মাআশহাততুহুম খালকাছছামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদিওয়ালা-খালকা আনফুছিহিম ওয়ামা-কুনতুমুত্তাখিযাল মুদিল্লীনা ‘আদুদা-।উচ্চারণ
আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করার সময় আমি তাদেরকে ডাকিনি এবং তাদের নিজেদের সৃষ্টিতেও তাদেরকে শরীক করিনি। ৪৯ পথভ্রষ্টকারীদেরকে নিজের সাহায্যকারী করা আমার রীতি নয়। তাফহীমুল কুরআন
আমি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকালেও তাদেরকে হাজির করিনি আর খোদ তাদেরকে সৃষ্টি করার সময়ও না। #%৩৪%# আমি এমন নই যে, পথভ্রষ্টকারীদেরকে নিজের সহযোগী বানাব।মুফতী তাকী উসমানী
আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকালে আমি তাদেরকে ডাকিনি এবং তাদের সৃজনকালেও নয়, এবং আমি বিভ্রান্তকারীদের সাহায্য গ্রহণ করার নই।মুজিবুর রহমান
নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের সৃজনকালে আমি তাদেরকে সাক্ষ্য রাখিনি এবং তাদের নিজেদের সৃজনকালেও না। এবং আমি এমনও নই যে, বিভ্রান্ত কারীদেরকে সাহায্যকারীরূপে গ্রহণ করবো।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আকাশমণ্ডলীর ও পৃথিবীর সৃষ্টিকালে আমি এদেরকে ডাকি নাই এবং এদের সৃজনকালেও নয়, আমি বিভ্রান্তকারীদেরকে সাহায্যকারীরূপে গ্রহণ করার নই। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আমি তাদেরকে আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টির সাক্ষী করিনি এবং না তাদের নিজদের সৃষ্টির। আর আমি পথভ্রষ্টকারীদেরকে সহায়তাকারী হিসেবে গ্রহণ করিনি।আল-বায়ান
আসমান যমীনের সৃষ্টিকালে আমি তাদেরকে সাক্ষী রাখিনি, আর তাদের নিজেদের সৃষ্টি (প্রত্যক্ষ করার জন্য)ও না, পথভ্রষ্টকারীদেরকে সাহায্যকারী গ্রহণ করা আমার কাজ নয়।তাইসিরুল
মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকালে আমি ওদের সাক্ষি দিতে ডাকি নি, আর তাদের নিজেদের সৃষ্টিকালেও নয়, আর বিপথে চালনাকারীদের আমি সহায়করূপে গ্রহণ করি না।মাওলানা জহুরুল হক
৪৯
এর অর্থ হচ্ছে এ শয়তানরা তোমাদের আনুগত্য ও বন্দেগী লাভের হকদার হয়ে গেলো কেমন করে? বন্দেগী তো একমাত্র স্রষ্টারই অধিকার হতে পারে। আর এ শয়তানদের অবস্থা হচ্ছে এই যে, এদের আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্মে শরীক হওয়া তো দূরের কথা এরা নিজেরাই তো সৃষ্টি মাত্র।
অর্থাৎ, কাফেরগণ যেই শয়তানদেরকে নিজেদের অভিভাবক বানিয়েছে, আমি বিশ্বজগত সৃজনের দৃশ্য দেখানো বা সৃজন কার্যে সাহায্য গ্রহণের জন্য তাদেরকে কাছে ডাকিনি যে, তারা সৃষ্টির রহস্যাবলী সম্পর্কে জ্ঞাত থাকবে। অথচ কাফেরগণ মনে করছে, শয়তানেরা সব রহস্য জানে। ফলে তাদের প্ররোচনায় পড়ে আল্লাহ তাআলার সঙ্গে তাদেরকে অথবা তাদের কথামত অন্য কাউকে শরীক করে এবং বিশ্বাস করে তারা প্রভুত্বে আল্লাহ তাআলার অংশীদার।
৫১. আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টিকালে আমি তাদেরকে সাক্ষী করিনি এবং তাদের নিজেদের সৃষ্টির সময়ও নয়, আর আমি পথভ্রষ্টকারীদেরকে সাহায্যকারীরূপে গ্ৰহণকারী নই।(১)
(১) তাদের সৃষ্টি করার সময় আমার কোন সাহায্যকারীর প্রয়োজন হয়নি। যাদেরকে তোমরা আহ্বান করছ তারা সবাই তোমাদের মতই তাঁর বান্দাহ, কোন কিছুরই মালিক নয়। আসমান ও যমীন সৃষ্টি করার সময় তারা সেখানে ছিল না, তাই দেখার প্রশ্নও উঠে না। অন্যত্র আল্লাহ বলেনঃ “বলুন, তোমরা ডাক তাদেরকে যাদেরকে তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে ইলাহ মনে করতে। তারা আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে অণু পরিমাণ কিছুর মালিক নয় এবং এ দুটিতে তাদের কোন অংশও নেই এবং তাদের কেউ তার সহায়কও নয়। যাকে অনুমতি দেয়া হয় সে ছাড়া আল্লাহর কাছে কারো সুপারিশ ফলপ্রসূ হবে না।” (সূরা সাবা: ২২–২৩)
(৫১) আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকালে আমি তাদেরকে (উপস্থিত) সাক্ষী রাখিনি এবং তাদের সৃজনকালেও নয়।(1) আর আমি এমনও নই যে, বিভ্রান্তকারীদেরকে সহায়করূপে গ্রহণ করব। (2)
(1) অর্থাৎ, আসমান ও যমীনের সৃষ্টি ও তার পরিচালনার ব্যাপারে, এমন কি এই শয়তানদের সৃষ্টি করার ব্যাপারেও আমি তাদের থেকে বা তাদের মধ্যে হতে কোন একজনের থেকেও কোন সাহায্য গ্রহণ করিনি। এদের তো তখন অস্তিত্বই ছিল না। তাহলে তোমরা এই শয়তান এবং তার বংশধরের পূজা অথবা আনুগত্য কেন কর? পক্ষান্তরে আমার ইবাদত ও আনুগত্য থেকে তোমরা বিমুখ কেন? অথচ এরা সৃষ্টি, আর আমি এদের সকলের স্রষ্টা।
(2) অসম্ভব সত্ত্বেও যদি আমি কাউকে সাহায্যকারী বানাতামও, তবে এদেরকে কেন, যারা আমার বান্দাদেরকে ভ্রষ্ট করে আমার জান্নাত ও আমার সন্তুষ্টির পথে বাধা সৃষ্টি করে।