فَضَرَبۡنَا عَلَىٰٓ ءَاذَانِهِمۡ فِي ٱلۡكَهۡفِ سِنِينَ عَدَدٗا

ফাদারবনা-‘আলাআ-যা-নিহিম ফিল কাহফি ছিনীনা ‘আদাদা-।উচ্চারণ

তখন আমি তাদেরকে সেই গূহার মধ্যে থাপড়ে থাপড়ে বছরের পর বছর গভীর নিদ্রায় মগ্ন রেখেছি। তাফহীমুল কুরআন

সুতরাং আমি তাদের কানে চাপড় মেরে কয়েক বছর গুহার ভেতর রাখলাম। মুফতী তাকী উসমানী

অতঃপর আমি তাদেরকে গুহায় কয়েক বছর ঘুমন্ত অবস্থায় রেখে দিলাম।মুজিবুর রহমান

তখন আমি কয়েক বছরের জন্যে গুহায় তাদের কানের উপর নিদ্রার পর্দা ফেলে দেই।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এরপর আমি এদেরকে গুহায় কয়েক বৎসর ঘুমন্ত অবস্থায় রাখলাম, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফলে আমি গুহায় তাদের কান বন্ধ করে দিলাম অনেক বছরের জন্য।আল-বায়ান

অতঃপর আমি তাদেরকে গুহায় ঘুমন্ত অবস্থায় কয়েক বছর রেখে দিলাম।তাইসিরুল

সেজন্য গুহার মধ্যে কয়েক বছরের জন্য আমরা তাদের কানে চাপা দিলাম,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

‘কানে চাপড় মারা’ একটি আরবী প্রবচন। এর অর্থ গভীর নিদ্রা চাপিয়ে দেওয়া। এর তাৎপর্য হল, মানুষ ঘুমের শুরুভাগে কানে শুনতে পায়। কানের শোনা বন্ধ হয় তখনই যখন ঘুম গভীর হয়ে যায়।

তাফসীরে জাকারিয়া

১১. অতঃপর আমরা তাদেরকে গুহায় কয়েক বছর ঘুমন্ত অবস্থায় রাখলাম,(১)

(১) (فَضَرَبْنَا عَلَىٰ آذَانِهِمْ) এর শাব্দিক অর্থ কর্ণকুহর বন্ধ করে দেয়া। অচেতন নিদ্রাকে এই ভাষায় ব্যক্ত করা হয়। কেননা, নিদ্রায় সর্বপ্রথম চক্ষু বন্ধ হয়, কিন্তু কান সক্রিয় থাকে। আওয়াজ শোনা যায়। অতঃপর যখন নিদ্ৰা পরিপূর্ণ ও প্রবল হয়ে যায়, তখন কানও নিস্ক্রিয় হয়ে পড়ে। জাগরণের সময় সর্বপ্রথম কান সক্রিয় হয়। আওয়াজের কারণে নিদ্রিত ব্যক্তি সচকিত হয়, অতঃপর জাগ্রত হয়। (দেখুন, কুরতুবী; ফাতহুল কাদীর)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১১) অতঃপর আমি গুহায় কয়েক বছর তাদের কানে পর্দা দিয়ে রাখলাম।(1)

(1) অর্থাৎ, কানে পর্দা সৃষ্টি করে তা বন্ধ করে দিলাম। যাতে বাইরের শব্দের কারণে তাদের ঘুমে ব্যাঘাত না ঘটে। অর্থাৎ, আমি তাদেরকে গভীরভাবে ঘুমন্ত অবস্থায় রাখলাম।