إِذٗا لَّأَذَقۡنَٰكَ ضِعۡفَ ٱلۡحَيَوٰةِ وَضِعۡفَ ٱلۡمَمَاتِ ثُمَّ لَا تَجِدُ لَكَ عَلَيۡنَا نَصِيرٗا

ইযাল্লাআযাকনা-কা দি‘ফাল হায়া-তি ওয়া দি‘ফাল মামা-তি ছু ম্মা লা-তাজিদুলাকা ‘আলাইনা-নাসীর-।উচ্চারণ

কিন্তু যদি তুমি এমনটি করতে তাহলে আমি এ দুনিয়ায় তোমাকে দ্বিগুণ শাস্তির মজা টের পাইয়ে দিতাম এবং আখেরাতেও, তারপর আমার মোকাবিলায় তুমি কোন সাহায্যকারী পেতে না। ৮৮ তাফহীমুল কুরআন

আর তা হলে আমি দুনিয়ায়ও তোমাকে দ্বিগুণ শাস্তি দিতাম এবং মৃত্যুর পরও দ্বিগুণ। অতঃপর আমার বিরুদ্ধে তুমি কোন সাহায্যকারী পেতে না। #%৫১%#মুফতী তাকী উসমানী

তুমি ঝুঁকে পড়লে অবশ্যই তোমাকে ইহজীবনে ও পরজীবনে দ্বিগুণ শাস্তি আস্বাদন করাতাম; তখন আমার বিরুদ্ধে তোমার জন্য কোন সাহায্যকারী পেতেনা।মুজিবুর রহমান

তখন আমি অবশ্যই আপনাকে ইহজীবনে ও পরজীবনে দ্বিগুণ শাস্তির আস্বাদন করাতাম। এ সময় আপনি আমার মোকাবিলায় কোন সাহায্যকারী পেতেন না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তা হলে অবশ্যই তোমাকে ইহজীবনে দ্বিগুণ ও পরজীবনে দ্বিগুণ শাস্তি আস্বাদন করাতাম; তখন আমার বিরুদ্ধে তোমার জন্যে কোন সাহায্যকারী পেতে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন আমি অবশ্যই তোমাকে আস্বাদন করাতাম জীবনের দ্বিগুণ ও মরণের দ্বিগুণ আযাব।* তারপর তুমি তোমার জন্য আমার বিরুদ্ধে কোন সাহায্যকারী পাবে না।আল-বায়ান

তুমি তা করলে আমি তোমাকে এ দুনিয়ায় দ্বিগুণ আর পরকালেও দ্বিগুণ ‘আযাবের স্বাদ আস্বাদন করাতাম। সে অবস্থায় তুমি তোমার জন্য আমার বিরুদ্ধে কোন সাহায্যকারী পেতে না।তাইসিরুল

সেক্ষেত্রে আমরা নিশ্চয় তোমাকে দ্বিগুণ শাস্তি আস্বাদন করাতাম ইহজীবনে এবং দ্বিগুণ মৃত্যুকালে, তখন আমাদের বিরুদ্ধে তোমার জন্য কোনো সাহায্যকারী পাবে না।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৮৮

এ সমগ্র কার্যবিবরণীর ওপর মন্তব্য প্রসঙ্গে আল্লাহ দু’টি কথা বলেছেন। এক, যদি তুমি সত্যকে সত্য জানার পর মিথ্যার সাথে কোন আপোস করে নিতে তাহলে বিক্ষুব্ধ জাতি তোমার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে যেতো ঠিকই কিন্তু আল্লাহর গযব তোমার ওপর নেমে পড়তো এবং তোমাকে দুনিয়ায় ও আখেরাত উভয় স্থানেই দ্বিগুণ সাজা দেয়া হতো। দুই, মানুষ নবী হলেও আল্লাহর সাহায্য ও সুযোগ-সুবিধা তাঁর সহযোগী না হলে শুধুমাত্র নিজের শক্তির ওপর নির্ভর করে সে মিথ্যার তুফানের মোকাবিলা করতে পারে না। শুধুমাত্র আল্লাহ প্রদত্ত ধৈর্য ও অবিচলতার সাহায্যেই নবী ﷺ সত্য ও ন্যায়ের ওপর পাহাড়ের মতো অটল থাকেন এবং বিপদের সয়লাব স্রোত তাঁকে একচুলও স্থানচ্যুত করতে পারেনি।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

আল্লাহ তাআলা মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সর্বপ্রকার গুনাহ থেকে মাছুম বানিয়েছিলেন। আর সে কারণে তিনি প্রতিটি ক্ষেত্রেই স্থির ও অবিচল থাকেন। তিনি কাফেরদের কোন কথা শুনবেন বা সেইমত কাজ করবেন এর তো দূর-দূরান্তেরও কোন সম্ভাবনা ছিল না। কিন্তু তা সত্ত্বেও নাফরমানী করলে আল্লাহ তাআলা তাঁকে দ্বিগুণ শাস্তি দেবেন বলে শাসিয়ে দিয়েছেন। আসলে তাঁর ক্ষেত্রে এটা কেবলই ধরে নেওয়ার পর্যায়ভুক্ত। মূল উদ্দেশ্য উম্মতকে সতর্ক করা। বোঝানো হচ্ছে, আল্লাহ তাআলার নৈকট্য লাভের একমাত্র ভিত্তি সৎকর্ম। এটা সকলের জন্যই সাধারণ নিয়ম। সুতরাং কোন ব্যক্তি সে আল্লাহ তাআলার যতই নৈকট্যপ্রাপ্ত হোক, যদি নাফরমানী করে বসে, তবে সে শাস্তির উপযুক্ত হয়ে যাবে, বরং নৈকট্যপ্রাপ্ত হওয়ার কারণে তার শাস্তি হবে দ্বিগুণ।

তাফসীরে জাকারিয়া

৭৫. তাহলে অবশ্যই আমরা আপনাকে ইহজীবনে দ্বিগুণ ও পরজীবনে দ্বিগুণ শান্তি আস্বাদন করাতাম; তখন আমাদের বিরুদ্ধে আপনার জন্য কোন সাহায্যকারী পেতেন না।(১)

১. এ সমগ্র কার্যবিবরণীর উপর মন্তব্য প্রসংগে আল্লাহ দুটি কথা বলেছেন। এক, যদি আপনি সত্যকে জানার পর মিথ্যার সাথে কোন আপোস করে নিতেন তাহলে বিক্ষুব্ধ জাতি আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে যেতো ঠিকই কিন্তু আল্লাহর গযব তোমার উপর নেমে পড়ত এবং আপনাকে দুনিয়া ও আখেরাত উভয় স্থানেই দ্বিগুণ সাজা দেয়া হতো। দুই, মানুষ নবী হলেও আল্লাহর সাহায্য ও সুযোগ-সুবিধা তার সহযোগী না হলে শুধুমাত্র নিজের শক্তির উপর নির্ভর করে সে মিথ্যার তুফানের মোকাবিলা করতে পারে না। শুধুমাত্র আল্লাহ প্রদত্ত ধৈর্য ও অবিচলতার সাহায্যেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সত্য ও ন্যায়ের উপর পাহাড়ের মতো অটল থাকেন এবং বিপদের সয়লাব স্রোত তাকে একচুলও স্থানচ্যুত করতে পারেনি। তিনিই রাসূলুল্লাহ হেফাযত করেছেন, অপরাধী ও দুষ্ট লোকদের ক্ষতি থেকে নিরাপদ করেছেন। আর তিনিই তার যাবতীয় কাজের দায়িত্ব নিচ্ছেন। তিনিই তাকে জয়ী করবেন। তিনি তাকে কারও কাছে তার কোন বান্দার কাছে সোপর্দ করবেন না। তার দ্বীনকে তিনি তার বিরোধী প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য শক্তির পরাজিত করার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত করবেন। (ইবন কাসীর)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৭৫) তাহলে আমি অবশ্যই তোমাকে ইহজীবনে ও পরজীবনে দ্বিগুণ শাস্তি আস্বাদন করাতাম,(1) আর তখন আমার বিরুদ্ধে তোমার জন্য কোন সাহায্যকারী পেতে না।

(1) এ থেকে জানা গেল যে, শাস্তির ভারও মান-মর্যাদা অনুযায়ী অধিক হয়।