وَٱذۡكُرۡ فِي ٱلۡكِتَٰبِ إِسۡمَٰعِيلَۚ إِنَّهُۥ كَانَ صَادِقَ ٱلۡوَعۡدِ وَكَانَ رَسُولٗا نَّبِيّٗا

ওয়াযকুর ফিল কিতা-বি ইছমা-ঈলা ইন্নাহূক-না সা-দিকাল ওয়া‘দি ওয়া ক-না রছূলান নাবিইইয়া-।উচ্চারণ

আর এ কিতাবে ইসমাঈলের কথা স্মরণ করো। সে ছিল ওয়াদা পালনে সত্যনিষ্ঠ এবং ছিল রাসূল-নবী। তাফহীমুল কুরআন

এবং এ কিতাবে ইসমাঈলের বৃত্তান্তও বিবৃত কর। নিশ্চয়ই সে ছিল প্রতিশ্রুতির ক্ষেত্রে সত্যবাদী এবং রাসূল ও নবী। #%২৯%#মুফতী তাকী উসমানী

এই কিতাবে উল্লেখিত ইসমাঈলের কথা বর্ণনা কর, সে ছিল প্রতিশ্রুতি পালনে সত্যাশ্রয়ী এবং সে ছিল রাসূল, নাবী।মুজিবুর রহমান

এই কিতাবে ইসমাঈলের কথা বর্ণনা করুন, তিনি প্রতিশ্রুতি পালনে সত্যাশ্রয়ী এবং তিনি ছিলেন রসূল, নবী।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

স্মরণ কর, এই কিতাবে ইসমাঈলের কথা, সে তো ছিল প্রতিশ্রুতি পালনে সত্যাশ্রয়ী এবং সে ছিল রাসূল, নবী; ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর স্মরণ কর এই কিতাবে ইসমাঈলকে। সে ছিল সত্যিকারের ওয়াদা পালনকারী এবং সে ছিল রাসূল, নবী।আল-বায়ান

এ কিতাবে উল্লেখিত ইসমাঈলের কথা স্মরণ কর, সে ছিল ওয়া‘দা রক্ষায় (দৃঢ়) সত্যবাদী, আর ছিল একজন রসূল ও নবী।তাইসিরুল

আর কিতাবখানাতে স্মরণ করো ইসমাইলের কথা। নিঃসন্দেহ তিনি ছিলেন ওয়াদাতে সত্যপরায়ণ, আর তিনি ছিলেন একজন রসূল, একজন নবী।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

পূর্বে ৪৯ নং আয়াতে হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালামের আওলাদের মধ্যে পুত্র ইসহাক আলাইহিস সালাম ও পৌত্র ইয়াকুব আলাইহিস সালামের নাম তো উল্লেখ করা হয়েছে, কিন্তু হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালামের নাম উল্লেখ করা হয়নি। এর কারণ খুব সম্ভব এই যে, তাঁর বিশেষ গুরুত্বের কারণে স্বতন্ত্রভাবে তাঁর বৃত্তান্ত বর্ণনা করা উদ্দেশ্য ছিল, যা এ আয়াতে করা হয়েছে। এমনিতে প্রত্যেক নবীই ওয়াদা রক্ষায় সত্যনিষ্ঠ হয়ে থাকেন। তা সত্ত্বেও হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালামকে বিশেষভাবে এ বিশেষণে বিশেষিত করা হয়েছে এ সম্পর্কিত তাঁর এক অসাধারণ ঘটনার কারণে। যখন আল্লাহ তাআলার পক্ষ হতে তাঁকে যবাহ করার হুকুম দেওয়া হয়েছিল, তখন তিনি পিতার সঙ্গে ওয়াদা করেছিলেন, যবাহকালে তিনি পরিপূর্ণ ধৈর্য ধারণ করবেন (সূরা সাফফাতে সে ঘটনা বিস্তারিত আসবে)। পিতা যখন আল্লাহ তাআলার নির্দেশ মত তাকে যবাহ করতে উদ্যত হন এবং তিনি সাক্ষাত মৃত্যুর সম্মুখীন হন, তখনও নিজ ওয়াদার কথা ভোলেননি; বরং ধৈর্য-স্থৈর্যের চরম পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করেছিলেন। মুফাসসিরগণ তাঁর ওয়াদা রক্ষার এ ছাড়া আরও কয়েকটি ঘটনা উল্লেখ করেছেন।

তাফসীরে জাকারিয়া

৫৪. আর স্মরণ করুন এ কিতাবে ইসমাঈলকে, তিনি তো ছিলেন প্রতিশ্রুতি পালনে সত্যাশ্রয়ী (১) এবং তিনি ছিলেন রাসূল, নবী;

(১) ওয়াদা পালনে ইসমাঈল আলাইহিস সালামের স্বাতন্ত্র্যের কারণ এই যে, তিনি আল্লাহর সাথে কিংবা কোন বান্দার সাথে যে বিষয়ের ওয়াদা করেছেন, অবিচল নিষ্ঠা ও যত্ন সহকারে তা পালন করেছেন। তিনি আল্লাহর সাথে ওয়াদা করেছিলেন যে, নিজেকে জবাই এর জন্যে পেশ করে দেবেন। এবং তজ্জন্যে সবর করবেন। তিনি এ ওয়াদায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। (ইবন কাসীর) একবার তিনি জনৈক ব্যক্তির সাথে একস্থানে সাক্ষাতের ওয়াদা করেছিলেন। কিন্তু লোকটি সময়মত আগমন না করায় সেখানে অনেক দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে থাকেন। (ফাতহুল কাদীর)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৫৪) এই কিতাবে (উল্লিখিত) ইসমাঈলের কথা বর্ণনা কর, সে ছিল একজন প্রতিশ্রুতি পালনকারী এবং সে ছিল রসূল, নবী।