লা-তাজ‘আল মা‘আল্লা-হি ইলা-হান আ-খার ফাতাক‘উদা মাযমূমাম মাখযূলা-।উচ্চারণ
আল্লাহর সাথে দ্বিতীয় কাউকে মাবুদে পরিণত করো না। ২৪ অন্যথায় নিন্দিত ও অসহায়-বান্ধব হারা হয়ে পড়বে। তাফহীমুল কুরআন
আল্লাহর সঙ্গে অন্য কাউকে মাবুদ বানিও না। অন্যথায় তুমি নিন্দাযোগ্য (ও) নিঃসহায় হয়ে পড়বে। #%১৫%#মুফতী তাকী উসমানী
আল্লাহর সাথে অপর কোন মা‘বূদ স্থির করনা; তাহলে নিন্দিত ও নিঃসহায় হয়ে পড়বে।মুজিবুর রহমান
স্থির করো না আল্লাহর সাথে অন্য কোন উপাস্য। তাহলে তুমি নিন্দিত ও অসহায় হয়ে পড়বে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আল্লাহ্ র সঙ্গে অপর কোন ইলাহ্ সাব্যস্ত কর না ; করলে নিন্দিত ও লাঞ্ছিত হয়ে পড়বে।ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আল্লাহর সাথে অপর কোন ইলাহ নির্ধারণ করো না। তাহলে তুমি নিন্দিত ও লাঞ্ছিত হয়ে বসে পড়বে।আল-বায়ান
আল্লাহর সাথে অন্য কোন ইলাহ সাব্যস্ত করো না, করলে তিরস্কৃত হতভাগ্য হয়ে পড়ে থাকবে।তাইসিরুল
আল্লাহ্র সাথে অন্য উপাস্য খাড়া করো না, পাছে তুমি বসে থাক নিন্দিত নিঃসহায় হয়ে।মাওলানা জহুরুল হক
২৪
এ বাক্যাংশটির অন্য একটি অনুবাদ এভাবে করা যেতে পারে আল্লাহর সাথে অন্য কোন ইলাহ তৈরী করে নিয়ো না অথবা অন্য কাউকে ইলাহ গণ্য করো না।
১৯ নং আয়াতে বলা হয়েছিল, আখেরাতের কল্যাণ লাভের জন্য বান্দার কর্তব্য যথোচিত চেষ্টা করা। তার দ্বারা ইশারা ছিল আল্লাহ তাআলার আদেশ-নিষেধ মেনে চলার প্রতি। এবার এখান থেকে তাঁর কিছু বিধি-নিষেধের বিবরণ দেওয়া হচ্ছে। তা শুরু করা হয়েছে তাওহীদের হুকুম দ্বারা। কেননা তাওহীদের বিশ্বাস ছাড়া কোন আমল কবুল হয় না। তারপর ‘হুকুকুল ইবাদ’ সংক্রান্ত কিছু বিধান পেশ করা হয়েছে।
২২. আল্লাহর সাথে অন্য কোন ইলাহ সাব্যস্ত করো না; করলে নিন্দিত ও লাঞ্ছিত হয়ে বসে পড়বে।(১)
১. সাধারণত যারা আল্লাহর সাথে শির্ক করে তাদের বেশিরভাগেই বিপদাপদে আল্লাহকে ভুলে বিভিন্ন পীর-ফকীর, আলী, দরগাহ ইত্যাদিকে ডাকে এবং তাদের কাছে নিজের অভাব গোছানো বা বিপদমুক্তির আহবান জানাতে থাকে। এতে তারা শির্ক করার কারণে আখেরাতে নিন্দিত ও লাঞ্ছিত হবে। কারণ, আল্লাহর সাথে কেউ শরীক করলে আল্লাহ তাকে আর সাহায্য করবেন না। বরং তাকে সে শরীকের কাছে ন্যস্ত করে দেন যাকে সে আল্লাহর সাথে শরীক করেছে। অথচ সে তার কোন ক্ষতি কিংবা উপকারের মালিক নয়। কারণ, ক্ষতি বা উপকারের মালিক তো আল্লাহ তা’আলাই।
সুতরাং আল্লাহর সাথে শরীক করার কারণে তাকে অপমানিত ও লাঞ্ছিত হয়েই থাকতে হবে। (ইবন কাসীর) এক হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “অভাব ও সমস্যাগ্ৰস্ত কেউ যখন তার অভাব ও সমস্যা মানুষের কাছে ব্যক্ত করে তখন তার সে অভাব পূর্ণ হয় না, পক্ষান্তরে যে আল্লাহর দরবারে পেশ করে অচিরেই আল্লাহ তাকে অমুখাপেক্ষী করে দেয়। দ্রুত মৃত্যুর মাধ্যমে অথবা দ্রুত ধনী করার মাধ্যমে।” (আবু দাউদঃ ১৬৪৫, তিরমিযীঃ ২৩২৬, মুসনাদে আহমাদঃ ১/৪০৭)
(২২) আল্লাহর সাথে অপর কোন উপাস্য স্থির করো না; করলে নিন্দিত ও নিঃসহায় হয়ে যাবে।