়ে তাকে সাপের ফোঁসফোঁসানীর মতো করে নাক দিয়ে মুখ দিয়ে বের করে তখন তাকে “যাফীর” বলা হয়।
১০০. সেখানে থাকবে তাদের নাভিশ্বাসের শব্দ(১) এবং সেখানে তারা কিছুই শুনতে পাবে না;
(১) ভয়ংকর গরম, পরিশ্রম ও ক্লান্তিকর অবস্থায় মানুষ যখন টানা টানা শ্বাস বের করতে থাকে সেটাকে বলা হয় “যাফীর”। আর সে শ্বাস টানাকে বলে “শাহীক”। (ইবন কাসীর)
(১০০) সেথায় থাকবে তাদের আর্তনাদ এবং সেথায় তারা কিছুই শুনতে পাবে না। (1)
(1) অর্থাৎ সকলেই কঠিন দুঃখ-কষ্টে আর্তনাদ করতে থাকবে। যার ফলে তারা একে অপরের আওয়াজও শুনতে পাবে না।