ক-লূইয়া-ওয়াইলানাইন্না-কুন্না-জা-লিমীন।উচ্চারণ
বলতে লাগলো, “হায়, আমাদের দুর্ভাগ্য! নিশ্চয়ই আমরা অপরাধী ছিলাম।” তাফহীমুল কুরআন
তারা বলল, হায় আমাদের দুর্ভাগ্য! প্রকৃতপক্ষে আমরাই জালেম ছিলাম।মুফতী তাকী উসমানী
তারা বললঃ হায় দুর্ভোগ আমাদের! আমরাতো ছিলাম যালিম।মুজিবুর রহমান
তারা বললঃ হায়, দুর্ভোগ আমাদের, আমরা অবশ্যই পাপী ছিলাম।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এরা বলল, ‘হায়, দুর্ভোগ আমাদের ! আমরা তো ছিলাম জালিম।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তারা বলল, ‘হায় আমাদের দুর্ভোগ! আমরা তো অবশ্যই যালিম ছিলাম।’আল-বায়ান
তারা বলল, ‘হায় আমাদের দুর্ভাগ্য! আমরা সত্যিই অন্যায়কারী ছিলাম।’তাইসিরুল
তারা বলেছিল -- "হায় আমাদের দুর্ভোগ! আমরা তো আলবৎ অন্যায়কারী ছিলাম।"মাওলানা জহুরুল হক
১৪. তারা বলল, হায়! দুর্ভোগ আমাদের! আমরা তো ছিলাম যালেম।(১)
(১) অর্থাৎ খেলা-তামাসা করা আমার কাজ নয়। এগুলোকে আমি অনাহুত ও আসার সৃষ্টি করিনি। বরং এটা বোঝানোর জন্য যে, এর একজন সৃষ্টিকর্তা রয়েছে, যিনি ক্ষমতাবান, যার নির্দেশ মানতে সবাই বাধ্য। তিনি নেককার ও বদকারের শাস্তি বিধান করবেন। তিনি আসমান ও যমীন এজন্যে সৃষ্টি করেননি যে মানুষ একে অপরের উপর যুলুম করবে। এজন্যে সৃষ্টি করেননি যে, তাদের কেউ কুফরী করবে, তাদেরকে যা নির্দেশ দেয়া হয়েছে তার বিরোধিতা করবে। তারপর মারা যাবে কিন্তু তাদের কোন শাস্তি হবে না। তাদেরকে এজন্যে সৃষ্টি করা হয়নি যে, তাদেরকে দুনিয়াতে ভাল কাজের নির্দেশ দিবেন না, খারাপ কাজ থেকে নিষেধ করবেন না। এ ধরনের খেলা একজন প্রাজ্ঞ থেকে কখনও হতে পারে না। এটা অবশ্যই প্রজ্ঞা বিরোধী কাজ। (কুরতুবী) বরং আল্লাহ আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন যথাযথভাবে, ইনসাফ ও ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠার জন্য। বরং তিনি সৃষ্টি করেছেন, “যাতে তিনি তাদের কাজের প্রতিফল দিতে পারেন যারা মন্দ কাজ করে এবং তাদেরকে তিনি উত্তম পুরস্কার দিতে পারেন যারা সৎকাজ করে।” (সূরা আন-নাজম: ৩১) (ইবন কাসীর)
(১৪) ওরা বলল, ‘হায় দুর্ভোগ আমাদের! আমরা ছিলাম সীমালংঘনকারী।’