وَدَخَلَ جَنَّتَهُۥ وَهُوَ ظَالِمٞ لِّنَفۡسِهِۦ قَالَ مَآ أَظُنُّ أَن تَبِيدَ هَٰذِهِۦٓ أَبَدٗا

ওয়া দাখালা জান্নাতাহূওয়াহুওয়া জা-লিমুল লিনাফছিহী ক-লা মাআজুন্নুআন তাবীদা হা-যিহীআবাদা-।উচ্চারণ

তারপর সে তার বাগানে প্রবেশ করলো ৩৭ এবং নিজের প্রতি জালেম হয়ে বলতে লাগলোঃ “আমি মনে করি না এ সম্পদ কোন দিন ধ্বংস হয়ে যাবে। তাফহীমুল কুরআন

নিজ সত্তার প্রতি সে জুলুম করছিল #%২৬%# আর এ অবস্থায় সে তার বাগানে প্রবেশ করল। সে বলল, আমি মনে করি না এ বাগান কখনও ধ্বংস হবে।মুফতী তাকী উসমানী

এভাবে নিজের প্রতি যুলম করে সে তার উদ্যানে প্রবেশ করল। সে বললঃ আমি মনে করিনা যে, এটা কখনও ধ্বংস হবে।মুজিবুর রহমান

নিজের প্রতি জুলুম করে সে তার বাগানে প্রবেশ করল। সে বললঃ আমার মনে হয় না যে, এ বাগান কখনও ধ্বংস হয়ে যাবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এইভাবে নিজের প্রতি জুলুম করে সে তার উদ্যানে প্রবেশ করল। সে বলল, ‘আমি মনে করি না যে, এটা কখনও ধ্বংস হয়ে যাবে; ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর সে তার বাগানে প্রবেশ করল, নিজের প্রতি যুলমরত অবস্থায়। সে বলল, ‘আমি মনে করি না যে, এটি কখনো ধ্বংস হবে’।আল-বায়ান

নিজের প্রতি যুলম করে সে তার বাগানে প্রবেশ করল। সে বলল, ‘আমি ধারণা করি না যে, এটা কোনদিন ধ্বংস হয়ে যাবে।তাইসিরুল

আর সে তার বাগানে ঢুকল অথচ সে তার নিজের প্রতি অন্যায় করছিল। সে বললে -- "আমি মনে করি না যে এসব কখনো নিঃশেষ হয়ে যাবে,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৩৭

অর্থাৎ যে বাগানগুলোকে সে নিজের বেহেশত মনে করছিল। অর্বাচীন লোকেরা দুনিয়ায় কিছু ক্ষমতা, প্রতিপত্তি ও শান-শওকতের অধিকারী হলেই হামেশা এ বিভ্রান্তির শিকার হয় যে, তারা দুনিয়াতেই বেহেশত পেয়ে গেছে। এখন আর এমন কোন্ বেহেশত আছে যা অর্জন করার জন্য তাকে প্রচেষ্টা চালাতে হবে?

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

অর্থাৎ সে কুফর ও শিরকে লিপ্ত ছিল। ধন ও জনের মদমত্ততায় অন্যদেরকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করত। আখিরাতকে ভুলে পার্থিব ধন-সম্পদের নেশায় বিভোর হয়ে পড়েছিল আর এভাবে সে আখিরাতের প্রকৃত জীবন ধ্বংস করে নিজের উপরই জুলুম করছিল। -অনুবাদক

তাফসীরে জাকারিয়া

৩৫. আর সে তার বাগানে প্রবেশ করল নিজের প্রতি যুলুম করে। সে বলল, আমি মনে করি না যে, এটা কখনো ধংস হয়ে যাবে;(১)

(১) অর্থাৎ যে বাগানগুলোকে সে নিজের জান্নাত মনে করছিল। সে মনে করেছিল এগুলো স্থায়ী সম্পদ। অর্বাচীন লোকেরা দুনিয়ায় কিছু ক্ষমতা, প্রতিপত্তি ও শান-শওকতের অধিকারী হলেই সর্বদা এ বিভ্রান্তির শিকার হয় যে, তারা দুনিয়াতেই জান্নাত পেয়ে গেছে। এখন আর এমন কোন জান্নাত আছে যা অর্জন করার জন্য তাকে প্রচেষ্টা চালাতে হবে? এভাবে সে ফল-ফলাদি, ক্ষেত-খামার, গাছ-গাছালি, নদী-নালা, ইত্যাদি দেখে ধোঁকাগ্ৰস্ত হবে এবং মনে করবে এগুলো কখনো ধ্বংস হবে না। ফলে সে দুনিয়ার মোহে পড়ে থাকবে এবং আখেরাত অস্বীকার করে বসবে। (ইবন কাসীর)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৩৫) এভাবে নিজের প্রতি যুলুম করে সে তার বাগানে প্রবেশ করল। সে বলল, ‘আমি মনে করি না যে, এটা কখনও ধ্বংস হয়ে যাবে।