فَرَجَعُوٓاْ إِلَىٰٓ أَنفُسِهِمۡ فَقَالُوٓاْ إِنَّكُمۡ أَنتُمُ ٱلظَّـٰلِمُونَ

ফারজা‘উইলাআনফুছিহিম ফাক-লূইন্নাকুম আনতুমুজ্জা-লিমূন।উচ্চারণ

একথা শুনে তারা নিজেদের বিবেকের দিকে ফিরলো এবং (মনে মনে) বলতে লাগলো, “সত্যিই তোমরা নিজেরাই জালেম।” তাফহীমুল কুরআন

এ কথায় তারা আপন মনে চিন্তা করতে লাগল এবং (স্বগতভাবে) বলতে লাগল, প্রকৃতপক্ষে তোমরা নিজেরাই জালেম।মুফতী তাকী উসমানী

তখন তারা মনে মনে চিন্তা করে দেখল এবং একে অপরকে বলতে লাগলঃ তোমরাইতো সীমালংঘনকারী।মুজিবুর রহমান

অতঃপর মনে মনে চিন্তা করল এবং বললঃ লোক সকল; তোমরাই বে ইনসাফ।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তখন এরা মনে মনে চিন্তা করে দেখল এবং একে অপরকে বলতে লাগল, ‘তোমরাই তো সীমালংঘনকারী!’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন তারা নিজদের দিকে ফিরে গেল* এবং একে অন্যকে বলতে লাগল, ‘তোমরাই তো যালিম’।আল-বায়ান

তখন তারা বিষয়টি নিয়ে মনে মনে চিন্তা করল এবং পরস্পর বলাবলি করল- তোমরা নিজেরাই তো অন্যায়কারী।তাইসিরুল

তখন তারা নিজেদের দিকে ফিরল এবং বললে -- "নিঃসন্দেহ তোমরা নিজেরাই অন্যায়াচারী।"মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৬৪. তখন তারা নিজেরা পূনর্বিবেচনা করে দেখল এবং একে অন্যকে বলতে লাগল, তোমরাই তো যালেম৷

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৬৪) তখন তারা মনে মনে চিন্তা করে দেখল এবং একে অপরকে বলতে লাগল, ‘তোমরাই তো সীমালংঘনকারী।’(1)

(1) ইবরাহীম (আঃ)-এর এই উত্তরে তারা চিন্তায় পড়ল ও কোন উত্তর খুঁজে না পেয়ে একে অপরকে বলতে লাগল, আসলে তোমরাই তো সীমালংঘনকারী। যারা নিজেদের জীবন রক্ষা করতে ও ক্ষতি সাধনকারীর প্রতিরোধ করতে পারে না, তারা ইবাদতের যোগ্য কিভাবে হতে পারে? কেউ কেউ এই অর্থ বর্ণনা করেছেন যে, মূর্তিদের রক্ষা না করতে পারায় একে অপরকে ভৎর্সনা করল ও রক্ষা না করতে পারায় একে অপরকে অত্যাচারী বলল।