ওয়া ইম্মিন কারইয়াতিন ইল্লা-নাহনুমুহলিকূহা-কাবলা ইয়াওমিল কিয়া-মাতি আও মু‘আযযি বূহা-‘আযা-বান শাদীদান ক-না যা-লিকা ফিল কিতা-বি মাছতূর-।উচ্চারণ
আর এমন কোন জনপদ নেই, যা আমি কিয়ামতের আগে ধ্বংস করে দেবো না ৬৬ অথবা যাকে কঠোর শাস্তি দেবো না, আল্লাহর লিখনে এটা লেখা আছে। তাফহীমুল কুরআন
এমন কোন জনপদ নেই, যাকে আমি কিয়ামতের আগে ধ্বংস করব না অথবা তাকে অন্য কোন কঠিন শাস্তি দেব না। একথা (তাকদীরের) কিতাবে লিপিবদ্ধ আছে। #%৩৭%#মুফতী তাকী উসমানী
এমন কোন জনপদ নেই যা আমি কিয়ামাত দিনের পূর্বে ধ্বংস করবনা অথবা কঠোর শাস্তি দিবনা; এটাতো কিতাবে লিপিবদ্ধ আছে।মুজিবুর রহমান
এমন কোন জনপদ নেই, যাকে আমি কেয়ামত দিবসের পূর্বে ধ্বংস করব না অথবা যাকে কঠোর শাস্তি দেব না। এটা তো গ্রন্থে লিপিবদ্ধ হয়ে গেছে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এমন কোন জনপদ নেই যা আমি কিয়ামতের দিনের পূর্বে ধ্বংস করব না বা যাকে কঠোর শাস্তি দিব না ; এটা তো কিতাবে লিপিবদ্ধ আছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর এমন কোন জনপদ নেই, যা আমি কিয়ামতের দিনের পূর্বে ধ্বংস করব না অথবা যাকে কঠোর আযাব দেব না; এটা তো কিতাবে লিখিত আছে।আল-বায়ান
এমন কোন জনবসতি নেই যাকে আমি ক্বিয়ামাত দিনের পূর্বে ধ্বংস করব না কিংবা তাকে কঠিন শাস্তি দিব না, এটা (আল্লাহর) কিতাবে লিপিবদ্ধ আছে।তাইসিরুল
আর এমন কোনো জনপদ নেই যাকে না আমরা কিয়ামতের দিনের আগে বিধ্বংস করব, অথবা কঠোর শাস্তিতে তাদের শাস্তি দেব। এটি গ্রন্থের মধ্যে লিপিবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।মাওলানা জহুরুল হক
৬৬
অর্থাৎ কারোর চিরন্তন স্থায়িত্ব নেই। প্রত্যেকটি জনপদকে হয় স্বাভাবিক মৃত্যু বরণ করতে হয় আর নয়তো আল্লাহর আযাবের মাধ্যমে ধ্বংস হতে হবে। তোমাদের এ জনপদগুলো চিরকাল এমনি প্রাণবন্ত ও জীবন্ত থাকবে এই ভুল ধারণা তোমরা কেমন করে পোষণ করতে পারলে?
অর্থাৎ, কাফেরদের উপর এই মুহূর্তে শাস্তি অবতীর্ণ হচ্ছে না বলে তারা যেন মনে না করে চিরদিনের জন্য নিষ্কৃতি পেয়ে গেছে। নিষ্কৃতি তারা পাবে না। হতে পারে এই দুনিয়াতেই তাদেরকে কঠিন শাস্তি দেওয়া হবে। আর তা যদি নাও হয়, তবে কিয়ামত যে হবে তাতে তো কোনও সন্দেহ নেই। তখন সকলেই ধ্বংস হবে। তারপর আখেরাতে তাদেরকে অনন্তকাল শাস্তিভোগ করতে হবে।
৫৮. আর এমন কোন জনপদ নেই যা আমরা কিয়ামতের দিনের আগে ধ্বংস করব না অথবা যাকে কঠোর শাস্তি দেব না; এটা তো কিতাবে লিপিবদ্ধ আছে।(১)
১. কিতাব বলে এখানে ‘লাওহে মাহফুজ’ বুঝানো হয়েছে। (ইবন কাসীর) তাদের কর্মফলের কারণেই তাদের জন্য এ শাস্তি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। আল্লাহ তা’আলা পূর্ববর্তী জাতি সমূহের ধ্বংসের ব্যাপারেও একই কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, “আর আমরা তাদের উপর যুলুম করিনি। বরং তারাই তাদের নিজেদের উপর যুলুম করেছে।” (সূরা হূদঃ ১০১) অন্য আয়াতে আরো স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, “কত জনপদ তাদের প্রতিপালক ও তাঁর রাসূলগণের বিরুদ্ধাচরণ করেছিল। ফলে আমরা তাদের কাছ থেকে কঠোর হিসেব নিয়েছিলাম এবং তাদেরকে দিয়েছিলাম। কঠিন শাস্তি। তারপর তারা তাদের কৃতকর্মের শাস্তি আস্বাদন করল; ক্ষতিই হল তাদের কাজের পরিণাম।” (সূরা আত-তালাকঃ ৮, ৯)
(৫৮) এমন কোন জনপদ নেই, যা আমি কিয়ামতের দিনের পূর্বে ধ্বংস করব না অথবা যাকে কঠোর শাস্তি দেব না; এটা তো কিতাবে লিপিবদ্ধ আছে। (1)
(1) ‘কিতাব’ বলতে লাওহে মাহফুযকে বুঝানো হয়েছে। অর্থ হল, আল্লাহর পক্ষ হতে এ কথা নির্ধারিত যা লাওহে মাহফূযে লিপিবদ্ধ যে, আমি কাফেরদের প্রত্যেক বস্তিকে মৃত্যুর মাধ্যমে ধ্বংস করব। আর ‘জনপদ’ বলতে জনপদবাসীরা উদ্দেশ্য। আর তাদের ধ্বংসের কারণ হবে তাদের কুফরী, শিরক, অত্যাচার ও সীমালঙ্ঘন। আর সে ধ্বংস সাধিত হবে কিয়ামতের পূর্বেই। নচেৎ কিয়ামতের দিন তো নির্বিশেষে প্রত্যেক বস্তই ধ্বংসের শিকার হবে।