فَوَسۡوَسَ إِلَيۡهِ ٱلشَّيۡطَٰنُ قَالَ يَـٰٓـَٔادَمُ هَلۡ أَدُلُّكَ عَلَىٰ شَجَرَةِ ٱلۡخُلۡدِ وَمُلۡكٖ لَّا يَبۡلَىٰ

ফাওয়াছওয়াছা ইলাইহিশ শাইতা-নুক-লা ইয়াআ-দামুহাল আদুল্লুকা ‘আলা-শাজারতিল খুলদি ওয়া মুলকিল লা-ইয়াবলা-।উচ্চারণ

কিন্তু শয়তান তাকে কুমন্ত্রণা দিল, ৯৯ বলতে থাকলো, “হে আদম! তোমাকে কি এমন গাছের কথা বলে দেবো যা থেকে অনন্ত জীবন ও অক্ষয় রাজ্য লাভ করা যায়?” ১০০ তাফহীমুল কুরআন

অতঃপর শয়তান তার অন্তরে কুমন্ত্রণা দিল। সে বলল, হে আদম! তোমাকে কি এমন একটা গাছের সন্ধান দেব, যা দ্বারা অনন্ত জীবন ও এমন রাজত্ব লাভ হয়, যা কখনও ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না? #%৫৯%#মুফতী তাকী উসমানী

অতঃপর শাইতান তাকে কুমন্ত্রণা দিল; সে বললঃ হে আদম! আমি কি তোমাকে বলে দিব অনন্ত জীবনপ্রদ বৃক্ষের কথা ও অক্ষয় রাজ্যের কথা?মুজিবুর রহমান

অতঃপর শয়তান তাকে কুমন্ত্রনা দিল, বললঃ হে আদম, আমি কি তোমাকে বলে দিব অনন্তকাল জীবিত থাকার বৃক্ষের কথা এবং অবিনশ্বর রাজত্বের কথা?মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এরপর শয়তান তাকে কুমন্ত্রণা দিল; সে বলল, ‘হে আদম! আমি কি তোমাকে বলে দিব অনন্ত জীবনপ্রদ বৃক্ষের কথা ও অক্ষয় রাজ্যের কথা ?’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর শয়তান তাকে কুমন্ত্রণা দিল, বলল, ‘হে আদম, আমি কি তোমাকে বলে দিব অনন্ত জীবনপ্রদ গাছ এবং অক্ষয় রাজত্ব সম্পর্কে?’আল-বায়ান

কিন্তু শয়ত্বান তাকে কুমন্ত্রণা দিল। সে বলল, ‘হে আদাম! আমি কি তোমাকে জানিয়ে দেব চিরস্থায়ী জীবনদায়ী গাছের কথা আর এমন রাজ্যের কথা যা কোনদিন ক্ষয় হবে না?’তাইসিরুল

অতঃপর শয়তান তাকে কুমন্ত্রণা দিল, সে বললে -- "হে আদম! আমি কি তোমাকে চালিয়ে নিয়ে যাব অনন্ত-জীবনদায়ক গাছের দিকে ও এক রাজত্বের দিকে যার ক্ষয় নেই?"মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৯৯

এখানে কুরআন পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দিচ্ছে যে, আদম ও হাওয়ার মধ্যে আসলে যাকে শয়তান প্ররোচিত করেছিল তিনি হাওয়া ছিলেন না বরং ছিলেন আদম আলাইহিস সালাম। যদিও সূরা আ’রাফের বক্তব্যে দু’জনকে সম্বোধন করা হয়েছে এবং সেখানে দু’জনকেই প্ররোচিত বলা হয়েছে কিন্তু শয়তানের প্ররোচনার গতিমুখ ছিল মূলত হযরত আদমেরই দিকে। অন্যদিকে বাইবেলের বর্ণনা মতে সাপ প্রথমে মহিলা অর্থাৎ হযরত হাওয়ার সাথে কথা বলে এবং হাওয়া তার স্বামীকে প্ররোচিত করে তাঁকে গাছের ফল খাওয়ান। (আদি পুস্তকঃ৩)

১০০

সূরা আ’রাফে আমরা শয়তানের কথাবার্তার আরো যে বিস্তারিত বিবরণ পাই তা হচ্ছে এই যে,

وَقَالَ مَا نَهَاكُمَا رَبُّكُمَا عَنْ هَذِهِ الشَّجَرَةِ إِلَّا أَنْ تَكُونَا مَلَكَيْنِ أَوْ تَكُونَا مِنَ الْخَالِدِينَ

“আর সে বললো, তোমাদের রব তোমাদেরকে এ গাছটি থেকে শুধুমাত্র এ জন্য বিরত রেখেছেন, যাতে তোমরা দু’জন ফেরেশতা অথবা চিরঞ্জীব না হয়ে যাও।” (২০ আয়াত)

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

এর সাথে শয়তান নিষেধাজ্ঞার এই ব্যাখ্যাও তাদের সামনে পেশ করল যে, এ গাছের ফল খেতে বারণ করা হয়েছিল সাময়িক কালের জন্য। অর্থাৎ, এর ফল খেয়ে হজম করার মত শক্তি তোমাদের তখন ছিল না। যেহেতু তোমরা দীর্ঘদিন জান্নাত বাসের ফলে এর পরিবেশে অভ্যস্ত হয়ে গেছ, তাই এখন আর এ ফল খেতে কোন বাধা নেই।

তাফসীরে জাকারিয়া

১২০. অতঃপর শয়তান তাকে কুমন্ত্রণা দিল; সে বলল, হে আদম! আমি কি আপনাকে বলে দেব অনন্ত জীবনদায়িনী গাছের কথা ও অক্ষয় রাজ্যের কথা?(১)

(১) অন্যত্র আমরা শয়তানের কথাবার্তার আরো যে বিস্তারিত বিবরণ পাই তা হচ্ছে এই যে, “আর সে বললো, তোমাদের রব তোমাদেরকে এ গাছটি থেকে শুধুমাত্র এ জন্য বিরত রেখেছেন, যাতে তোমরা দু'জন ফেরেশতা অথবা চিরঞ্জাব না হয়ে যাও।” (সূরা আল-আ’রাফঃ ২০)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১২০) অতঃপর শয়তান তাকে কুমন্ত্রণা দিল। সে বলল, ‘হে আদম! আমি কি তোমাকে বলে দেব অনন্ত জীবনপ্রদ বৃক্ষ ও অক্ষয় রাজ্যের কথা?’