ওয়া আন্নাকা লা-তাজমাউ ফীহা-ওয়ালা-তাদহা-।উচ্চারণ
এবং না পিপাসার্ত ও রৌদ্রক্লান্ত হচ্ছো।” ৯৮ তাফহীমুল কুরআন
আর না এখানে তৃষ্ণার্ত হবে, না রোদের তাপ ভুগবে।মুফতী তাকী উসমানী
এবং তুমি সেখানে পিপাসার্ত হবেনা এবং রৌদ্র ক্লিষ্টও হবেনা।মুজিবুর রহমান
এবং তোমার পিপাসাও হবে না এবং রৌদ্রেও কষ্ট পাবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এবং সেখানে পিপাসার্ত হবে না এবং রৌদ্র-ক্লিষ্টও হবে না।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আর সেখানে তুমি পিপাসার্তও হবে না এবং রৌদ্রদগ্ধও হবে না’।আল-বায়ান
সেখানে তুমি তৃষ্ণার্তও হবে না, রোদেও পুড়বে না।তাইসিরুল
আর তুমি নিশ্চয়ই সেখানে পিপাসার্ত হবে না অথবা রোদেও পুড়বে না।মাওলানা জহুরুল হক
৯৮
জান্নাত থেকে বের হবার পর মানুষকে যে বিপদের মুখোমুখি হতে হবে তার বিবরণ এখানে দেয়া হয়েছে। এ সময় জান্নাতের বড় বড় পূর্ণাংগ ও শ্রেষ্ঠ নিয়ামতগুলো উল্লেখ করার পরিবর্তে তার চারটি মৌলিক নিয়ামতের কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ এখানে তোমাদের জন্য খাদ্য, পানীয়, পোশাক ও গৃহের ব্যবস্থা সরকারীভাবে করা হচ্ছে। এর কোন একটি অর্জন করার জন্য তোমাদের পরিশ্রম করতে ও প্রচেষ্টা চালাতে হচ্ছে না। এ থেকে আপনাআপনি একথা আদম ও হাওয়া আলাইহিমাস সালামের কাছে সুস্পষ্ট হয়ে গেছে যে, যদি তারা শয়তানের প্ররোচনায় পড়ে সরকারী নির্দেশের বিরুদ্ধাচরণ করে তাহলে জান্নাত থেকে বের হয়ে তারা এখানকার বড় বড় নিয়ামত তো দূরের কথা মৌলিক জীবন উপকরণও লাভ করবে না। নিজেদের প্রাথমিক প্রয়োজনের জন্যও তারা প্রচেষ্টা চালাতে এবং জীবনপাত করতে বাধ্য হবে। মাথার ঘাম পায়ে না ফেলা পর্যন্ত একবেলার আহারেরও সংস্থান করতে পারবে না। দুবেলা দু’মুঠো আহারের চিন্তা তাদের মনোযোগ, সময় ও শক্তির এমন বৃহত্তম অংশ টেনে বের করে নিয়ে যাবে যে, কোন উন্নতর উদ্দেশ্যের জন্য কিছু করার অবকাশ ও শক্তি তাদের থাকবে না।
১১৯. এবং সেখানে পিপাসার্ত হবেন না, আর রোদেও আক্রান্ত হবেন না।(১)
(১) জান্নাত থেকে বের হবার পর মানুষকে যে বিপদের মুখোমুখি হতে হবে তার বিবরণ এখানে দেয়া হয়েছে। এ সময় জান্নাতের বড় বড়, পূৰ্ণাংগ ও শ্রেষ্ঠ নিয়ামতগুলো উল্লেখ করার পরিবর্তে অন্ন, পানীয়, বস্ত্র ও বাসস্থান এ চারটি মৌলিক নিয়ামতের কথা বলা হয়েছে। বস্তুত: জীবনধারণের প্রয়োজনীয় এই চারটি মৌলিক বস্তু মানুষকে দুনিয়াতে সবচেয়ে বেশী কষ্ট দেয়। (ফাতহুল কাদীর)
(১১৯) সেখানে পিপাসার্ত হবে না এবং রোদ্র-ক্লিষ্ট ও হবে না।’