হাত্তাইযা-বালাগা বাইনাছছাদ্দাইনি ওয়াজাদা মিন দূনিহিমা-কাওমাল লা-ইয়াক-দূনা ইয়াফকাহূনা কাওলা-।উচ্চারণ
এমনকি যখন দু’পাহাড়ের মধ্যখানে পৌঁছলো ৬৭ তখন সেখানে এক জাতির সাক্ষাত পেলো। যারা খুব কমই কোন কথা বুঝতে পারতো। ৬৮ তাফহীমুল কুরআন
চলতে চলতে যখন দু’টি পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে পৌঁছল, তখন সে পাহাড়ের কাছে এমন এক জাতির সাক্ষাত পেল, যারা তার কোন কথা যেন বুঝতে পারছিল না। #%৫২%#মুফতী তাকী উসমানী
চলতে চলতে সে যখন পর্বত প্রাচীরের মধ্যবর্তী স্থানে পৌঁছল তখন সেখানে সে এক সম্প্রদায়কে পেল যারা তার কথা মোটেই বুঝতে পারছিলনা।মুজিবুর রহমান
অবশেষে যখন তিনি দুই পর্বত প্রচীরের মধ্যস্থলে পৌছলেন, তখন তিনি সেখানে এক জাতিকে পেলেন, যারা তাঁর কথা একেবারেই বুঝতে পারছিল না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
চলতে চলতে সে যখন দুই পর্বত-প্রাচীরের মধ্যবর্তী স্থলে পৌঁছিল তখন সেখানে সে এক সম্প্রদায়কে পেল যারা কোন কথা বুঝার মত ছিল না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অবশেষে যখন সে দুই পর্বতের মধ্যবর্তী স্থানে পৌঁছল, তখন সেখানে সে এমন এক জাতিকে পেল, যারা তার কথা তেমন একটা বুঝতে পারছিল না।আল-বায়ান
চলতে চলতে সে দু’ পাহাড়ের মাঝে এসে পৌঁছল। সেখানে সে এক সম্প্রদায়কে দেখতে পেল। যারা কথাবার্তা কমই বুঝতে পারে।তাইসিরুল
পরে যখন তিনি দুই পর্বত-প্রাচীরের মধ্যে পৌঁছলেন তখন এ দুইটির মধ্যাঞ্চলে তিনি এক সম্প্রদায়কে পেলেন যারা কথা কিছুই বুঝতে পারত না।মাওলানা জহুরুল হক
৬৭
যেহেতু সামনের দিকে বলা হচ্ছে যে, এ দু’পাহাড়ের বিপরীত পাশে ইয়াজুজক মাজুজের এলাকা ছিল তাই ধরে নিতে হয় যে, এ পাহাড় বলতে কাস্পিয়ান সাগর ও কৃষ্ণ সাগরের মধ্যবর্তী সুবিস্তীর্ণ ককেসীয় পবর্তমালাকে বুঝানো হয়েছে।
৬৮
অর্থাৎ যুলকারনাইন ও তার সাথীদের জন্য তাদের ভাষা ছিল প্রায়ই অপরিচিত ও দুর্বোধ্য। ভীষণভাবে সভ্যতার আলো বিবর্জিত ও বন্য হওয়ার কারণে তাদের ভাষা কেউ জানতো না এবং তারাও কারোর ভাষা জানতো না।
এটা যুলকারনাইনের তৃতীয় সফর। কুরআন মাজীদে তাঁর এ সফরের কোন দিক বর্ণনা করা হয়নি। অধিকাংশ মুফাসসিরের মতে তার এ সফর ছিল দুনিয়ার উত্তর দিকে। তিনি সে দিকে লোকালয়ের শেষ মাথায় গিয়ে পৌঁছান। সেখানকার মানুষের ভাষা সম্পূর্ণ অন্য রকম ছিল। সম্ভবত আকার-আকৃতিও ভিন্ন ধরনের ছিল, যদ্দরুণ তারা কথা বুঝতে পারছে কি না তার কোন আভাস তাদের চেহারা দেখে বোঝা যাচ্ছিল না। শেষ পর্যন্ত তাদের সঙ্গে যে কথাবার্তা হয় তা সম্ভবত কোন দোভাষীর মাধ্যমে হয়েছিল কিংবা ইশারার মাধ্যমে।
৯৩. চলতে চলতে সে যখন দুই পৰ্বত প্রাচীরের মধ্যবর্তী স্থলে(১) পৌছল, তখন সেখানে সে এক সম্প্রদায়কে পেল, যারা তার কথা তেমন বুঝতে পারছিল না।
(১) যে বস্তু কোন কিছুর জন্য বাধা হয়ে যায়, سد তাকে বলা হয়; তা প্রাচীর হোক কিংবা পাহাড় হোক, কৃত্রিম হোক কিংবা প্রাকৃতিক হোক। এখানে سدين বলে দুই পাহাড় বোঝানো হয়েছে। এগুলো ইয়াজুজ-মাজুজের পথে বাধা ছিল। কিন্তু উভয়ের মধ্যবর্তী গিরিপথ দিয়ে এসে তারা আক্রমণ চালাত। (উসাইমীন, তাফসীরুল কুরআনিল কারীম যুলকারনাইন এই গিরিপথটি বন্ধ করে দেন।
(৯৩) চলতে চলতে সে যখন দুই পর্বত-প্রাচীরের(1) মধ্যবর্তী স্থলে পৌঁছল, তখন সেখানে সে এক সম্প্রদায়কে পেল, যারা তার কথা প্রায় বুঝতেই পারছিল না। (2)
(1) এর অর্থ এমন দু’টি পাহাড়, যা এক অপরের পাশাপাশি যার মাঝে ছিল রাস্তা। সে রাস্তা দিয়ে য়্যা’জূজ-মা’জূজরা বসতি এলাকায় এসে হত্যা ও লুঠতরাজ চালাত।
(2) অর্থাৎ নিজেদের ভাষা ছাড়া অন্যের ভাষা তারা বুঝত না।