وَكَيۡفَ تَصۡبِرُ عَلَىٰ مَا لَمۡ تُحِطۡ بِهِۦ خُبۡرٗا

ওয়া কাইফা তাসবিরু ‘আলা-মা-লাম তুহিতবিহী খুবর-।উচ্চারণ

আর তাছাড়া যে ব্যাপারের আপনি কিছুই জানেন না সে ব্যাপারে আপনি সবর করবেনই বা কেমন করে।” তাফহীমুল কুরআন

আর যে বিষয়ে আপনি পরিপূর্ণ জ্ঞাত নন, তাতে আপনি ধৈর্য রাখবেনই বা কিভাবে। #%৪২%#মুফতী তাকী উসমানী

যে বিষয় তোমার জ্ঞানায়ত্ত নয় সে বিষয়ে তুমি ধৈর্য ধারণ করবে কেমন করে?মুজিবুর রহমান

যে বিষয় বোঝা আপনার আয়ত্তাধীন নয়, তা দেখে আপনি ধৈর্য্যধারণ করবেন কেমন করে?মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

‘যে বিষয় আপনার জ্ঞানায়ত্ত নয় সে বিষয়ে আপনি ধৈর্য ধারণ করবেন কেমন করে ?’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আপনি তাতে কীভাবে ধৈর্য ধরবেন, যে সম্পর্কে আপনি জানেন না’?আল-বায়ান

আপনি কীভাবে সে বিষয়ে ধৈর্য ধারণ করবেন যা আপনার জ্ঞানের আয়ত্বের বাইরে?’তাইসিরুল

আর তুমি কেমন করে ধৈর্য ধারণ করতে পারবে সেই বিষয়ে যে-সন্বন্ধে তোমার কোনো খোঁজখবর থাকে না?মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

বুখারী শরীফের হাদীসে আছে, হযরত খাজির আলাইহিস সালাম হযরত মূসা আলাইহিস সালামকে একথাও বলেছিলেন যে, আল্লাহ তাআলা আমাকে এমন এক জ্ঞান দিয়েছেন, যে জ্ঞান আপনার নেই অর্থাৎ, সৃষ্টি জগতের গুপ্ত রহস্য সংক্রান্ত জ্ঞান। আবার আপনাকে এমন জ্ঞান দেওয়া হয়েছে, যা আমার নেই অর্থাৎ, শরীয়তের জ্ঞান।

তাফসীরে জাকারিয়া

৬৮. যে বিষয় আপনার জ্ঞানায়ত্ত নয় সে বিষয়ে আপনি ধৈর্য ধারণ করবেন কেমন করে?(১)

(১) খাদির ‘আলাইহিস সালাম মূসা (আলাইহিস সালাম-কে বললেনঃ আপনি আমার সাথে ধৈর্য ধারণ করতে পারবেন না। আসল তথ্য যখন আপনার জানা নেই, তখন ধৈর্য ধরবেনই বা কেমন করে? উদ্দেশ্য এই যে, আমি যে জ্ঞান লাভ করেছি, তা আপনার জ্ঞান থেকে ভিন্ন ধরণের। তাই আমার কাজকর্ম আপনার কাছে আপত্তিকর ঠেকবে। আসল তথ্য আপনাকে না বলা পর্যন্ত আপনি নিজের কর্তব্যের খাতিরে আপত্তি করবেন। (ইবন কাসীর)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৬৮) যে বিষয় তোমার জ্ঞানায়ত্ত নয়,(1) সে বিষয়ে তুমি ধৈর্যধারণ করবে কেমন করে?’

(1) অর্থাৎ, যে ব্যাপারে তোমার পরিপূর্ণ জ্ঞান নেই।