কুল্লাও ক-না ফিল আরদি মালাইকাতুইঁ ইয়ামশূনা মুতমাইন্নীনা লানাঝঝালনা‘আলাইহিম মিনাছছামাই মালাকার রছূলা-।উচ্চারণ
তাদেরকে বলো, যদি পৃথিবীতে ফেরেশতারা নিশ্চিন্তভাবে চলাফেরা করতো তাহলে নিশ্চয়ই আমি কোনো ফেরেশতাকেই তাদের কাছে রসূল বানিয়ে পাঠাতাম। ১০৮ তাফহীমুল কুরআন
বলে দাও, পৃথিবীতে যদি ফিরিশতাগণ নিশ্চিন্তে বিচরণ করত, তবে আমি নিশ্চয়ই কোন ফিরিশতাকে তাদের কাছে রাসূল করে পাঠাতাম। #%৬১%#মুফতী তাকী উসমানী
বলঃ মালাইকা/ফেরেশতারা যদি নিশ্চিত হয়ে পৃথিবীতে বিচরণ করত তাহলে আমি আকাশ হতে মালাক/ফেরেশতাকেই তাদের নিকট রাসূল করে পাঠাতাম।মুজিবুর রহমান
বলুনঃ যদি পৃথিবীতে ফেরেশতারা স্বচ্ছন্দে বিচরণ করত, তবে আমি আকাশ থেকে কোন ফেরেশতাকেই তাদের নিকট পয়গাম্বর করে প্রেরণ করতাম।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
বল, ‘ফেরেশতাগণ যদি নিশ্চিন্ত হয়ে পৃথিবীতে বিচরণ করত তবে আমি আকাশ হতে এদের নিকট অবশ্যই ফেরেশতা রাসূল করে পাঠাতাম।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘ফেরেশ্তারা যদি যমীনে চলাচল করত নিশ্চিন্তভাবে তাহলে আমি অবশ্যই আসমান হতে তাদের কাছে ফেরেশতা পাঠাতাম রাসূল হিসেবে’।আল-বায়ান
বল, ‘দুনিয়াতে যদি ফেরেশতাগণের বসবাস হত যারা নিশ্চিন্তে নিরাপদে চলাফেরা করত, তাহলে অবশ্যই আমি তাদের কাছে ফেরেশতা রসূল পাঠাতাম।’তাইসিরুল
তুমি বলো -- "যদি পৃথিবীতে ফিরিশ্তারা চলাফেরা করত নিশ্চিন্তভাবে, তবে আমরা নিশ্চয়ই তাদের কাছে আকাশ থেকে একজন ফিরিশ্তাকেই পাঠাতাম রসূলরূপে।"মাওলানা জহুরুল হক
১০৮
অর্থাৎ মানুষের কাছে গিয়ে পয়গাম শুনিয়ে দেয়া হলো, শুধু এতটুকুই নবীর কাজ নয়। বরং এ পয়গাম অনুযায়ী মানব জীবনের সংশোধন করারও তাঁর কাজ। তাঁকে এ পয়গামের মূলনীতিগুলোকে মানবিক অবস্থার সাথে খাপ খাইয়ে প্রয়োগ করতে হয়। নিজের জীবনেও এ নীতিগুলো বাস্তবায়িত করতে হয়। যে অসংখ্য মানুষ এ পয়গাম শুনার ও বুঝার চেষ্টা করে তাদের মনে যেসব জটিল প্রশ্ন জাগে সেগুলোর জবাব তাঁকে দিতে হয়। যারা এ পয়গাম গ্রহণ করে, এর শিক্ষাবলীর ভিত্তিতে একটি সমাজ গড়ে তোলার জন্য তাদেরকে সংগঠিত করার ও প্রশিক্ষণ দেবার দায়িত্বও তাঁকে গ্রহণ করতে হয়।
বিকৃত ও ধ্বংসের সমর্থক শক্তিগুলোকে দাবিয়ে দেবার এবং যে সংস্কারের কর্মসূচী দিয়ে আল্লাহ নিজের নবী পাঠিয়েছেন তাকে বাস্তবায়িত করার জন্য তাঁকে অস্বীকার, বিরোধিতা ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারীদের মোকাবিলায় প্রচেষ্টা ও সংগ্রাম চালাতে হয়। এসব কাজ যখন মানুষের মধ্যেই করতে হয় তখন এগুলোর জন্য মানুষ ছাড়া আর কাকে পাঠানো যায়? ফেরেশতা তো বড় জোর এসে পয়গাম পৌঁছিয়ে দিয়ে চলে যেতো। মানুষের মধ্যে মানুষের মতো বসবাস করে মানুষের মতো কাজ করা এবং তারপর আল্লাহর ইচ্ছা অনুযায়ী মানুষের জীবনে সংস্কার সাধন করে দেখিয়ে দেয়া কোন ফেরেশতার পক্ষে সম্ভবপর ছিল না। একজন মানুষই ছিল এ কাজের উপযোগী।
অর্থাৎ, নবীর জন্য এটা জরুরী যে, যাদের কাছে তাকে পাঠানো হবে তিনি তাদের সমজাতীয় হবেন, যাতে তিনি তাদের স্বভাবগত চাহিদা বুঝতে পারেন, তাদের মনস্তত্ত্ব উপলব্ধি করতে পারেন এবং সে অনুযায়ী তাদের পথ প্রদর্শন করতে পারেন। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তো নবী করে পাঠানো হয়েছে মানব জাতির কাছে। তাই তাঁর মানুষ হওয়াটা আপত্তির বিষয় হতে পারে না; বরং এটাই সম্পূর্ণ যুক্তিসঙ্গত। হাঁ, দুনিয়ায় যদি ফিরিশতা বসবাস করত, তবে নিঃসন্দেহে তাদের কাছে একজন ফিরিশতাকেই রাসূল করে পাঠানো হত।
৯৫. বলুন, ফিরিশতাগণ যদি নিশ্চিন্ত হয়ে যমীনে বিচরণ করত তবে আমরা আসমান থেকে তাদের কাছে অবশ্যই ফিরিশতা রাসূল করে পাঠাতাম।
(৯৫) বল, ‘ফিরিশতারা যদি নিশ্চিত হয়ে পৃথিবীতে বিচরণ করত, তাহলে অবশ্যই আমি আকাশ হতে ফিরিশতাকেই তাদের নিকট রসূল করে পাঠাতাম।’ (1)
(1) আল্লাহ তাআলা বলেন, যখন পৃথিবীতে মানুষই বসবাস করে, তখন তাদের হিদায়াতের জন্য রসূলও মানুষ হবে। মানুষ ব্যতীত অন্য কেউ রসূল হলে মানুষের হিদায়াতের দায়িত্ব পালন করতেই পারবে না। হ্যাঁ, যদি পৃথিবীর বুকে ফিরিশতা বসবাস করত, তবে তাদের হিদায়াতের জন্য রসূল অবশ্যই ফিরিশতা হত।