ছু ম্মা নুকিছূ‘আলা-রুঊছিহিম লাকাদ ‘আলিমতা মা-হাউলাই ইয়ানতিকূন।উচ্চারণ
কিন্তু আবার তাদের মত পাল্টে গেলো ৬১ এবং বলতে থাকলো, “তুমি জানো, এরা কথা বলে না।” তাফহীমুল কুরআন
অতঃপর তারা তাদের মাথা নুইয়ে দিল এবং বলল, তুমি তো জানই তারা কথা বলতে পারে না। #%৩১%#মুফতী তাকী উসমানী
অতঃপর তাদের মাথা নত হয়ে গেল এবং তারা বললঃ তুমিতো জানই যে, এরা কথা বলেনা।মুজিবুর রহমান
অতঃপর তারা ঝুঁকে গেল মস্তক নত করে, তুমি তো জান যে, এরা কথা বলে নামাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এরপর এদের মস্তক অবনত হয়ে গেল এবং এরা বলল, ‘তুমি তো জানই যে, এরা কথা বলে না।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর তাদের মাথা অবনত হয়ে গেল এবং বলল, ‘তুমি তো জানই যে, এরা কথা বলতে পারে না’।আল-বায়ান
তাদের মাথা হেঁট হয়ে গেল। (তখন তারা বলল) ‘তুমি তো জানই ওরা কথা বলতে পারে না।’তাইসিরুল
তারপর তাদের হেটঁ করা হ’ল তাদের মাথার উপরে "তুমি তো অবশ্যই জানো যে এরা কথা বলে না।"মাওলানা জহুরুল হক
৬১
মূলে نُكِسُوا عَلَى رُءُوسِهِمْ (মাথা নিচের দিকে উলটিয়ে দেয়া হলো) বলা হয়েছে। কেউ কেউ এর অর্থ করেছেন, তারা লজ্জায় মাথা নত করলো। কিন্তু পরিবেশ পরিস্থিতি ও বর্ণনা ভংগী এ অর্থ গ্রহণ করতে অস্বীকার করে। বক্তব্য পরম্পরা ও বক্তব্যের ধরনের প্রতি নজর দিলে যে সঠিক অর্থটি পরিষ্কার বুঝা যায় সেটি হচ্ছে এই যে, হযরত ইবরাহীমের জবাব শুনে প্রথমেই তারা মনে মনে ভাবলো, প্রকৃতপক্ষে তোমরা নিজেরাই তো জালেম। কেমন অসহায় ও অক্ষম দেবতাদেরকে তোমরা ইলাহ বানিয়ে নিয়েছো, যারা নিজমুখে তাদের ওপর কি ঘটে গেছে এবং কে তাদেরকে ভেঙ্গে চুরে রেখে দিয়েছে একথা বলতে পারে না। যারা নিজেরা নিজেদেরকে বাঁচাতে পারে না তারা তোমাদেরকে কিভাবে বাঁচাবে। কিন্তু এর পরপরই আবার তাদের ওপর জিদ ও মূর্খতা চড়াও হয়ে গেলো এবং জিদের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী তা চড়াও হবার সাথে সাথেই তাদের বুদ্ধি উল্টোমুখী হয়ে গেলো। মস্তিষ্ক সোজা ও সঠিক চিন্তা করতে করতে হঠাৎ উল্টো চিন্তা করতে আরম্ভ করলো।
হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম প্রতিমাদের প্রকৃত অবস্থা তাদের সামনে পরিষ্কার করে দেওয়ার জন্য যে পন্থা অবলম্বন করেছিলেন, তা অত্যন্ত কার্যকর ছিল। তার ফলে তারা অন্ততপক্ষে এতটুকু চিন্তা করতে বাধ্য হয় যে, আমরা আসলে কী করছি, কাদের পূজায় নিজেদের রত রাখছি। তবে কি আমরা ভুল করছি, আমাদের পূজা-অর্চনা সব কি অন্যায়? পরিশেষে তাদের অন্তর থেকে সাক্ষ্য উদগত হল, হা এসবই অন্যায়, ‘মূলত আমরাই জালেম’। তবে যুগ-যুগ ধরে লালিত বিশ্বাস ত্যাগ করার মত মনের জোরও তাদের ছিল না। লা-জবাব হয়ে তারা মাথা তো ঝুঁকিয়ে দিল, কিন্তু মচকাতে চাইল না। ভাব দেখাল যেন কোন ভুল তাদের নেই। বলল, এরা যে কথা বলে না সেটা তো আমরা আগে থেকেই জানি এবং তোমারও এটা অজানা নয়।
৬৫. তারপর তাদের মাথা নত হয়ে গেল এবং তারা বলল, তুমি তো জানই যে, এরা কথা বলে না।
(৬৫) অতঃপর তাদের মস্তক অবনত হয়ে গেল (এবং তারা বলল), ‘তুমি তো জানই যে, ওরা কথা বলতে পারে না।’(1)
(1) হে ইবরাহীম! তুমি আমাদেরকে কেন বলছ যে, ওদেরকে জিজ্ঞাসা কর; যদি ওরা বলতে পারে। অথচ তুমি ভালভাবেই জান যে,ওরা বলতে সক্ষম নয়।