قَالَ ذَٰلِكَ مَا كُنَّا نَبۡغِۚ فَٱرۡتَدَّا عَلَىٰٓ ءَاثَارِهِمَا قَصَصٗا

ক-লা যা-লিকা মা-কুন্না-নাবগি ফারতাদ্দা-‘আলাআ-ছা-রিহিমা-কাসাসা-।উচ্চারণ

মূসা বললো, “আমরা তো এরই খোঁজে ছিলাম। ৫৮ কাজেই তারা দু’জন নিজেদের পদরেখা ধরে পেছনে ফিরে এলো তাফহীমুল কুরআন

মূসা বলল, আমরা তো এটাই সন্ধান করছিলাম। #%৩৯%# অতএব তারা তাদের পদচিহ্ন ধরে ফিরে চলল।মুফতী তাকী উসমানী

মূসা বললঃ আমরাতো ঐ স্থানটিরই অনুসন্ধান করছিলাম; অতঃপর তারা নিজেদের পদচিহ্ন ধরে ফিরে চলল।মুজিবুর রহমান

মূসা বললেনঃ আমরা তো এ স্থানটিই খুঁজছিলাম। অতঃপর তাঁরা নিজেদের চিহ্ন ধরে ফিরে চললেন।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

মূসা বলল, ‘আমরা তো সেই স্থানটিরই অনুসন্ধান করছিলাম।’ এরপর এরা নিজেদের পদচিহ্ন ধরে ফিরে চলিল। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘ঐ স্থানটিই আমরা খুঁজছি। তাই তারা তাদের পদচি‎হ্ন অনুসরণ করে পেছনে ফিরে গেল’।আল-বায়ান

মূসা বলল, ‘এটাই তো সে জায়গা যেটা আমরা খুঁজছি।’ কাজেই তারা তাদের পায়ের চিহ্ন ধরে ফিরে গেল।তাইসিরুল

তিনি বললেন -- "এটিই আমরা চেয়েছিলাম।" সুতরাং তাঁরা নিজেদের পদচিহ্ন অনুসরণ করে ফিরে চললেন।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৫৮

অর্থাৎ আমাদের গন্তব্যের এ নিশানীটিই তো আমাকে বলা হয়েছিল। এ থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ ইঙ্গিতই পাওয়া যায় যে, আল্লাহর ইঙ্গিতেই হযরত মূসা (আ) এ সফর করছিলেন। তাঁর গন্তব্য স্থলের চিহ্ন হিসেবে তাঁকে বলে দেয়া হয়েছিল যে, যেখানে তাঁদের নাশ্তার জন্য নিয়ে আসা মাছটি অদৃশ্য হয়ে যাবে সেখানে তাঁরা আল্লাহর সেই বান্দার দেখা পাবেন, যার সাথে সাক্ষ্যাৎ করার জন্য তাকে পাঠানো হয়েছিল।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

হযরত মূসা আলাইহিস সালামকে আলামত বলে দেওয়া হয়েছিল এটাই যে, যেখানে মাছটি হারিয়ে যাবে, সেখানেই হযরত খাজির আলাইহিস সালামের সাথে সাক্ষাত হবে। তাই হযরত ইউশা আলাইহিস সালাম তো ঘটনাটি তাঁকে ভয়ে-ভয়ে শুনিয়েছিলেন, কিন্তু হযরত মূসা আলাইহিস সালাম শুনে অত্যন্ত খুশী হলেন। তিনি যে গন্তব্যের সন্ধান পেয়ে গেছেন!

তাফসীরে জাকারিয়া

৬৪. মূসা বললেন, আমরা তো সে স্থানটিরই অনুসন্ধান করছিলাম(১) তারপর তারা নিজেদের পদচিহ্ন ধরে ফিরে চলল। এরপর তারা সাক্ষাত পেল আমাদের।

(১) অর্থাৎ আমাদের গন্তব্যের এ নিশানীটিই তো আমাকে বলা হয়েছিল। এ থেকে স্বতঃস্ফৰ্তভাবে এ ইংগিতই পাওয়া যায় যে, আল্লাহর ইংগিতেই মূসা আলাইহিস সালাম এ সফর করছিলেন। তার গন্তব্য স্থলের চিহ্ন হিসেবে তাকে বলে দেয়া হয়েছিল যে, যেখানে তাদের খাওয়ার জন্য নিয়ে আসা মাছটি অদৃশ্য হয়ে যাবে সেখানে তারা আল্লাহর সেই বান্দার দেখা পাবেন, যার সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য তাকে পাঠানো হয়েছিল। (দেখুন, ফাতহুল কাদীর)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৬৪) মূসা বলল, ‘আমরা তো সেটারই অনুসন্ধান করছিলাম।’ অতঃপর তারা নিজেদের পদচিহ্ন ধরে ফিরে চলতে লাগল। (1)

(1) মূসা (আঃ) বললেন, আল্লাহর বান্দা! যেখানে মাছটি জীবিত হয়ে অদৃশ্য হয়েছে, সেটাই হচ্ছে আমাদের ঐ গন্তব্যস্থল, যার খোঁজে আমরা সফর করছি। তাই নিজেদের পায়ের চিহ্নকে অনুসরণ করে সেদিকেই প্রত্যাবর্তন করলেন, যেদিক থেকে এসেছিলেন এবং দুই সমুদ্রের সঙ্গমস্থলে ফিরে গেলেন। قَصَصًا এর অর্থ, পিছনে পড়া, পিছে পিছে চলা। অর্থাৎ, পায়ের চিহ্নকে অনুসরণ করে তার পিছনে পিছনে চলতে লাগলেন।