ওয়া ওয়াহাবনা-লাহূইছহা-কা ওয়া ইয়া‘কূবা নাফিলাতাও ওয়া কুল্লান জা‘আলনা-সা-লিহীন ।উচ্চারণ
আর তাঁকে আমি ইসহাক দান করলাম এবং এর ওপর অতিরিক্ত ইয়াকুব ৬৫ এবং প্রত্যেককে করলাম সৎকর্মশীল। তাফহীমুল কুরআন
এবং আমি পুরস্কার স্বরূপ তাকে দান করেছিলাম ইসহাক ও ইয়াকুব। আমি তাদের প্রত্যেককে বানিয়েছিলাম নেককার।মুফতী তাকী উসমানী
এবং আমি ইবরাহীমকে দান করেছিলাম ইসহাক এবং পুরস্কার স্বরূপ ইয়াকূব; এবং প্রত্যেককেই করেছিলাম সৎকর্মপরায়ণ।মুজিবুর রহমান
আমি তাকে দান করলাম ইসহাক ও পুরস্কার স্বরূপ দিলাম ইয়াকুব এবং প্রত্যেককেই সৎকর্ম পরায়ণ করলাম।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এবং আমি ইব্রাহীমকে দান করেছিলাম ইস্হাক এবং পৌত্ররূপে ইয়া‘ক‚ব ; আর প্রত্যেককেই করেছিলাম সৎকর্মপরায়ণ ; ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর আমি তাকে দান করেছিলাম ইসহাক ও ইয়াকূবকে অতিরিক্ত হিসেবে; আর তাদের প্রত্যেককেই আমি সৎকর্মশীল করেছিলাম।আল-বায়ান
আমি ইবরাহীমকে দান করেছিলাম ইসহাক, আর অতিরিক্ত হিসেবে (পৌত্র) ইয়া‘কুব, (তাদের) প্রত্যেককেই আমি করেছিলাম সৎকর্মশীল।তাইসিরুল
আর আমরা তাঁকে দিয়েছিলাম ইসহাক এবং পৌত্ররূপে ইয়াকুবকে। আর সবাইকে আমরা বানিয়েছিলাম সৎপথাবলন্বী।মাওলানা জহুরুল হক
৬৫
অর্থাৎ ছেলের পরে পৌত্রকেও নবুওয়াতের মর্যাদায় অভিসিক্ত করেছি।
৭২. এবং আমরা ইবরাহীমকে দান করেছিলাম ইসহাক আর অতিরিক্ত পুরস্কারস্বরূপ ইয়াকুবকে(১); এবং প্রত্যেককেই করেছিলাম সৎকর্মপরায়ণ।
(১) অর্থাৎ আমি তাকে (দোআ ও অনুরোধ অনুযায়ী) পুত্র ইসহাক ও অতিরিক্ত দান হিসেবে পৌত্র ইয়াকুবও নিজের পক্ষ থেকে দান করলাম। অর্থাৎ ছেলের পরে পৌত্রকেও নবুওয়াতের মর্যাদায় অভিসিক্ত করেছি। দোআর অতিরিক্ত হওয়ার কারণে একে نافلة বলা হয়েছে। (কুরতুবী)
(৭২) আমি তাকে (ইব্রাহীমকে) দান করলাম ইসহাক এবং অতিরিক্ত (পৌত্র)রূপে ইয়াকুবকে; (1) আর প্রত্যেককেই করলাম সৎকর্মপরায়ণ।
(1) نَافِلة এর অর্থ অতিরিক্ত। অর্থাৎ, ইবরাহীম শুধু পুত্রের জন্য দু’আ করেছিলেন। কিন্তু আমি বিনা দু’আয় অতিরিক্ত হিসাবে তাকে পৌত্রও দান করলাম।