ٱذۡهَبۡ إِلَىٰ فِرۡعَوۡنَ إِنَّهُۥ طَغَىٰ

ইযহাব ইলা -ফির‘আওনা ইন্নাহূতাগা-।উচ্চারণ

এখন তুমি যাও ফেরাউনের কাছে, সে বিদ্রোহী হয়ে উঠেছে।” তাফহীমুল কুরআন

এবার ফির‘আউনের কাছে যাও। সে অবাধ্যতায় সীমালংঘন করেছে।মুফতী তাকী উসমানী

ফির‘আউনের নিকট যাও, সে সীমালংঘন করেছে।মুজিবুর রহমান

ফেরাউনের নিকট যাও, সে দারুণ উদ্ধত হয়ে গেছে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

‘ফির‘আওনের নিকট যাও, সে তো সীমালংঘন করেছে।’ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘ফির‘আউনের কাছে যাও; নিশ্চয় সে সীমালঙ্ঘন করেছে’।আল-বায়ান

ফেরাউনের কাছে যাও, বাস্তবিকই সে সীমালঙ্ঘন করেছে।’তাইসিরুল

ফিরআউনের কাছে যাও, নিঃসন্দেহ সে সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।"মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

২৪. ফিরআউনের কাছে যান, সে তো সীমালংঘন করেছে।(১)

(১) অর্থাৎ মিসরের বাদশা ফিরআউনের কাছে যান। যার কাছ থেকে পালিয়ে এসেছেন, তাকে একমাত্র আল্লাহর ইবাদাতের দিকে আহ্বান জানান। আর তাকে বলুন, যেন বনী ইসরাঈলের সাথে ভাল ব্যবহার করে। তাদেরকে যেন শাস্তি না দেয়। কেননা সে সীমালজম্বন করেছে, বাড়াবাড়ি করেছে, দুনিয়াকে প্রাধান্য দিয়েছে এবং মহান রবকে ভুলে গেছে। (ইবন কাসীর)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২৪) তুমি ফিরআউনের নিকট যাও, নিশ্চয় সে সীমালংঘন করেছে।’ (1)

(1) ফিরআউনের উল্লেখ এই কারণে যে, মূসা (আঃ)-এর জাতি বানী ইস্রাঈলকে দাসে পরিণত করে রেখেছিল। তাদের উপর নানান প্রকার অত্যাচার চালাত। এ ছাড়া তার অবাধ্যতা ও ঔদ্ধত্যও চরম সীমায় পৌঁছে গিয়েছিল। এমনকি সে দাবী করে বসেছিল যে, {أَنَا رَبُّكُمُ الْأَعْلَى} অর্থাৎ, আমিই তোমাদের উচ্চতম প্রতিপালক। (নাযিআতঃ ২৪)